শুক্রবার | ৩রা জুলাই, ২০২০ ইং |

আলিম হত্যায় থানায় মামলা না নেয়ার প্রতিবাদ ও বিচারের দাবিতে গাইবান্ধায় সংবাদ সম্মেলন

সিরাজুল ইসলাম রতন, বর্তমানকন্ঠ ডটকম, গাইবান্ধা : গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার নাকাইহাট ইউনিয়নের নাকাই মধ্যপাড়া গ্রামের দরিদ্র দিনমজুর ইউসুফ আলীর ছেলে আলিম প্রধানকে হত্যা করা হলেও গোবিন্দগঞ্জ থানায় মামলা নেয়া হয়নি। উপরন্ত অভিযুক্ত আসামি মশিউর রহমানকে আটক করেও থানা থেকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। ২৭ জুন শনিবার গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে থানায় মামলা গ্রহণসহ এই হত্যার বিচারের দাবি জানান অসহায় পিতা-মাতা ও পরিবারের লোকজন। এব্যাপারে সাংবাদিকদের প্রশ্নে গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ একেএম মেহেদী হাসান জানান, এ ঘটনায় থানায় ইউডি মামলা দায়ের করা হয়েছে। বগুড়া জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পোস্টমর্টেম রিপোর্টের ভিত্তিতে তদন্ত সাপেক্ষে এ মামলার পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।

এদিকে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত অভিযোগে রফিকুল ইসলাম উল্লেখ করে, গত ১৩ ফেব্র“য়ারি রাত ৮টায় প্রতিবেশী আজাদ আলীর ছেলে মশিউর রহমান আলিম প্রধান (২৫)কে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর ওইদিন রাত ১১টায় ইউসুফ আলীর চাচাত ভাই শামীম মিয়ার কাছে মোবাইল ফোনে মশিউর রহমান জানান, জামালপুর বাজারে মটর সাইকেল দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে তার ছেলে আলিম প্রধান। ওই সংবাদ পেয়ে মশিউরের কথামত গোবিন্দগঞ্জের মায়ামনি হোটেলের সামনে এবং গোবিন্দগঞ্জ স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গিয়ে অনেক খোজাখুঁজি করেও আলিম প্রধানের কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি। অত:পর ১৪ ফেব্রুয়ারি সকালে মশিউর রহমান তাকে জানান, দুইজন একই মটর সাইকেলে যাওয়ার সময় সড়ক দুর্ঘটনায় আলিম প্রধান আহত হলে চিকিৎসার জন্য বগুড়া জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হলে সেখানে তার মৃত্যু হয়। এই ঘটনা গোবিন্দগঞ্জ থানায় চলতি বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি লিখিত আকারে অভিযোগ জানানো হলে পুলিশ মশিউর রহমানকে আটক করে দু’দিন পরে ছেড়ে দেয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত আলিম প্রধান হত্যার মামলাটি থানায় রেকর্ড করা হয়নি। অথচ মশিউর ও তার পরিবারের লোকজন ইউসুফ আলী এবং তার পরিবারের লোকজনকে নানাভাবে হত্যার হুমকি দিচ্ছে। সংবাদ সম্মেলনে দিনমজুর অসহায় এই দরিদ্র পিতা-মাতা জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে মামলা গ্রহণ পূর্বক আসামি মশিউর রহমানকে গ্রেফতার ও তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন শফিকুল ইসলাম, হেলেনা বেগম, অমিছা বেগম ও তারা মিয়া।

সময় বাচাঁতে ঘরে বসে কেনা-কাটা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *