সোমবার | ৩রা আগস্ট, ২০২০ ইং |

পবিত্র মক্কা ও মদিনায় চাকরি হারিয়ে বেকারত্ব ২০ হাজার বাংলাদেশী

দেলোয়ার হোসেন সুমন, বর্তমানকন্ঠ ডটকম, সৌদিআরব : আজকের এই সময় লাখো হাজিদের সমাগমে মুখরিত ছিল মক্কা এবং মদিনা। এবাদতের মাধ্যমে ব্যস্ত সময় পার করতেন হাজিরা- এবছর বৈশ্বিক করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারনে সীমিত সংখ্যক হাজীর অংশগ্রহণে শুরু হয়েছে এবারের হজের আনুষ্ঠানিকতা।

বৈশ্বিক করোনা ভাইরাসের কারনে সৌদি সরকার আন্তর্জাতিক ভাবে হজ্জের আনুষ্ঠানিকতা বাতিল করার কারনে বন্ধ রয়েছে মক্কা ও মদিনার আবাসিক হোটেল গুলো’সহ নানারকম ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। এইসব প্রতিষ্ঠান গুলোতে প্রায় ৫০ হাজার বাংলাদেশী কাজ করতেন। তাদের মধ্যে কেউ দেশে ছুটিতে রয়েছে আবার কিছু সংখ্যক কাজ করলেও বেতন পাচ্ছেনা।বেশীরভাগ বেকারত্বে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

মক্কা এবং মদিনায় অনেক কোম্পানী আর্থিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে আবাসিক হোটেল’সহ অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছে। এবং অনেক কোম্পানি শ্রমিকের আকামা রিনিউ না করায় এইসব শ্রমিকরা হতাশায় রয়েছে। প্রতিনিয়ত সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। বাংলাদেশী শ্রমিকদের বেশীরভাগ ফ্রি ভিসার আওতায় কাজ করার কারনে করোনা ভাইরাসের পাদুর্ভাবে প্রতিষ্ঠান গুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কাজ হারিয়ে এখন সবাই বেকার সময় কাটাচ্ছে।

অনেকে মনে করছেন, এসব শ্রমিকরা চাকরিচ্যুত হওয়ার কারনে বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হবে প্রবাসে শ্রমবাজার প্রভাব পড়বে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সে। যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হবে প্রবাসীরা তেমনি কমে আসবে রেমিট্যান্স। এইসব ক্ষতিগ্রস্ত প্রবাসীদের সমস্যা সমাধানে সরকার এবং দূতাবাস কতৃপক্ষকে এগিয়ে আসতে হবে ।

পবিত্র মক্কা এবং মদিনায় আবাসিক হোটেল গুলো হচ্ছে মূল কর্মসংস্থান বিশেষ করে ওমরাহ এবং হজের হাজিদের প্রয়োজনীয় খেদমতের উপর ভিত্তি করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও শ্রমিকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়।

এজন্যই মক্কা এবং মদিনার প্রবাসীরা বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। লকডাউন খুলে দেয়া হলেও খোলা হয়নি হারামের আশপাশের আবাসিক হোটেল’সহ বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ।

অনেকে চাকরি হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে ৫-৬ মাস চাকরি না থাকায় টাকার অভাবে দেশেও যেতে পারছে না। করোনা ভাইরাসের কারনে স্বাভাবিক ফ্লাইট বন্ধ থাকায় হতাশায় রয়েছে অনেক প্রবাসী। কেউ কেউ এক্সিট লাগিয়ে দেশে যাওয়া সম্ভব হচ্ছেনা। বিশেষ ফ্লাইটে আগের মতো স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় টিকেট কিনতে না পেরে নিরাশ হয়ে স্বাভাবিক সময়ের অপেক্ষায় দিন পার করছেন প্রবাসীরা।

সময় বাচাঁতে ঘরে বসে কেনা-কাটা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *