| ২৪শে জানুয়ারি, ২০২০ ইং | ১০ই মাঘ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ২৯শে জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরী | শুক্রবার ১৯৮ রানে অলআউট জিম্বাবুয়ে – Bartaman Kanho

Bartaman Kanho

বর্তমানকণ্ঠ ডটকম

১৯৮ রানে অলআউট জিম্বাবুয়ে

নিউজ ডেস্ক,বর্তমানকণ্ঠ ডটকম,রবিবার,২১ জানুয়ারী ২০১৮: ত্রিদেশীয় সিরিজের চতুর্থ ম্যাচে শ্রীলঙ্কার মুখোমুথি হয় জিম্বাবুয়ে। রবিবার (২১ জানুয়ারি) মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাট করে ৪৪ ওভারে ১৯৮ রানে অলআউট হয় জিম্বাবুয়ে। এই ম্যাচ জিতলেই সিরিজের ফাইনালে বাংলাদেশের মুখোমুখি হবে জিম্বাবুইয়ানরা। আর হেরে গেলে বিদায় নিতে হবে লঙ্কানদের ।

এই দুই দলের প্রথম সাক্ষাতে ১২ রানের জয় পেয়েছিল হিথ স্ট্রিকের জিম্বাবুয়ে। আর তাই এদিন হ্যামিল্টন মাসাকাদজা টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন। তবে তারা এদিন শ্রীলঙ্কার সমানে বড় পুঁজি দাঁড় করাতে ব্যর্থ হন।

বিশেষ করে ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় ৩০ বল বাকি থাকতেই অলআউট হয়ে যায় দলটি। একা দারুণ লড়েন অবসর ভেঙে ফিরে আসা ব্রেন্ডন টেলর। তার হাফসেঞ্চুরির পরও ১৯৮ রানেই গুটিয়ে যায় দলটি। ফলে ত্রিদেশীয় সিরিজে প্রথম জয়ের জন্য ১৯৯ রানের লক্ষ্য পায় চন্ডিকা হাথুরুসিংহের শিষ্যরা।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তিন দলই দুটি করে ম্যাচ খেলেছে। বাংলাদেশ দুই ম্যাচেই বোনাস পয়েন্ট সহ জিতে হেসে খেলে নিশ্চিত করেছে ফাইনাল। শিরোপা লড়াইয়ে মাশরাফির দলের প্রতিপক্ষ কে হবে তা নির্ভর করছে রবিবার (২১ জানুয়ারি) জিম্বাবুয়ে-শ্রীলঙ্কার ম্যাচের ওপর। ৪ পয়েন্ট সংগ্রহ করা জিম্বাবুইয়ানরা জিতলে চূড়ান্ত করবে ফাইনালের টিকিট।

বাঁচা-মরার ম্যাচে বল হাতে জ্বলে উঠলেন থিসারা পেরেরা। ত্রিদেশীয় সিরিজে প্রথমবারের মতো খেলতে নেমে জিম্বাবুয়ের মিডল অর্ডারে ছোবল দিলেন লাকশান সান্দাকান। আর শেষটায় দ্রুত জিম্বাবুয়েকে গুটিয়ে দিলেন নুয়ান প্রদিপ। আর তাতে করে বোলারদের নৈপুণ্যে হাতের নাগালের মধ্যে জয়ের লক্ষ্য পেল শ্রীলঙ্কা।

৪৪ রানের উদ্বোধনী জুটিতে দলকে ভালো শুরু এনে দেন হ্যামিল্টন মাসাকাদজা ও সলোমন মিরে। পরপর তিন ওভারে টপ অর্ডারের তিন ব্যাটসম্যানকে ফিরিয়ে খেলার চিত্রটা পাল্টে দেন থিসারা।

গুড লেংথ বল পুল করতে গিয়ে উপুল থারাঙ্গাকে ক্যাচ দিয়ে মাসাকাদজার বিদায়ে ভাঙে শুরুর জুটি। পরের ওভারে বাজে শট খেলে থারাঙ্গার হাতে ধরা পড়েন ক্রেইগ আরভিন। শর্ট বল পুল করতে গিয়ে নিরোশান ডিকভেলার গ্লাভসে ধরা পড়েন ওপেনার মিরে।

অলরাউন্ডার ভানিদু হাসারাঙ্গার জায়গায় দলে ফেরা চায়নাম্যান সান্দকান দ্রুত ফেরান ছন্দে থাকা সিকান্দার রাজাকে। স্কয়ার লেগে দুর্দান্ত এক ক্যাচে তাতে বড় অবদান আছে কুসল মেন্ডিসেরও। ৭৩ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়া জিম্বাবুয়ে প্রতিরোধ গড়ে টেইলর-ম্যালকম ওয়ালারের ব্যাটে।

৬৬ রানের জুটিও ভাঙেন সান্দকান। তাকে স্লগ সুইপ করতে গিয়ে ডিকভেলার গ্লাভসবন্দি হন দুটি চারে ২৪ রান করা ওয়ালার। কোনো বল খেলার আগেই রান আউট হয়ে ফিরেন পিটার মুর।

বোলিংয়ে ফিরে আবার শর্ট বলে সাফল্য পান থিসারা। জায়গা করে নিয়ে হুক করতে চেয়েছিলেন টেইলর। ব্যাটের কানায় লেগে ক্যাচ চলে যায় লংলেগে। ৬টি চারে ৫৮ রান করে বিদায় নেন এই উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান।

৭ রানের মধ্যে শেষ ৩ উইকেট তুলে নিয়ে জিম্বাবুয়েকে দুইশ রানের আগেই থামিয়ে দেন প্রদিপ। এই পেসার শুরু করেন ৩৪ রান করা ক্রিমারকে বোল্ড করে। পরের ওভারে চার বলের মধ্যে বোল্ড করেন কাইল জার্ভিস ও ব্লেজিং মুজরাবানিকে।

থিসারা পেরেরা ৩৩ রান খরচায় তুলে নেন ৪টি উইকেট। এছাড়া ৩টি উইকেট পান নুয়ান প্রদিপ ও লাকসান সান্দাকান পান ২টি উইকেট।

Print Friendly, PDF & Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *