Thu. Nov 21st, 2019

Bartaman Kanho

বর্তমানকণ্ঠ ডটকম

বোলিংয়ে বিবর্ণ সাকিবের ব্যাটে ঝড়, হায়দরাবাদের প্রথম হার

ক্রীড়া ডেস্ক ,বর্তমানকণ্ঠ ডটকম,শুক্রবার,২০ এপ্রিল ২০১৮: আগের ম্যাচে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের জয়ে ব্যাটে-বলে আলো ছড়িয়েছিলেন সাকিব আল হাসান। পরের ম্যাচে অবশ্য বোলিংয়ে ভালো করতে পারলেন না। শেষ দিকে ব্যাটিংয়ে নেমে তুললেন ঝড়, তাতে শুধু দলের পরাজয়ের ব্যবধানই কমল।

এবারের আইপিএলে হায়দরাবাদকে প্রথম হারের স্বাদ দিয়েছে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব। ক্রিস গেইলের ঝোড়ো সেঞ্চুরির দিনে হায়দরাবাদকে ১৫ রানে হারিয়েছে তারা। টানা তিন জয়ের পর প্রথম হারল হায়দরাবাদ।

আগের ম্যাচে প্রথমবার একাদশে সুযোগ পেয়ে চেন্নাই সুপার কিংসের বিপক্ষে মাত্র ৩৩ বলে ৬৩ রান করেছিলেন গেইল। মোহালিতে কাল হায়দরাবাদের বিপক্ষে তুলে নিলেন আইপিএলে নিজের ষষ্ঠ আর সব মিলিয়ে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের ২১তম সেঞ্চুরি।

ইনিংসের শেষ পর্যন্ত ব্যাট করে ৬৩ বলে ১০৪ রানের টর্নেডো ইনিংস খেলে অপরাজিত ছিলেন গেইল। চার মেরেছেন মাত্র একটি। আর ছক্কা? ১১টি!

গেইল ফিফটি করতে খেলেছিলেন ৩৯ বল। পরের পঞ্চাশ করতে লেগেছে মাত্র ১৯ বল! ইনিংসে নিজের ১১তম ছক্কা হাঁকিয়ে পৌঁছে যান ৯৯-এ। পরের বল ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে ঠেলে সিঙ্গেল নিয়ে ছুঁয়ে ফেলেন তিন অঙ্ক।

গেইলের সেঞ্চুরিতে ২০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৯৩ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে পাঞ্জাব। হায়দরাবাদের আফগান লেগ স্পিনার রশিদের খানের ১৬ বলে গেইল তোলেন ৪২ রান। রশিদের বোলিং ফিগার, ৪-০-৫৫-১। সাকিব ২ ওভারে দিয়েছেন ২৮ রান, ওভারে ১৪ করে!

প্রায় দুইশ রান তাড়ায় শুরুতেই বড় ধাক্কা খায় হায়দরাবাদ। প্রথম ওভারেই কনুইয়ে চোট নিয়ে মাঠ ছেড়ে যান শিখর ধাওয়ান, পরে তিনি আর ব্যাটিংয়েই নামতে পারেননি। আরেক ওপেনার ঋদ্ধিমান সাহা ও ইউসুফ পাঠানকে বোল্ড করেন মোহিত শর্মা। ৫ ওভার শেষে হায়দরাবাদের স্কোর তখন ২ উইকেটে ৩৭।

তৃতীয় উইকেটে ৭৬ রানের জুটি গড়েছিলেন অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন ও মনিশ পান্ডে। কিন্তু আস্কিং রান রেট অনুযায়ী ব্যাটিং করতে পারেননি তারা। ১৫তম ওভারে উইলিয়ামসন যখন ৪১ বলে ৫৪ করে আউট হলেন, হায়দরাবাদের দরকার ৩৪ বলে ৮১।

আগের ম্যাচে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে পাঁচে নেমে ২১ বলে ২৭ রান করেছিলেন সাকিব। কাল তাকে নামানো হয় সাত নম্বরে। তার আগে নামিয়ে দেওয়া হয় দীপক হুদাকে। হুদা ফেরেন বলের সমান ৫ রান করে।

সাকিব যখন ব্যাটিংয়ে নামলেন, হায়দরাবাদের দরকার ২০ বলে ৬১ রান। জয় তখন অনেকটাই দূরের বাতিঘর বলা যায়। শেষ ওভারে যেটি দাঁড়ায় ৩৩ রানে। এই ওভারে রবিচন্দ্রন অশ্বিনের পরপর দুই বলে লং অন দিয়ে দারুণ দুটি ছক্কা হাঁকান সাকিব। সেটা হয়তো হায়দরাবাদের সমর্থকদের শুধু আফসোসই বাড়িয়েছে, সাকিবকে যদি আরো আগে নামানো যেত!

১২ বলে ২ ছক্কা ও এক চারে ২৪ রানে অপরাজিত ছিলেন সাকিব। ৪২ বলে ৩ চার ও এক ছক্কায় ৫৭ রানে অপরাজিত পান্ডে। ম্যাচসেরা অবশ্যই ক্রিস গেইল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *