Sun. Aug 18th, 2019

Bartaman Kanho

বর্তমানকণ্ঠ ডটকম

নেত্রকোণায় ১৫৫ কিলোমিটার নদী খনন কাজ শুরু

শ্রী অরবিন্দ ধর | বর্তমানকন্ঠ ডটকম : নেত্রকোণার মোহনগঞ্জ থেকে শেরপুরের নালিতাবাড়ি নাগাদ ভোগাই-কংশ নদীর ১৫৫ কিলোমিটার নদী খনন কাজ শুরু করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।

বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী জেলার পূর্বধলার জারিয়া এবং দুর্গাপুরের ঝাঞ্জাইলে ভোগাই-কংশ নদীতে এই খনন কাজ উদ্বোধন করেন।

বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমডোর এম মাহবুব উল ইসলাম জানান, ভোগাই-কংশ নদীর এই নৌপথে এক কোটি ঘনমিটার মাটি খনন করবে বিআইডব্লিউটিএ। এজন্য ব্যয় হবে ১৩৪ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। বসুন্ধরা ইনফ্রাস্টাকচার ডেভলাপমেন্ট লিমিটেড, সোনালী ড্রেজার লিমিটেড, বিডিএল- এসআরডিসি, এস এস রহমান- মাতৃবাংলা এবং নবারুন ট্রেডার্স লিমিটেড এই পাঁচটি কোম্পানি মোহনগঞ্জ, বারহাট্টা, পূর্বধলা, ফুলপুর, নালিতাবাড়ি উপজেলায় খনন কাজ করবে । এই নৌপথটিতে প্রস্থে ৮০ থেকে ১০০ ফুট এবং গভীরতায় ৮ ফুট খনন করা হবে। খনন কাজ ২০১৯ এর মে থেকে শুরু হয়ে ২০২১ এর জুন পর্যন্ত চলবে।

তিনি বলেন, “অভ্যন্তরীণ নৌ-পথের ৫৩টি রুটে ক্যাপিটাল ড্রেজিং (১ম পর্যায়: ২৪টি নৌ-পথ)” শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এই খনন কাজ হচ্ছে।শুস্ক মৌসুমে ৮ ফুট গভীরতা রাখা এই প্রকল্পের লক্ষ্য।
কমডোর এম মাহবুব উল ইসলাম আরো বলেন, প্রকল্পের আওতায় ২৪টি নৌ-রুটের মধ্যে ৭ টি রুটের কাজ সমাপ্ত হয়েছে। বাকি ১৭টি রুটের ড্রেজিং কাজ চলমান রয়েছে। বর্তমানে এই প্রকল্পগুলোর ৬১.৫০শতাংশ অগ্রগতি হয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় ইতোমধ্যে প্রায় ৯৭০ কিলোমিটার নৌ-পথের নাব্যতা ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, খনন কাজ শেষ হলে এ অঞ্চলের জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন হবে।এতদাঞ্চলে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে এবং কৃষি কাজে ও মৎস্য চাষে ব্যাপক উন্নতি ঘটবে।নাব্যতার সংকটের কারণে ধীরে ধীরে ঐতিহ্যবাহী নৌ-পথগুলো হারিয়ে যাচ্ছে। নৌ-পথের নাব্যতা ফিরিয়ে এনে দেশের আবহমান ঐতিহ্য পুনঃরুদ্ধারসহ সার্বিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ঘটাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধিন সরকার দশ হাজার কিলোমিটার নৌ-পথ খননের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

উদ্বোধনের সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়ারেসাত হোসেন বেলাল বীরপ্রতীক, সংসদ সদস্য মানু মজুমদার, বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমডোর এম মাহবুব উল ইসলাম, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, জেলা প্রশাসক মঈনউল ইসলাম, জেলা পুলিশ সুপার জয়দেব চৌধুরী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *