Sat. Oct 19th, 2019

Bartaman Kanho

বর্তমানকণ্ঠ ডটকম

নেত্রকোণার কলমাকান্দায় ঐতিহাসিক নাজিরপুর যুদ্ধ দিবস পালিত

শ্রীঅরবিন্দ ধর | বর্তমানকন্ঠ ডটকম: নেত্রকোণা জেলার কলমাকান্দা উপজেলায় ঐতিহাসিক নাজিরপুর যুদ্ধ দিবস নানা কর্মসূচীর মধ্যদিয়ে শুক্রবার দিনব্যাপী পালিত হয়েছে। ১৯৭১ সালে ২৬ শে জুলাই কলমাকান্দার নাজিরপুর এলাকায় পাক হানাদার বাহিনীর সাথে সন্মুখ যুদ্ধে শহীদ হয়েছিল ৭ জন মুক্তিযোদ্ধাসহ নাম নাজানা এক কিশোর। জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ইউনিট কমান্ড ও কলমাকান্দা উপজেলা ইউনিট কমান্ড নেত্রকোণার উদ্যোগে নাজিরপুর স্মৃতিসৌধে , লেঙ্গুরা সাত শহীদদের সমাধিস্থলে নানা আয়োজনে উৎসব মুখর পরিশরে এদিবসটি উদযাপিত হয়। মময়মনসিংহ, মোক্তাগাছা, নেত্রকোণা জেলা সদর বারহাট্টা, কলমাকান্দা উপজেলা সহ সকল উপজেলা থেকে হাজার -হাজার মুক্তিযোদ্ধাদের ভীরে নাজিরপুর, লেঙ্গুরা জনসমূদ্রে পরিনত হয়।

সকালে নাজিরপুর স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সকলেই চলেযায় লেঙ্গুরা সাত শহীদের সমাধিস্থলে সেখানে ১ম পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য শ্রী মানু মজুমদার, পরবর্তীতে জেলাপ্রশাসন বিভিন্ন জেলা উপজেলা থেকে আগত মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের নেতৃত্বে সকলেই পুষ্পস্তবক অর্পন ও মময়মনসিংহ থেকে আগত বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডো বাহিনী কর্তৃক সালাম প্রদান করা হয়।

দুপুরে লেঙ্গুরা উচ্চবিদ্যালয় মাঠে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারনে এক আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয় এতে জেলা প্রশাসক মঈনউল ইসলামের সভাপতিত্বে ও কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জাকির হোসেন এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন প্রধান অতিথি সংসদ সদস্য -১৫৭ নেত্রকোণা – ১ শ্রী মানু মজুমদার অধিনায়ক, ৩১ বিজিবি নেত্রকোণা লেঃ কর্ণেল মোঃ শাহজাহান সিরাজ, নেত্রকোণা পৌর মেয়র আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম খান, কলমাকান্দা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল খালেক, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নেত্রকোণা জেলা সাবেক ইউনিট কমান্ড মোঃ নুরুল আমিন, কলমাকান্দা উপজেলা আঃলীগ সভাপতি শ্রী চন্দন বিশ্বাস প্রমুখ।

১৯৭১ সালে ২৭ জুলাই সন্ধ্যায় কলমাকান্দা উপজেলার লেঙ্গুরা ইউপির ফুলবাড়িয়া নামক স্থানে ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে গনেশ্বরী নদীর দক্ষিণ পাড়ে ১১৭২ নম্বর পিলারের কাছে -নেত্রকোণার মুক্তিযোদ্ধা ডাঃ আব্দুল আজিজ, মোঃ ফজলুল হক, মুক্তাগাছার মোঃ ইয়ার মাহমুদ , ভবতোষ চন্দ্র দাস, মোঃ নুরুজ্জামান, দ্বিজেন্দ্র চন্দ্র বিশ্বাস, এবং জামালপুর এর মোঃ জামাল উদ্দিন এই সাতজন মুক্তিযোদ্ধাকে সমাহিত ও দাহকার্য সম্পন্ন করা হয়েছিল বলেই সাত শহিদের সমাধিস্থল লেঙ্গুরা পরিচিতি লাভ করছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *