| ২৩শে জানুয়ারি, ২০২০ ইং | ৯ই মাঘ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ২৮শে জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরী | বৃহস্পতিবার মিশা-জায়েদের যে কৌশলের কাছে হারলেন মৌসুমী – Bartaman Kanho

Bartaman Kanho

বর্তমানকণ্ঠ ডটকম

মিশা-জায়েদের যে কৌশলের কাছে হারলেন মৌসুমী

বিনোদন ডেস্ক | বর্তমানকণ্ঠ ডটকম:
নির্বাচন নিয়ে জল কম ঘোলা হয়নি। মিশা-জায়েদের পূর্ণ প্যানেল সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতার কথা ছিল মৌসুমী-তায়েব প্যানেলের। কিন্তু মনোয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ পর্যায়ে এসে একা হয়ে যান জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী। প্যানেলের সবাই সরে দাঁড়ালেও একাই লড়াইয়ের ঘোষণা দেন মৌসুমী।

ছিল নির্বাচন নিয়ে শঙ্কাও। শঙ্কা কাটিয়ে উৎসবের মধ্যে শেষ হয় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০১৯-২১ মেয়াদের নির্বাচনে ভোটগ্রহণ। নির্বাচনের দিন ফলাফল প্রকাশের আগেই অনেক ভক্ত তাকে বিজয়ী ঘোষণা দিয়েছে শুভেচ্ছা দেন। মৌসুমীকে দেয়া বিভিন্ন শুভেচ্ছা বার্তায় স্যোসাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। সবাই অপেক্ষা করেন চলচ্চিত্র সমিতির নতুন ইতিহাস দেখার। কিন্তু তা গুজবেই থেকে যায়।

মৌসুমীকে বিশাল ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে টানা দ্বিতীয়বারের মতো সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মিশা সওদাগর ও জায়েদ খান নির্বাচিত হয়েছেন।

অনেক আশা জাগিয়েও ইতিহাস করতে পারলেন না প্রিয়দর্শিনী মৌসুমী। চূড়ান্ত ফলাফলে দেখা যায় ২২৭ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হন মিশা সওদাগর। মৌসুমী পেয়েছেন ১২৫ ভোট। অর্থাৎ ১০২ ভোট বেশি পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন মিশা সওদাগর।

এদিকে নির্বাচনের দুদিন পরেও আলোচনা হচ্ছে কিভাবে এতো জনপ্রিয়তা নিয়ে হেরে গেলেন মৌসুমী, তাও এমন বিশাল ব্যবধানে। আবার যেখানে দুর্নীতির কোনো আলামতও মেলেনি।

এদিকে আলোচনায় বারাবার ঘুরেফিরে আসছে শিল্পী সমিতির ভোটার তালিকা হালনাগাদ করার কৌশল। অনেকে এটাকে অপরাজনীতি বলেও অভিহিত করছেন। তবে রাজনীতির মাঠে ভোটার জোগাতে এমন পলিটিক্সকে স্বাভাবিক বলে মানছেন স্বয়ং মৌসুমীও।

এবারের নির্বাচনে শিল্পী সমিতির ভোটার তালিকায় দেখা যায় ব্যাপক পরিবর্তন। পুরনো ১৮১ জন সদস্যকে অযোগ্য ঘোষণা করে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়। ভোটার তালিকায় ঢোকানো হয় মিশা-জায়েদ প্যানেলের পক্ষে থাকা একঝাঁক ভোটার। যেখানে নবাগত নায়ক-নায়িকাদের পাশাপাশি আছেন ফাইটারদের সমিতি ও নৃত্যশিল্পীদের সমিতির সদস্যরা। তারা এক জোট হয়ে মিশা-জায়েদ প্যানেলকে একচেটিয়া ভোট দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

এদিকে মৌসুমীর এই পরাজয়ের মূলকারণ হিসেবে এটিকেই দেখছে ওমর সানি। তিনি বলেন, ‘ফাইটের যে গ্রুপটা রয়েছে তাদের কাছ থেকে আমরা ভোট পাইনি। এরা নির্বাচনের সময় সবাই মিলে এক হয়ে যায়। এদের কীভাবে তারা ম্যানেজ করেছে সেটা আমি বলতে চাই না। নির্বাচনের আগে তারা একটা ভোটব্যাংক বানিয়ে নিয়েছে। হেরে যাওয়ার এটা অন্যতম কারণ।’

তবে হেরে গেলেও বিজয়ীদের জন্য শুভকামনা রাখছেন ওমর সানি। মৌসুমীকেও তিনি সাধুবাদ জানিয়েছেন প্রতিবন্ধকতার মুখেও লড়াই করার জন্য।

Print Friendly, PDF & Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *