| ২৬শে জানুয়ারি, ২০২০ ইং | ১২ই মাঘ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ৩০শে জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরী | রবিবার সাগর-রুনি হত্যা মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন ৪ মার্চ – Bartaman Kanho

Bartaman Kanho

বর্তমানকণ্ঠ ডটকম

সাগর-রুনি হত্যা মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন ৪ মার্চ

সাংবাদিক সম্পতি সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্তের সবশেষ অবস্থা জানিয়ে ও আসামিদের সম্পৃক্ততা নিয়ে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে আগামী বছরের ৪ মার্চ পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আলোচিত এই হত্যা মামলার সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেফতারের পর জামিনে থাকা তানভীর রহমানের করা আবেদনের শুনানি নিয়ে আদাল আজ এ আদেশ দেন।

সেইসঙ্গে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল না হওয়া পর্যন্ত তানভীর রহমানকে নিম্ন আদালতে এ মামলায় হাজিরা দেয়া থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন হাইকোর্ট। তিনি এখন তার আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে হাজিরা দিতে পারবেন।

একইসঙ্গে প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর ৪ মার্চ পরবর্তী আলোচিত এ মামলার আদেশের জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে।

এদিন আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সারওয়ার হোসেন আর তানভীরের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী ফাওজিয়া করিম ফিরোজ।

এর আগে গত সোমবার (১১ নভেম্বর) বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ মামলার তদন্ত নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘দীর্ঘ ৭ বছরেও মামলার তদন্ত শেষ হয়নি। বেশি সময় ধরে কিছুই হয়নি। তদন্ত কবে শেষ হবে? অনন্তকাল ধরে কি এই তদন্ত কাজ চলবে?’

প্রসঙ্গত, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মাছরাঙা টেলিভিশনের তৎকালীন বার্তা সম্পাদক গোলাম মোস্তফা সারোয়ার ওরফে সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন নাহার রুনা ওরফে মেহেরুন রুনি দম্পতি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের বাসায় খুন হন। পরদিন ভোরে তাদের ক্ষত-বিক্ষত লাশ উদ্ধার করা হয়। এঘটনায় রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলায় রুনির কথিত বন্ধু তানভীর রহমানসহ মোট আসামি ৮ জন। মামলার অপর আসামিরা হলেন, বাড়ির সিকিউরিটি গার্ড এনাম আহমেদ ওরফে হুমায়ুন কবির, রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মিন্টু ওরফে বারগিরা মিন্টু ওরফে মাসুম মিন্টু, কামরুল হাসান অরুন, পলাশ রুদ্র পাল, তানভীর ও আবু সাঈদ।

প্রথমে এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ছিলেন ওই থানার এক উপপরিদর্শক (এসআই)। ৪ দিন পর চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলার তদন্তভার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওপর ন্যস্ত করা হয়। কিন্তু দুই মাসের বেশি সময় তদন্ত করে ডিবি রহস্য উদঘাটনে ব্যর্থ হয়। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে একই বছরের ১৮ এপ্রিল হত্যা মামলাটির তদন্তভার র‌্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

Print Friendly, PDF & Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *