জেনে নিন আমাশয় হলে ঘরোয়া চিকিৎসা

নিউজ ডেস্ক,বর্তমানকণ্ঠ ডটকম: চলছে ঈদুল আজহা। চারদিকে শুধু নানা রকমের খাবার। তার উপর রয়েছে অতিরিক্ত গরুর গোস্ত খাওয়ার সুযোগ। আর এই অতিরিক্ত খাবার গ্রহনে হতে পারে আমাশয় বা লুজ মোশন।

আর এই বৃষ্টির দিনে এর প্রকোপ ত সব থেকে বেশি হয়। উদরাময় ও তার সঙ্গে পেটের ব্যথা সহ অল্প অল্প মল, রক্ত, আম বা আম রক্ত ও পুঁজ বার বার বের হতে থাকলেই তাকে আমাশয় বলা হয়।

আমাশয় হচ্ছে একটি ইন্টেসটেনাইল প্রদাহ যা আমাদের কোলনে হয়ে থাকে। আমাশয় আক্রান্ত রোগী মারাত্মক ডাইরিয়ায় ভুগতে পারে সাথে মিউকাস ও রক্ত থাকতে পারে।

দেখে নেয়া যাক প্রাথমিক চিকিৎসার মাধ্যমে ঘরোয়া ভাবে এই রোগ থেকে নিরাময়ের উপায় :

১) দই :  আমাদের ডাইজেস্টিভ সিস্টেমে এমন কিছু ব্যাকটেরিয়া আছে যা আমাদের খাবার হজম করতে সাহায্য করে । দই এও ঠিক সেই প্রোবায়োটিক ব্যাকটেরিয়া দেখা যায়।

দই খাবার ফলে শরীরে ভালো ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি পায়। এবং সেই ভালো ব্যাকটেরিয়া ডায়রিয়ার জীবাণু নাশ করতে সাহায্য করে। তাই লুজ মোশন হলে দিনে অন্তত দুই থেকে তিন ছোট বাটি দই খেতে পারেন।

২) কলা : কাঁচা কলা হোক বা পাকা কলা লুজ মোশন ঠিক করার জন্য দুটোই উপকারী। এছাড়াও এতে উপস্থিত পটাশিয়াম শরীর থেকে হারিয়ে যাওয়া ইলেক্ট্রোলাইট ফিরিয়ে দিতে সাহায্য করে। কাঁচা কলা সেদ্ধ খেতে পারেন বা  দু-তিন ঘন্টা অন্তর পাকা কলা খেতে পারেন।

৩) আদা : আয়ুর্বেদ অনুযায়ী আদা পেট খারাপ খুব সজজেই ঠিক করতে পারে।
খানিকটা আধা ছেঁচে নিয়ে এক কাপ জলে ফুটিয়ে নিন। এই মিশ্রণ ঠান্ডা করে সারাদিনে অল্প পরিমাণে পান করুন।

৪) হলুদ : পেট খারাপ কমানোর জন্য হলুদ খুবই কার্যকরী। এতে অ্যান্টি ব্যায়োটিক প্রপার্টি আছে যা অন্য খারাপ ব্যাকটেরিয়াকে মেরে ফেলতে সাহায্য করে। পেট খারাপ না থাকলেও রোজ খালি পেটে অল্প কাঁচা হলুদ শরীরের জন্য ভালো।

2017-08-08-05-11-19নিউজ ডেস্ক,বর্তমানকণ্ঠ ডটকম: শরীরের ওজন কমাতে কতজন কতকিছুই না করে থাকেন। শরীরের বাড়তি মেদ কমাতে কেউ কেউ খাওয়া-দাওয়াই কমিয়ে দিয়েছেন।মেনে চলছেন অনেক বিধি-নিষেধ। তারপরও কমছে না ওজন। তবে প্রতিদিনের খাবার সম্পর্কে একটু সচেতন থাকলেই শরীরে বাড়তি মেদ জমবে না। দ্রুত শরীরের ওজন কমাতে ফলের বিকল্প নেই। নিচে ওজন কমাতে সহায়ক...
     
 
FacebookTwitterDiggStumbleuponRedditLinkedinPinterest
Pin It
এই পাতার আরো খবর -