মঠবাড়িয়া হাসপাতালের এক্স-রে মেশিন এক বছর ধরে বিকল

এস.এম. আকাশ,বর্তমানকন্ঠ ডটকম :  মঠবাড়িয়ার ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক্সরে মেশিনটি যান্ত্রিক ক্রটির কারণে গত এক বছর ধরে  বিকল হয়ে পড়ে আছে। এক্সেরে মেশিনটি দুই বছরের ওয়ারেন্টি থাকা সত্ত্বেও  সংশি¬ষ্ট সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে স্থানীয় হাসপাতাল কতৃপক্ষ বার বার লিখিতভাবে অবহিত করেও এটি সচল করা যায়নি। ফলে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা এক্সেরের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
জানাযায়, মঠবাড়িয়া স্বাস্থ্য কমপে¬ক্সটি উপজেলার ৫ লাখ জনসংখ্যা অধ্যুষিত একটি পৌরসভা ও ১১ইউনিয়নসহ পার্শ্ববর্তী বামনা, পাথরঘাটা উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে প্রতিদিন হাসপাতালে স্বাস্থ্য সেবা নিতে আসা শতাধীক রোগী এক্সেরে মেশিনটি নষ্ট থাকায় টিবি, ভাঙ্গচুড়াসহ জটিল রোগ নির্ণয় ছাড়াই বাড়ি ফিরে যায়। আবার অনেক রোগী কয়েক গুন বেশী টাকা দিয়ে ক্লিনিকে এক্সরে করে চিকিৎসা নিতে বাধ্য হচ্ছে।
হাসপাতালের এক্সরে বিভাগের দায়িত্বে থাকা মেডিকেল টেকনলজিষ্ট রতন হালদার জানান, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান স্টেয়ালিং মাল্টি টেকনোলজি কোঃ লিঃ ১০লাখ ৭০হাজার টাকার মূল্যের ৩০০ এমএ এক্সরে মেশিনটি বিগত ৫ অক্টেবর-২০১৪ অত্র হাসপাতালে সরবরাহ করেন। সরবরাহের দু মাসের মাথায় ওই বছরের ২১ ডিসেম্বর-২০১৪ দুই বছরের ওয়ারেন্টি থাকা এ মেশিনটি যান্ত্রিক সমস্যা দেখা দিয়ে বিকল হয়ে পড়ে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বহু লেখালেখির পর সরবরাহকারী ওই প্রতিষ্ঠান গত ২৬ মে-২০১৫ মেশিনের মাদার বোর্ডসহ মূল্যবান যন্ত্রাশং খুলে নিয়া যায়। এরপর তারা আর যোগাযোগ করেনি। তাদের সাথে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে শিঘ্রই মেশিনটি চালুর আশ্বাস দেয়।
হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা উপজেলার বুড়িরচর গ্রামের নার্গিস আক্তার (৩৫) জানান, বাড়ির পুকুরের ঘাটলায় পড়ে গিয়ে বাম হাতের হাড় ভেঙ্গে গেলে হাসপাতালের চেয়ে চার গুন টাকা বেশি দিয়ে ক্লিনিকে ২৮০ টাকায় এক্সে করতে হয়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ  কর্মকর্তা ডাঃ মাসুমুল হক খান এক্সরে নষ্ট থাকায় রোগীর ভোগান্তীর কথা স্বীকার করে বলেন, এ বিষয়ে স্বাস্থ্য সেবা কমিটির সভায় স্থানীয় সংসদ সদস্য ডাঃ রুস্তুম ফরাজীর উপস্তিতিতে আলোচনা হয়েছে। কিন্তু রহস্য জনিত কারণে কতৃপক্ষকে এক্সরে মেশিনটি  চালু করতে বিলম্ব করছে।

2017-08-08-05-11-19নিউজ ডেস্ক,বর্তমানকণ্ঠ ডটকম: শরীরের ওজন কমাতে কতজন কতকিছুই না করে থাকেন। শরীরের বাড়তি মেদ কমাতে কেউ কেউ খাওয়া-দাওয়াই কমিয়ে দিয়েছেন।মেনে চলছেন অনেক বিধি-নিষেধ। তারপরও কমছে না ওজন। তবে প্রতিদিনের খাবার সম্পর্কে একটু সচেতন থাকলেই শরীরে বাড়তি মেদ জমবে না। দ্রুত শরীরের ওজন কমাতে ফলের বিকল্প নেই। নিচে ওজন কমাতে সহায়ক...
     
 
FacebookTwitterDiggStumbleuponRedditLinkedinPinterest
Pin It
এই পাতার আরো খবর -