বেনাপোলে ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে ৭ দিনে হাসপাতালে ৮শ রোগী!

এম এ রহিম,বর্তমানকন্ঠ ডটকম : টানা এক সপ্তাহের ঘন কুয়াশা ও প্রচন্ড ঠান্ডার কারনে যশোরের শার্শা বেনাপোলে গত ৭দিনের ব্যাবধানে বমি ডাইরিয়া এ্যাজমা হাপানী, কাশি ও শ্বাসকষ্টে ৮শতাধিক শিশু ও বৃদ্ধ আক্রান্ত হয়েছে। বাড়ছে রোগের প্রকোপ। সরকারি হাসপাতাল গুলোতে চিকিৎসা সমস্যার কারনে বেরসরকারি ক্লিনিক গুলোতে বাড়ছে রোগী। বেনাপোল নাভারন ও বাগআচড়ায় প্রাইভেট ক্লিনিকে শিশু ও বৃদ্ধরা শীত জনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। শিশু ও বৃদ্ধদের গরম কাপড় পরিধান গ্যাস দেওয়া ও শুকনা স্থানে রাখাও স্যালাইন এবং বঙ্কডাইলেটর খাওয়ানোর পরামর্শ দিচ্ছেন ডাক্তাররা-
শার্শা বুরুজবাগান হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা- শার্শার মরিয়ম ও সুফিয়া বেগম ও নার্গিস আক্তার বলেন-৭দিন ধরে শিশুর ডাইরিয়া ও বমি নিয়ে ভর্তি আছেন হাসপাতালে শিশুদের কোন উন্নতি হচ্ছেনা-দুঃশ্চিন্তায় তারা-ডাক্তাররা লিখছেন ঔষথ ও স্যালাইন বাহিরে থেকে এনে করা হচ্ছে চিকিৎসা। হাসপাতালে কোন ঔষধ নেই বলে জানান নার্স ও ডাক্তাররা।   
যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোল বাগআচড়া নাভারন সহ ১৮২টি গ্রামের প্রায় ৭লাখ মানুষের চিকিৎসা সেবার জন্য  নাভারন বুরুজ বাগানে রয়েছে একটি মাত্র সরকারি হাসপাতাল। হাসপাতালটিতে ওষধ ও চিকিৎসক স্বল্পতা দীর্ঘদিনের। ইউনিয়ন পর্যায়ের কমিউনিটি ্িক্লনিকও হাসপাতালগুলো থেকে সেবা বঞ্চিতরা বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসা নিচ্ছেন বেশী-বাগআচড়ার রুবা ক্লিনিক,জোহরা মেডিকেল সেন্টার,বাগআচড়া নার্সিংহোম-মদিনা ক্লিনিক,নাভারন ক্লিনিক ও পল্লীক্লিনিকে চিকিৎসা নিচ্ছেন ২শতাধিক শিশু ও বৃদ্ধ। অনেক রোগীর সজনরা তাদের সন্তানদের চিকিৎসা করাতে হিমশিম খাচ্ছেন।  
নাভারন হাসপাতালের ডাক্তার-মোস্তফা আল রাসেল বলেন-ঠান্ডা জনিত কারনে শিশু বৃদ্ধরা আক্রান্ত হচ্ছে বেশী। গত ৭দিনে ডাইরিয়া বমি ও শ্বাষকষ্ট নিয়ে ২৬ বৃদ্ধ ৬০জন শিশু ভর্তি হয়েছে হাসপাতালে। চিকিৎসা দিচ্ছেন তারা। কোন রোগীর অবস্থা খারাপ হলে তাদেরকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।
নাভারন ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের পরিচালক-মিন্টু হোসেন বলেন-ঠান্ডায় আক্রান্ত বাড়ছে গত এক সপ্তাহে তিন শতাধিক শিশু ও বৃদ্ধ ভর্তি হয়েছে তার ক্লিনিকে।  বাগআচড়া ও বেনাপোল ক্লিনিকে রয়েছে দুশতাধিক শিশু ও বৃদ্ধ।
শার্শা নিজামপুরের আসিয়া খাতুন বলেন,শীত ও ঠান্ডায় বমি ও ডাইরিয়া শুরু হয় তার শিশুর। ঘাড় ও মাথা বেকে যাচেছ তার। এজন্য শিশুটিকে ভর্তি করেছি হাসপাকতালে অবস্থার তেমন উন্নতি হচ্ছেনা।
শিশু জান্নাতুন নেছার মা সুমাইয়া ও বৃদ্ধ মান্দার আলীর স্ত্রী মুসলিম্ াবেগম বলেন,সজনকে নিয়ে নাভারন হাসপাতালে চিকিৎসা জন্য ভর্তি করেও কোন ফল হয়নি । এজন্য ভর্তি করেছি ক্লিনিকে। বেনাপোলের জয়নব বিবি ও ফরিদা বেগম বলেন, ৪দিন ভর্তি আছি কোন উন্নতি নেই। কমছেনা বমি ও ডাইরিয়া বাড়ছে শ্বাষকষ্ট।
ডাঃ মোঃ মনির হোসেন-এমবিবিএস ও বিসিএস স্বাস্থ্য-(কনসালটেন্ট শিশু) বিশেষজ্ঞ-তিনি বলেন-ঠান্ড জনিত রোগে শিশু বৃদ্ধরা আক্রান্ত হচ্ছে বেশী-চিকিৎসা সহ বিভিন্ন পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে তাদের। তবে ঠান্ডা কমলে রোগের প্রকোপ কমবে বলে জানান তিনি।

2017-08-08-05-11-19নিউজ ডেস্ক,বর্তমানকণ্ঠ ডটকম: শরীরের ওজন কমাতে কতজন কতকিছুই না করে থাকেন। শরীরের বাড়তি মেদ কমাতে কেউ কেউ খাওয়া-দাওয়াই কমিয়ে দিয়েছেন।মেনে চলছেন অনেক বিধি-নিষেধ। তারপরও কমছে না ওজন। তবে প্রতিদিনের খাবার সম্পর্কে একটু সচেতন থাকলেই শরীরে বাড়তি মেদ জমবে না। দ্রুত শরীরের ওজন কমাতে ফলের বিকল্প নেই। নিচে ওজন কমাতে সহায়ক...
     
 
FacebookTwitterDiggStumbleuponRedditLinkedinPinterest
Pin It
এই পাতার আরো খবর -