ঢামেক হাসপাতালের নবজাতক আইসিইউ ওয়ার্ডে তালা

নিজস্ব প্রতিবেদক,বর্তমানকন্ঠ ডটকম : ঢামেক হাসপাতালের নবজাতক আইসিইউ ওয়ার্ডে তালা ঢামেক হাসপাতালের এনআইসিইউ ও নবজাতক ওয়ার্ডে তালা

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নিওনেটোলজি বিভাগের ৩৫ শয্যার নিওনেটাল ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (এনআইসিইউ) ও নবজাতক ওয়ার্ডটি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় প্রবেশপথের কলাপসিবল গেটে তালা ঝুলিয়ে দেয়া হয়। কম খরচে আইসিইউতে রেখে সর্বোচ্চ সুচিকিৎসার ওয়ার্ডটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নবজাতক শিশু বিশেষ করে দরিদ্র ঘরের নবজাতক শিশুদের জীবন হুমকির কবলে পড়েছে।

নবজাতক বিশেষজ্ঞদের মতে মুমূর্ষু নবজাতক শিশুর প্রাণ বাঁচাতে এনআইসিইউতে রেখে চিকিৎসা অত্যাবশ্যক। বিশেষ করে যে সকল নবজাতক শিশু কম ওজন নিয়ে জন্মগ্রহণ করে তাদের নির্দিষ্ট তাপমাত্রার নিচে রেখে, ভেন্টিলেটর মেশিনে রেখে কৃত্রিম শ্বাসপ্রশ্বাস দিয়ে, দক্ষ চিকিৎসক ও নার্সের তত্ত্বাবধানে রেখে নির্দিষ্ট সময় পর পর জীবনরক্ষাকারী ওষুধ খাওয়াতে হয়।

নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েকদিনে চিকিৎসকরা বেশ কয়েকজন নবজাতক শিশুকে আপাতত অন্য হাসপাতালে রেখে চিকিৎসার পরামর্শ দিয়ে রিলিজ করে দেন। আগামী শনিবারের আগে আইসিইউ’র গেটের তালা আর খুলছে না বলে সূত্র জানায়।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে নিওনেটোলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. আবিদ হোসেন মোল্লা এনআইসিইউ সাময়িক সময়ের জন্য বন্ধের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, হাসপাতালের প্রটোকল অনুসারে প্রতি বছর আইসিইউসহ বিভিন্ন স্পর্শকাতর ওয়ার্ডকে সংক্রমণমুক্ত করে পুনরায় চালু করতে হয়। এ ধরনের ওয়ার্ডে জীবানু থাকলে সহজে রোগী ভালো হতে চায় না। উচ্চমাত্রার অ্যান্টিবায়োটিক ও বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন হয়। এ কারণে রুটিন কাজের অংশ হিসেবেই ওয়ার্ডটি কয়েকদিনের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে।

ঢামেক হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. খাজা আবদুল গফুর জানান, ফরমালিনসহ বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করে ওয়ার্ডটিকে সংক্রমণমুক্ত করতে সাময়িক সময়ের জন্য এটি বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে হঠাৎ করে এটি বন্ধ হয়নি। গত আট-দশ দিনের আগাম নোটিশ ও প্রস্তুতি নিয়ে এটি বন্ধ করা হয়েছে।

আবিদ হোসেন মোল্লা জানান, ওয়ার্ড বন্ধ হলেও নবজাতক সব শিশুকে রিলিজ করে দেয়া হয়নি। হাসপাতালের ২০৮ নম্বর ওয়ার্ড যেখান থেকে নবজাতক শিশু ওয়ার্ড যাত্রা শুরু করেছিল সেখানে দশ-বারজন নবজাতক শিশুকে ওই ওয়ার্ডে ও কিছু নবজাতককে কেবিনে মায়ের কাছে স্থানান্তর করে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। দুই তিনদিনে তেমন বড় ধরনের কোনো ক্ষতি হবে না বলে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ঢামেক হাসপাতালের নবজাতক আইসিইউ ও নবজাতক ওয়ার্ডটি দেশবাসী সকলের কাছে অতি পরিচিত ও নির্ভরযোগ্য হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। এ ওয়ার্ড থেকে মাগুরার গুলিবিদ্ধ শিশু ও কুকুরে কামড়ানো এক শিশু নতুন জীবন ফিরে পেয়েছে।

2017-08-08-05-11-19নিউজ ডেস্ক,বর্তমানকণ্ঠ ডটকম: শরীরের ওজন কমাতে কতজন কতকিছুই না করে থাকেন। শরীরের বাড়তি মেদ কমাতে কেউ কেউ খাওয়া-দাওয়াই কমিয়ে দিয়েছেন।মেনে চলছেন অনেক বিধি-নিষেধ। তারপরও কমছে না ওজন। তবে প্রতিদিনের খাবার সম্পর্কে একটু সচেতন থাকলেই শরীরে বাড়তি মেদ জমবে না। দ্রুত শরীরের ওজন কমাতে ফলের বিকল্প নেই। নিচে ওজন কমাতে সহায়ক...
     
 
FacebookTwitterDiggStumbleuponRedditLinkedinPinterest
Pin It
এই পাতার আরো খবর -