ভোলাহাটের ৫ বছরের শিশু মাসব্যাপী কারাগারে বন্ধি

গোলাম কবির,বর্তমানকন্ঠ ডটকম  : যে ৫বছরের ফুট ফুটে বাচ্চা শিশু শিক্ষার্থী মায়ের কোলে উঠে  হেসে খেলে স্কুলে যাওয়ার কথা মাঠে খেলার কথা সে বাচ্চা শিশুটি মাসব্যাপী হাতকড়া ফেরত দিতে চাওয়া বাবা কামালউদ্দিন মা কারিমা বেগমসহ  শিশু  সীমা ভোলাহাট থানা পুলিশের মিথ্যা অভিযোগের শিকার হয়ে ঠাঁয় হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কারাগারে। শিশু শিক্ষার্থী সীমা এ বছরের জানুয়ারী মাসের প্রথম থেকে স্থানীয এক ব্র্যাক স্কুলে মায়ের কোলে উঠে  যাওয়া শুরু করেছিলো। হঠাৎ পুলিশি নির্যাতনের শিকার হয়ে শিক্ষা জীবনের প্রথম ধাপে হঁচট খেয়ে মাসব্যাপী রয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কারাগারে বন্ধি। শিক্ষা জীবনের প্রথম ধাপে কারাগারের চার দেয়ালে আঁটকে থেকে মানুষিক আঘাতে সীমার মানুষিক অবস্থা চরম ভাবে ভেঙ্গে পড়বে মত মানুষিক বিশেষজ্ঞদের। বন্ধ খাঁজার মধ্যে  শিশু শিক্ষার্থীর এত বড় সর্বনাশ এখন চরম ভাবে স্থানীয় কিছু পুলিশ প্রশ্নবিদ্ধ্ ।

গত ২৬ নভেম্বর স্থানীয় কিছু অসাধু পুলিশ সদস্য এএসআই শাহাদত ও পুলিশ পিকাপ ড্রাইভার সোলাইমান দুপুর ১টার দিকে পানি পানের নাম করে উপজেলার পাঁচটিকরি গ্রামের সেতাবউদ্দিনের ছেলে কামল উদ্দেনের বাড়ীর ভিতর ঢুকে স্ত্রী ও শিশু মেয়ের ৪৫ হাজার টাকা মূল্যের স্বর্ণের গযনা ও নগদ সাড়ে ৮ হাজার টাকা লুট করে কামাল উদ্দিনের হাতে হাতকড়া পরিয়ে দাবী করে আরো অতিরিক্ত ২০ হাজার টাকা। কামাল জবাবে এ পুলিশ সদস্যকে তার বিরুদ্ধে থানায় ও আদালতে কোন মামলা নাই কেন টাকা দিবে বলে র্তকে গেলে পুলিশ সদস্য মাদক ও অস্ত্র মামলায় দেয়ার হুমকি দিলে হাতকড়া নিয়ে কামাল পালিযে যায়্ । পর দিন বিষয়টি স্থানীয সাংবাদিকেরা অফিসার ইনর্চাজ মহসীন আলীকে হাতকড়া হারিয়ে যাওয়ার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি ঘটনার সত্যা স্বীকার করেন। পুলিশি অন্যায় আচরণের প্রতিকার চেয়ে কামাল উদ্দিনের স্ত্রী কারিমা বেগম ২৮ নভেম্বর প্রধান মন্ত্রীসহ বিভিন্ন দপ্তরে পোষ্ট অফিস মাধ্যম রেজিষ্ট্রি ডাকযোগে পুলিশি অত্যাচারের প্রতিকার চেয়ে অভিযোগপত্র প্রেরণ করেন। পরে কামাল উদ্দিন সরকারী হাতকড়া সংশ্লিষ্ট দপ্তরের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেয়ার জন্য চেষ্টা করেও কোন লাভ না হওয়ায় সংবাদ মাধ্যমের সহায়তায় হাতকড়া ফেরতের উদ্যোগ নিলে টেলিভিশন ও বিভিন্ন জাতীয় আঞ্চলিক দৈনিক পত্রিকায় সংবাদ প্রচার হয়। হাতকড়া ফেরত দিতে চাওয়া সংবাদ প্রচার কাল হয়ে দাঁড়ায় কামালের। সংবাদ প্রকাশের জের ধরে বিপুল পরিমাণ পুলিশ জানুয়ারীর ১৩ তারিখ গভীর রাতে ৩ ঘন্টাব্যাপী বিপুল সংখ্যক পুলিশ তার বাড়ীতে তান্ডব চালিয়ে এ রাতেই কামালের বাড়ী ভাংচুর চালিয়ে ধরে নিয়ে যায় কামালউদ্দিন তার স্ত্রী কারিমা বেগম ও শিশু শিক্ষার্থী ৫ বছরের মেয়ে সীমাকে। পরে পুলিশি হেফাজতে নিয়ে কামালের উপর চালায় আমানবিক শারীরিক নির্যাতন এবং আগে ওসি মহসীন আলী মামলা না থাকার কথা স্বীকার করলেও পুলিশ তাদের গ্রেফতারের পর ৫টি মিথ্যা মামলার গল্প সাজায়। ১৩ জানুয়ারী গভীর রাতে তাদের গ্রেফতার করে পর দিন সকাল ১০টার দিকে তাদের নিয়ে যায় পুলিশের জেলা কার্যালয়ে। সেখানেও চালানো হয় তাদের উপর শারীরিক নির্যাতন । পরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থানা সদরের আটকে রেখে অফিসার ইনচার্জ মহসীন আলী ও পুলিশ পরিদর্শক মোজাহারুল ইসলাম বাদি হয়ে সকাল সাড়ে ১১টা ও বিকেল ৩টা ১০মিনিটে হ্যান্ডকাপ ও ফেনসিডিলের গল্প সাজিয়ে মিথ্যা মামলাসহ আরো ৩টি মামলা দেখায় পুলিশ। মামলা সাজালেও ৩টা ১০ মিনিটের মামলা নম্বর ৭ ও সাড়ে ১১টার মামলা নম্বর ৮ দিয়ে তালিকাভূক্ত করেন। এ ছাড়া অফুরন্ত মিথ্যা দিয়ে মামলার গল্প সাজিয়েছেন। পুলিশ তাদের আইন পরিপন্থি ভাবে আটকের ৩৫ ঘন্টা পর জেল হাজতে প্রেরণ করেন। পরে পুলিশ কামালকে রিমান্ডের জন্য বিজ্ঞ আদালতে আবেদন করলে দুদিনব্যাপী দীর্ঘ শুনানী শেষে রিমান্ড আবেদন না মন্জুর করে এ মামলায় জামিন মুন্জুর করেন আদালত। কেঁদে কেঁদে কামালের বাবা সেতাব উদ্দিন ও মা এবং  তার স্ত্রী কারিমা ও ছোট্ট শিশুটির স্বজনেরা অভিযোগ করেন। আরো অভিযোগ করে বলেন, এ দিকে পুলিশি বর্বর নির্যাতনের শিকার কামাল উদ্দিন তার বাবা সেতাব উদ্দিন কারাগারে দেখতে গেলে তাকে জানিয়েছেন তার শারীরিক অবস্থা চরম খারাপ দ্রুত উন্নত চিকিৎসা করা প্রয়োজন। এ দিকে শিশু বাচ্চাটি কারাগারের চার দেয়ালে বন্ধি থেকে জীবনের মূল্যবান সময় নষ্ট হওয়ায় ও মানুষিক ভাবে চরম ভেঙ্গে পড়ায় ভুক্তভূগি স্বজনেরা দ্রুত জড়িত পুলিশের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে পুলিশ বিভাগের সুনাম ধরে রাখার দাবী করেছেন সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কাছে।

2017-05-27-12-26-09নিউজ ডেস্ক,বর্তমানকণ্ঠ ডটকম: ঢাকা থেকে সিলেটগামী বিজি ১৬০৫ ফ্লাইটে ১১৫ জন যাত্রীর মধ্যে ৩০ জনই শিশু-কিশোর। এরা কেউ উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তান নয়। অনাথ, সুবিধা বঞ্চিত। সমাজ সেবা অধিদফতে পরিচালিত শিশু পরিবারের (নিবাস) এই সদস্য। তবু এরাই ছিল ফ্লাইটের বিশেষ যাত্রী। শনিবার (২৬ মে) সকাল সাড়ে সাতটায় এরা যখন উড়োজাহাজে ওঠে,...
2017-05-27-12-26-09নিউজ ডেস্ক,বর্তমানকণ্ঠ ডটকম: ঢাকা থেকে সিলেটগামী বিজি ১৬০৫ ফ্লাইটে ১১৫ জন যাত্রীর মধ্যে ৩০ জনই শিশু-কিশোর। এরা কেউ উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তান নয়। অনাথ, সুবিধা বঞ্চিত। সমাজ সেবা অধিদফতে পরিচালিত শিশু পরিবারের (নিবাস) এই সদস্য। তবু এরাই ছিল ফ্লাইটের বিশেষ যাত্রী। শনিবার (২৬ মে) সকাল সাড়ে সাতটায় এরা যখন উড়োজাহাজে ওঠে,...
     
 
FacebookTwitterDiggStumbleuponRedditLinkedinPinterest
Pin It
এই পাতার আরো খবর -