বিশ্ব নারী দিবস: নিজের অধিকার সম্পর্কে জানেনা বেশিরভাগ নারী

নিজস্ব প্রতিবেদক,বর্তমানকন্ঠ ডটকম : আলেয়া বেগম কাজ করেন ‘পিয়াল গার্মেন্টস কোম্পানি লিমিটেড’-এ। জীবিকার তাগিদে ৭ মাস আগে রংপুর থেকে স্বামী মনসুরের সাথে ঢাকায় এসেছিলেন। স্বামী-স্ত্রীর যৌথ আয়েই তাদের সংসার চলে। দিনের ১০ থেকে ১৫ ঘণ্টা শ্রম দেন কারখানায়। বিনিময়ে যে বেতন পান তা অতি সামান্য, তার পরও তা অনিয়মিত। কারখানার সুষ্ঠু পরিবেশ না থাকলেও বাঁচার তাগিদেই কাজ করেন তিনি।

যা আয় হয় তা থেকে কোন সঞ্চয় নেই তার। অসুস্থ হলে চিকিৎসা পর্যন্ত করাতে হয় ধার দেনা করে। বিশ্ব নারী দিবস নিয়ে কথা হচ্ছিল তার সাথে।

দুই চোখে আশ্চর্য নিয়ে বললেন, নারীদেরকে নিয়েও কি দিবস আছে? এর কি কোন সুবিধা আছে? এ দিন ছুটি পাওয়া যাবে তো?

দীর্ঘ আলাপের পর জানা গেল, যেখানে তিনি কাজ করেন, সেখান নারীদের কাজের সুষ্ঠু পরিবেশ নেই। কাজের কোন নির্দিষ্ট সময়ও নেই। সর্বনিম্ন কাজ করতে হয় ১০ ঘণ্টা। নারী শ্রমিকদের জন্য আলাদা বিশ্রামেরও ব্যবস্থা নেই। অথচ এই নারীদের জন্যই কারখানা বেঁচে আছে।

আক্ষেপ করে তিনি বলেন, বেতন খুব বেশি ভাল না হওয়ায় ওভারটাইম করতে হয়। তা না হলে, না খেয়ে থাকতে হয়।

এমন আক্ষেপ বেশিরভাগ নারী শ্রমিকদেরই। বস্তুত তারা জানেনই না তাদের অধিকারের কথা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এপোরাল গার্মেন্টসের একাধিক নারী শ্রমিক বলেন, নারীরা কাজ করছে বলে দেশ এগিয়ে যাচ্ছ। অথচ সেই নারীরাই আজ নির্যাতনের শিকার।

রায়ের বাজার বুদ্ধিজীবী কবরস্থানের পাশে নারী নির্মাণ শ্রমিক রহিমা বেগমের সাথে বিশ্ব নারী দিবস প্রসঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, নারীদের অধিকার কোথায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সব সময়ের মত নারীরা নির্যাতিত। কোথাও কোন বিচার নাই।

নিজের জীবনের গল্প বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ভালবেসে বিয়ে করেছিলাম। বিয়ের ২ বছর পর স্বামী আরেকটি বিয়ে করেন। এরপর শুরু হয় মনোমালিন্য। বিয়ের ৫ বছরের মাথায় দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম হয়। এরপর থেকে তাদের খোঁজ খবর রাখেন না তার স্বামী। সন্তানদের বড় করতেই এখন কাজ করছেন তিনি।

স্বামীর বিরুদ্ধে কোন আইনি ব্যবস্থা নিয়েছিলেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, কি আর ব্যবস্থা নিব! তখন তো আমার কাছে কেউ ছিলনা। যতটুকু পেরেছি করার চেষ্টা করেছি। এতে বিচার পাওয়া থেকে হতাশাই বেশি পেয়েছি।

এ বিষয়ে প্রগতিশীল গার্মেন্ট শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি রাজিয়া বেগম বলেন, আমরা নারীদেরকে তাদের অধিকার সম্পর্কে ধারণা দিচ্ছি। তারা যেন তাদের কর্মক্ষেত্রে স্বাধীন ভাবে চলতে পারে সেই উদ্দেশ্য নিয়েই আমরা কাজ করে যাচ্ছি। পাশাপাশি বেতন বৈষম্যের দূর করার জন্য আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি।

2017-05-27-12-26-09নিউজ ডেস্ক,বর্তমানকণ্ঠ ডটকম: ঢাকা থেকে সিলেটগামী বিজি ১৬০৫ ফ্লাইটে ১১৫ জন যাত্রীর মধ্যে ৩০ জনই শিশু-কিশোর। এরা কেউ উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তান নয়। অনাথ, সুবিধা বঞ্চিত। সমাজ সেবা অধিদফতে পরিচালিত শিশু পরিবারের (নিবাস) এই সদস্য। তবু এরাই ছিল ফ্লাইটের বিশেষ যাত্রী। শনিবার (২৬ মে) সকাল সাড়ে সাতটায় এরা যখন উড়োজাহাজে ওঠে,...
2017-05-27-12-26-09নিউজ ডেস্ক,বর্তমানকণ্ঠ ডটকম: ঢাকা থেকে সিলেটগামী বিজি ১৬০৫ ফ্লাইটে ১১৫ জন যাত্রীর মধ্যে ৩০ জনই শিশু-কিশোর। এরা কেউ উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তান নয়। অনাথ, সুবিধা বঞ্চিত। সমাজ সেবা অধিদফতে পরিচালিত শিশু পরিবারের (নিবাস) এই সদস্য। তবু এরাই ছিল ফ্লাইটের বিশেষ যাত্রী। শনিবার (২৬ মে) সকাল সাড়ে সাতটায় এরা যখন উড়োজাহাজে ওঠে,...
     
 
FacebookTwitterDiggStumbleuponRedditLinkedinPinterest
Pin It
এই পাতার আরো খবর -