ভোটে সরকার ও প্রশাসনের নিরপেক্ষতা চায় গণফোরাম

নিউজ ডেস্ক,বর্তমানকণ্ঠ ডটকম: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু করতে নির্বাচনকালীন সরকার ও প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিশ্চিতে নির্বাচন কমিশনকে কার্র্যকর ব্যবস্থা নেয়ার প্রস্তাব দিয়েছে গণফোরাম।

বুধবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনের সাথে সংলাপে এসব দাবি তুলে ধরে দলটি। মতবিনিময় সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নূরুল হুদা সভাপতিত্ব করেন।

সংলাপে গণফোরাম সভাপতি কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের প্রতিনিধি দল অংশ নেন।  দলটির পক্ষ থেকে ২২ দফা প্রস্তাব তুলে ধরা হয়।

সংলাপ শেষে ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনকালীন যে সরকার থাকবে ও যে প্রশাসন থাকবে তাদের নিরপেক্ষ থাকতে হবে। আমরা কমিশনকে বলেছি, যেন আইনের সঠিক প্রয়োগ ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা হয়।’

তিনি জানান, ‘প্রশাসনকে কীভাবে নিরপেক্ষভাবে পরিচালনা করা হবে তা আলোচনা করেই নির্ধারণ করতে হবে। এ বিষয়ে পরবর্তীতেও কথা হবে। প্রশাসনকে হস্তক্ষেপমুক্ত রাখতে হবে।’

ড. কামাল বলেন, ‘ ২ এম পি সুষ্ঠু ভোটে অন্যতম বাধা। এই ২ এমপির একটা মানি পাওয়ার ও অন্যটি মাসল পাওয়ার।’ তিনি আরও বলেন, ‘এ ২ এম পি’র জন্য দেশের সংসদীয় গণতন্ত্র ধ্বংস হচ্ছে। গণতন্ত্র রক্ষায় ২ এম পি আমাদের আঘাত দিয়েছে তা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছি ৪৬ বছর। ২ এম পি থেকে জনগণ তাদের ভোটাধিকার বাঁচাতে পারে; কীভাবে ২এম পি থেকে বাঁচা যায় তার জন্য আইনের সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।’

ভোটে সেনাবাহিনী মোতায়েন চান কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আইনি সংজ্ঞায় রাখতে বলেছি আমরা। তবে যখনই প্রয়োজন হবে তখনই সেনা মোতায়েন করতে হবে। সশস্ত্রবাহিনী ইসির নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।’

গণফোরামের ২২ দফা দাবির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- প্রবাসীদের ভোটাধিকার, নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালের মামলা ৬ মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি, কালো টাকার খেলা বন্ধ, ঋণ খেলাপীদের জামিনদারকে নির্বাচনে অযোগ্য, নির্বাচনে ধর্মের অপব্যবহার বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংজ্ঞায় সশস্ত্রবাহিনীকে যুক্ত করা ও সংরক্ষিত মহিলা আসনে সরাসরি নির্বাচনের ব্যবস্থা করা।

FacebookTwitterDiggStumbleuponRedditLinkedinPinterest
Pin It
এই পাতার আরো খবর -