বাঙালির আত্মপরিচয়ের মাস মার্চ

মনোজিৎকুমার দাস,বর্তমানকণ্ঠ ডটকম: এক একটি জাতির ইতিহাসে একটি যুগসন্ধিক্ষণ আসে জাতিকে স্বমহিমায় সুপ্রতিষ্ঠিত করার জন্য। বাঙালি জাতির ইতিহাসে একাত্তরের মার্চ এমনই এক যুগসন্ধিক্ষণের মাস। একাত্তরের অগ্নিঝরা মার্চ বাঙালি জাতির আত্মপরিচয়কে সমুন্নত করার মাস। কয়েক শতকের ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক দুঃশাসনের অবসান ঘটলেও দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে বাঙালির ভাগ্যে ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তান নামে আর এক অপশাসন প্রাতিষ্ঠানিক রূপলাভ করে। দ্বিজাতি তত্তে¡র প্রবক্তা ছিল পূর্ব বাংলা থেকে প্রায় দেড় হাজার মাইল দূরের উর্দুভাষী পশ্চিম পাকিস্তান শাসকচক্র। ধর্মভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত পাকিস্তানি রাষ্ট্রের ২৩ বছরের সামরিক অপশাসন, নির্যাতন আর বঞ্চনা ছাড়া বাঙালি জাতি কিছুই পায়নি। বাঙালি জাতি ওই শোষণ-বঞ্চনার হাত থেকে মুক্তি পেতে নেমে পড়ে রাজপথে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের সীমাহীন দেশপ্রেম, তুলনাহীন রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, অসীম সাহস, দূরদর্শিতা আর দৃঢ় নেতৃত্বে পদ্মা, মেঘনা, যমুনা বিধৌত পলল গঠিত বদ্বীপ ভূখণ্ড একাত্তরের মার্চে এসে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে।
একাত্তরের মার্চে বাঙালি জাতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের নেতৃত্বে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠার কারণ জানতে হলে পেছন ফিরে তাকাতে হবে। পশ্চিম পাকিস্তান থেকে প্রায় দেড় হাজার মাইল দূরের পূর্ব বাংলার বাংলাভাষী জনগোষ্ঠীর রাষ্ট্রভাষা হবে উর্দু এই ঘোষণা ১৯৪৮-এ পাকিস্তান রাষ্ট্রের দ্বিজাতি তত্ত্বের প্রবক্তা মোহম্মদ আলী জিন্নাহের ঢাকার কার্জন হলে প্রদত্ত ভাষণ থেকে শোনার পর থেকে তৎকালীন বাঙালি ছাত্র সমাজে রোষে ফেটে পড়ে। এই ঘোষণা থেকে বাঙালি জনগোষ্ঠী উপলব্ধি করতে সক্ষম হয় ব্রিটিশের শাসন শোষণের হাত থেকে মুক্ত হলেও পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকচক্রের শাসন শোষণের শিকার হতে চলেছে আবার তারা। এই উপলব্ধি বোধ থেকে বাঙালি জাতীয়তাবদে উদ্বুদ্ধ তরুণ সমাজ ভাষা আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ে। ভাষা আন্দোলনের ফলশ্রুতিতে ঊনিশশ’ বায়ান্নোর একুশে ফ্রেব্রুয়ারি শহীদদের আত্মবলিদানের মাধ্যমে বাঙালির মধ্যে স্বাধীনতার বীজ উপ্ত হয়।
১৯৫৪-এর পূর্বপাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের বিজয় বাঙালি জাতির স্বাধীকার অর্জনের মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হলেও পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকচক্র একে খোলা মনে মেনে দিতে পারে না। ক্ষমতা গ্রহণের ৫৬ দিনের মাথায় কেন্দ্রীয় সরকার এই প্রাদেশিক সরকারকে বিলুপ্ত ঘোষণা করে। তৎকালীন পাকিস্তানি সরকারের এই সিদ্ধান্ত পূর্ব পাকিস্তানের জনগণকে বিক্ষুব্ধ করে তোলে। ১৯৫৪-এর ৩১ মে পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রী পরিষদ বাতিল করে শাসনতন্ত্রের ৯২(ক) ধারা জারির মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তান প্রদেশে গভর্নরের শাসন প্রবর্তন করেন।
পশ্চিম পাকিস্তানের রাজনীতিবিদ থেকে শুরু করে সামরিক কর্মকর্তারা পাকিস্তানের শাসনক্ষমতা দখলের জন্য ডামাডোলের মধ্যে ১৯৫৬-এর ২৩ মার্চ পাকিস্তানের সংবিধান চালু হলে মেজর জেনারেল ইস্কান্দার মীর্জা প্রথম রাষ্ট্রপতি হন। তার রাষ্ট্রপতিত্বকালে রাজনৈতিক অস্থিরতা চরমে ওঠে। ১৯৫৮ এর ৭ অক্টোবর তিনি সকল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ ও ১৯৫৬-এর সংবিধান স্থগিত করে সামরিক আইন জারি করেন। সেনাপ্রধান জেনারেল মুহাম্মদ আইয়ুব খান প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক নিযুক্ত হন। বিশ দিন পর ২৭ অক্টোবর প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক আইয়ুব খান ইস্কান্দার মির্জাকে ক্ষমতা থেকে অপসারণ করে তাকে লন্ডনে নির্বাসনে পাঠান এবং নিজেকে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেন।
জেনারেল আইয়ুব খানের সামরিক শাসন জারীর মধ্য দিয়ে পুরো পাকিস্তানের ইতিহাস কলঙ্কিত হয়। তার আগে এদেশের মানুষ সামরিক শাসন দেখেনি। সেনাবাহিনী কিভাবে ক্ষমতা দখল করতে পারে, কিংবা শাসনতন্ত্র আদৌ রহিত করা যায় কিনা তা ভেবে মানুষ উদ্বিগ্ন হয়। এদিকে সামরিক আইন জারির সাথে সাথে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, মওলানা ভাসানী, আবুল মনসুর আহমদসহ পূর্বপাকিস্তানের অসংখ্য নেতাকর্মী গ্রেপ্তার হন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, মওলানা ভাসানীসহ পূর্বপাকিস্তানের স্বাধিকার আদায়ের সম্পৃক্ত রাজনৈতিক নেতাদেরকে রাজনীতিতে নিষিদ্ধ করে আইয়ুব খান কালাকানুন জারি করেন। ১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধ সংঘটিত হয় আর ওই সালেই তিনি স্বঘোষিত ফিল্ড মার্শাল হন। তার আগে তিনি মৌলিক গণতন্ত্র নামে সোনার পাথরে বাটি পাকিস্তানের জনগণকে উপহার দেন!
১৯৬৬ সালে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ৬ দফা দাবি পেশ করেন। পরবর্তীকালে এই ৬ দফা দাবিকে কেন্দ্র করে বাঙালি জাতির স্বায়ত্তশাসনের আন্দোলন জোরদার হয়। অন্যদিকে, ১৯৬৮¬-এ সামরিক শাসক আইয়ুব খানের শাসন শোষণের কাল দশ বছর পূর্ণ হওয়ায় তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকচক্র এই সময় কালকে উন্নয়নের দশক নামে অভিহিত করায় বাঙালি জনগণ একে হাস্যাস্পদ বিষয় হিসেবে বিবেচনা করে।
পাকিস্তান সরকার ১৯৬৮-এর প্রথম দিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ৩৫ জন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা করে অভিযোগ করা হয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ও অন্যরা ভারতের সাথে মিলে পাকিস্তানের অখণ্ডতার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন। ১৯৬৯ সালে ব্যাপক গণআন্দোলনের চাপে আইয়ুব সরকার বাধ্য হয়ে আগরতলা মামলা প্রত্যাহার করে নেয় এবং ১৯৬৯ সালে ২২ ফেব্রয়ারি বাঙালির মহান নেতা শেখ মুজিবুর রহমানকে মুক্তি দেওয়া হয়। ২৩ ফেব্রুয়ারি ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের উদ্যোগে তাকে গণসংবর্ধনা দেওয়া হয়। এই সংবর্ধনায় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু উপাধি দেয়।
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে আইয়ুব খানের পতন ঘটে এবং তিনি জেনারেল ইয়াহিয়া খানের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন। আইয়ুবের পতনের পর ১৯৭০ ইয়াহিয়া প্রথম পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচন দিতে বাধ্য হন। এই নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের ৩০০ আসনের মধ্যে ১৬০টি আসন লাভ করে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে। কিন্তু পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকচক্র জাতীয় সংসদের ১৬০টি আসন লাভ করে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা আওয়ামী লীগের অসিংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরে টালবাহানা শুরু করলে ঢাকাসহ সারাবাংলার জনপদের মানুষেরা রোষে ফেটে পড়ে।
একাত্তরের অগ্নিঝরা মার্চে ঢাকাসহ পুরো বাংলাদেশ পরিণত হয়েছিল এক বিক্ষুব্ধ জনপদে। পাকিস্তানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান ১ মার্চ বেতার ভাষণে ৩ মার্চের জাতীয় সংসদের অধিবেশন স্থগিত ঘোষণা করে ৩ মার্চ রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান ঢাকায় পাকিস্তানের নির্বাচিত রাজনৈতিক দলের নেতাদের একটি বৈঠক ডাকেন। আমন্ত্রিতদের তালিকায় উল্লেখযোগ্যরা ছিলেন পাকিস্তান আওয়ামী লীগের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, পাকিস্তান পিপলস পার্টির জুলফিকার আলী ভুট্টো, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির খান আবদুল ওয়ালী খান প্রমুখ। বঙ্গবন্ধু প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়ার এই রাজনৈতিক সভাকে বন্দুকের নলের মুখে ‘নিষ্ঠুর তামাশা’ বলে অভিহিত করে তা প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি ৩ মার্চের জাতীয় সংসদের অধিবেশন মুলতবি করার প্রতিবাদে ৩ মার্চ ধর্মঘট ও জনসভা ডাকলেন। ৩ মার্চে জনসভায় বঙ্গবন্ধু দেশব্যাপী অসহযোগ আন্দোলনের ঘোষণা দিলেন। ওই জনসভায় তিনি তিনটি দাবি করলেন- ১. সামরিক শাসনের অবসান, ২. নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর, ৩. সামরিক বাহিনীর ব্যারাকে প্রত্যাবর্তন। ওই জনসভাতেই বঙ্গবন্ধু জানালেন যে ৭ মার্চের জনসভায় তিনি চ‚ড়ান্ত কার্যক্রম ঘোষণা দেবেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নির্দেশে দেশের প্রশাসন চলতে থাকলো।
এই জনসভাকে কেন্দ্র করে মুক্তিপাগল বাঙালির মধ্যে এক অন্য ধরনের গণজাগরণের সৃষ্টি হয়। বাংলাদেশ তখন বিদ্রোহ-বিক্ষোভে টালমাটাল, বীর বাঙালী স্বাধীনতার আদায়ে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। একাত্তরের অগ্নিঝরা মার্চে পঞ্চম দিনে স্বাধীনতার মন্ত্রে উজ্জীবিত, অগ্নিগর্ভ পুরো বাংলাদেশ। রক্তক্ষরা পহেলা মার্চ ঢাকায় যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল, তার ঢেউ আছড়ে পড়ে দেশের প্রতিটি পাড়া-মহল্লা, শহর-বন্দরে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অঙ্গুলি হেলনে চলছে সবকিছু। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর কোনো নির্দেশেই মানেনি মুক্তিপাগল বাঙালি। তখনো দেশ স্বাধীন না হলেও তৎকালীন পূর্বপাকিস্তানের সবকিছু নিয়ন্ত্রণে চলে যায় বঙ্গবন্ধুর হাতে।
দেশের বিভিন্ন স্থানে ওড়ানো হলো স্বাধীন বাংলাদেশের মানচিত্রখচিত নতুন পতাকা। পাক সেনাবাহিনী ও সামরিক জান্তার রক্তচক্ষু উপেক্ষা করেই স্বাধীনতার দাবিতে অগ্নিগর্ভ হতে থাকে পুরো বাংলাদেশ। পাক সামরিক বাহিনীর সামনেই মুক্তিপাগল বাঙালি জাতি প্রকাশ্য রাজপথে ‘বীর বাঙালী অস্ত্র ধরো, বাংলাদেশ স্বাধীন করো’- স্লোগানে মুখরিত হয় গোটা দেশ। বঙ্গবন্ধুর ডাকে টানা হরতাল চলতে থাকে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হরতালের দিনগুলোতে বেতন পাওয়ার সুবিধা জন্য এবং অতি জরুরি কাজকর্ম চালানোর জন্য সরকারি-বেসরকারি সব অফিস দুপুর আড়াইটা থেকে চারটা পর্যন্ত খোলা রাখার নির্দেশ দিলেন।
অবশেষে এলো বহুপ্রতীক্ষিত ৭ মার্চ। ১৯৭১-এর ৭ মার্চ সাবেক রেসকোর্স ময়দান আজকের সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে লক্ষ লক্ষ মানুষের সামনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৮ মিনিটের তার জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ ভাষণ দিলেন। তিনি পাকিস্তানি শাসকদের হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, ‘সাত কোটি মানুষকে দাবায়ে রাখতে পারবা না। মরতে যখন শিখেছি, তখন কেউ আমাদের দাবায়ে রাখতে পারবে না। রক্ত যখন দিয়েছি, আরো দেবো। এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাল্লাহ। এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। জয় বাংলা।’ বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণ মুহূর্তের মধ্যেই ছড়িয়ে পড়ে দেশের এক প্রান্তে থেকে অন্য প্রান্ত পর্যন্ত। ৭ মার্চের ভাষণের পর প্রকৃতপক্ষে দেশ চালিত হতে থাকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশনায়। এ অবস্থায় কিন্তু পশ্চিম পাকিস্তানি সামরিক জন্তা নিশ্চুপ হয়ে বসে থাকেনি তা বাঙালিরা মর্মে মর্মে উপলব্ধি করে ২৫ মার্চ রাতে ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে বাঙালি নিধন যজ্ঞের নৃশংসতার শিকার হয়ে।
২৬ মার্চ একটি বার্তার আকারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা জারি করেন। ২৫ মার্চ মধ্যরাতের অব্যবহিত পর এ ঘোষণাটি ইপিআর-এর নিকট পৌঁছানো হয় এবং তা ইপিআর বেতারের মাধ্যমে যথাযথভাবেই প্রচার করা হয়। পাকিস্তানি সামরিক জান্তা বঙ্গবন্ধুকে তার ৩২ নম্বরে ধানমণ্ডির বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে পশ্চিম পাকিস্তানে নিয়ে যায়। নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে পকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে এবং আড়াই লক্ষ মা বোনের সম্ভ্রমহানির ফলে একাত্তরের ১৬ ডিসেম্বর স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ বিজয় লাভ করে। একাত্তরের মার্চ বাঙালি জাতিসত্তার উন্মেষের মাস, বাঙালি জাতির আত্মপরিচয়কে সমুন্নত করার মাস।

লেখক :: সাহিত্যিক ও কলামিস্ট
This email address is being protected from spambots. You need JavaScript enabled to view it.

FacebookTwitterDiggStumbleuponRedditLinkedinPinterest
Pin It