বাংলাদেশ জনতা পার্টির আত্মপ্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক,বর্তমানকণ্ঠ ডটকম: সমমনা অর্ধশতাধিক সংগঠন নিয়ে বাংলাদেশ জনতা পার্টি বা বিজেপি নামে একটি রাজনৈতিক দল আত্মপ্রকাশ করেছে। বুধবার (২০ সেপ্টেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আত্মপ্রকাশের কথা জানানো হয়।

২০১৪ সালের ১৯শে মার্চ সংখ্যালঘুদের জন্য রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান আদিবাসী পার্টি।  এই দলের নেতৃত্বেই বিজেপি গঠিত হলো। দলটি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ারও ঘোষণা দিয়েছে। যদিও রাজনৈতিক দল হিসেবে নির্বাচন কমিশনে বিজেপির নিবন্ধন নেই।

অর্ধশতাধিক সংগঠ নিয়ে গঠিত এই দলে রয়েছে (১)  বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীষ্টান আদিবাসী পার্টি (২) মুক্তির আহবান (৩) বাংলাদেশ সচেতন সংঘ (৪) জাগো হিন্দু পরিষদ (৫) আনন্দ আশ্রম, (৬) বিদ্যার্থী সাংসদ, (৭) রিও (৮) জাগো হিন্দু পরিষদ (৯) বাংলাদেশ মাইনরিটি পার্টি (১০) শিবসেনা শক্তি মিশন (১১) হিন্দু লীগ (১২) জাতীয় সংস্কার সমিতি (১৩) বেদ বেদান্ত সংস্কার কমিটি (১৪) হিন্দু ঐক্য জোট (১৫) হিউম্যান রাইটস (১৬) সনাতন সংঘ (১৭) মৈত্রী সেবা সংঘ (১৮) বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম (১৯) মাইনরিটি রাইট ফরম (২০) বাংলাদেশ ঋষি পঞ্চায়েত কমিটি (২১) হরিজন ঐক্য পরিষদ (২২) বাংলাদেশ সেবা শ্রম (২৩) সমাজ সেবা আশ্রম (২৪) গনেশ পাগলা সম্প্রদায় (২৫) তফশীল জাতি ফেডারেশন (২৬) সনাতনী আর্য সংঘ (২৭) সনাতনী জাগরণী সংঘ (২৮) বাংলাদেশ সেবাশ্রম (২৯) মতুয়া সম্প্রদায় (৩০) বাংলাদেশ মাইনরিটি ফ্রন্ট (৩১) বাংলাদেশ সচেতন হিন্দু পার্টি (৩২) বেদ কালচার সোসাইটি (৩৩) হিন্দু সমাজ সংস্কার সমিতি (৩৪) মাদারীপুর সংস্কার সমিতি (৩৫) বাংলাদেশ দেবত্তোর সংস্কার কমিটি (৩৬) ভারত সেবাশ্রম (৩৭) আন্তর্জাতিক হরিভাবনামৃত সংঘ (৩৮) মতুয়া মিশন (৩৯) শ্রী শ্রী গীতা সংঘ কল্যাণ ট্রাস্ট (৪০) শ্রী শ্রী গুরুচাঁদ সংঘ (৪১) বিবেকানন্দ শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সংঘ (৪২) গুরু চাঁদ শিক্ষা ট্রাষ্ট (৪৩) বাংলাদেশ মতুয়া সংগঠন (৪৪) হরিজন সম্প্রদায় (৪৫) বাংলাদেশ ঋষি সম্প্রদায় (৪৬) দলীত সম্প্রদায় (৪৭) বাংলাদেশ হিজড়া সম্প্রদায় (৪৮) বাংলাদেশ বৌদ্ধিস্ট ফেডারেশন (৪৯) সনাতনী শিক্ষা ও সংস্কার সংঘ (৫০) আনন্দ মার্গী প্রচারক সংঘ।

দলের সভাপতি ও মুখপাত্র হয়েছেন হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান আদিবাসী পার্টির সভাপতি মিঠুন চৌধুরী, মহাসচিব দেবাশীষ সাহা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ‘অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়া ও স্বচ্ছ রাজনীতিবিদদের খুঁজে আগামীতে নিরপেক্ষ নির্বাচনের লক্ষ্যে, দুুর্নীতিমুক্ত ও মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ বিনির্মাণে, গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আমরা একত্রিত হয়েছি।’

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বিজেপি আগামী নির্বাচনে সরকার গঠন করলে অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আইনের জটিলতা নিরসন করবে, প্রধান বিচারপতিকে নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা নিরসন করবে, প্রতিটি বিভাগকে প্রদেশে উন্নীত করা হবে, সংখ্যালঘুদের জন্য পৃথক মন্ত্রণালয় করা হবে, ঋণখেলাপিদের ঋণের ৮০ শতাংশ পরিশোধ না হলে নতুন ঋণ দেয়া হবে না, প্রতিটি স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্য ধর্মের উপাসনালয় তৈরি করা হবে এবং দুর্গাপূজায় ৩ দিনের ছুটির গেজেট প্রকাশ করা হবে।

FacebookTwitterDiggStumbleuponRedditLinkedinPinterest
Pin It
এই পাতার আরো খবর -