হারিয়ে যাচ্ছে ইতিহাস ঐতিহ্যের জমিদার সূর্যকান্তের দৃষ্টি নন্দর স্থাপনা

এম এ রহিম,বর্তমানকণ্ঠ ডটকম:-কালের বিবর্তে হারিয়ে যাচ্ছে ইতিহাস ঐতিহ্যের স্বারক বেনাপোলের অনেক দৃষ্টি নন্দন স্থাপনা। বেদখল হচ্ছে দেবত্তর সম্পত্তি সহ সরকারি অনেক ভবন। সৌন্দর্য্য হারাচ্ছে ও বেদখল হচ্ছে বেনাপোল দীঘির পাড় পাচপুকুর, ছোটআচড়া দীঘি,জিউ মন্দির,বেনাপোল পাঠবাড়ী আশ্রমের সম্পত্তি। জমিদার সূর্যকান্ত রায় চৌধুরীর স্ত্রী অম্বোজ বাসিনী চৌধুরীর নামে দেওয়া বেনাপোলের দেবত্তর অধিকাংশ সম্পত্তি-বেদখল হয়ে গেছে। নিরব রয়েছেন প্রশাসন। দেবত্তর সম্পত্তি দখলে নিয়ে উপকৃত হচ্ছে প্রভাবশালীরা। নির্মান করছেন অট্টালিকা। হারাচ্ছে শ্যামাপতি জিউ মহাদেব মন্দিরের ইতিহাস ঔতিহ্য ও সাংস্কৃতি। বেদখল হয়ে যাচ্ছে বিশাল দিঘীটি। দীঘির চারিপাশে সু উচ্ছ অট্টালিকা ভবন নির্মানের অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। সম্পত্তি রক্ষায় আতংকেও উৎকন্ঠায় রয়েছেন সম্পত্তির বর্তমান সেবায়েত শান্তিপদ গাঙ্গুলী সহ পরিবারের সদস্যরা। প্রতিকার চান এলাকাবাসি সহ ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।
বেনাপোলের সন্তশ কুমার শীল বলেন-এক সময়ে মন্দিরটি দেখতে দেশ বিদেশ থেকে আসত পর্যটক সহ দর্শনার্থী। সুনাম ছিল জমিদার সূর্যকান্তরায় চৌধুরীর শাষনামলের কৃষ্টি কালচারের-আজ অনেক কিছুই দখলদারদের কবলে ঐতিহ্য হারাতে বসেছে। বিলিন হযে গেছে কাচারী,বসতবাড়ী সহ অনেক স্থাপনা। প্রতিকার চান তারা।         
স্থানীয়রা বলেন-নামে বেনামে চলছে দখল। সেবায়েতের কারসাজি সহ প্রভাবশালীদের হুমকির মুখে সম্মত্তি বেহাত হচ্ছে বলে জানান তারা।  
মন্দিরের পরিচার্য্যাকারী নারী-জ্যোৎ¯œা চক্রবর্তী-ও তমালিকা চক্রবর্তী বলেন, বহিরাগতদের ভয়ে সব সময় আতংকে থাকত ব্রান্মনরা-বাহিরে যেতে ভয় ছিল তাদের-হুমকিস ধুমকীতে থেকেছেন তারা। তবে এখন কিছুটা কমেছে আতংক।           
বর্তমান সেবায়েত শান্তিপদ গাঙ্গুলী জানান,ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর লর্ডক্লাইভের শাষনামলের সময়ে দেশ বিভাগের পর ভারতের টাকি হাসনাবাদ বশিরহাট থেকে আসা জমিদার সূর্য্যকান্ত রায় চৌধুরী যশোরের শার্শার ডিহি,বেনাপোল কাগজপুকুর, ভবেরবেড়, ছোটআচড়া এবং সাতক্ষিরার দেবহাটা কলারোয়ার এলাকায় প্রায় ৫ হাজার একর সম্পত্তির দায়িত্বভার গ্রহন করেন। ১৯২৬সালে তার স্ত্রী অম্বোজ বাসিনী চৌধুরীর নামে ২৮৫একর সম্পত্তি পাট্টামূলে হস্তান্তর করেন। স্ত্রী বেনাপোল ছোটআচড়া গ্রামে ৩১একর ৬৮শতাংশ সম্পত্তির উপর শ্যামাপতি জিউ মহাদেব মন্দির,পাশে১০একর সম্পত্তিকে দিঘি,বেনাপোল ভবেরবের মৌজায় পাঠবাড়ী আশ্রম,বেনাপোল বাজার,শিক্ষা স্বাস্থ্য ও সাংস্কৃতি সহ বিভিন্ন স্থাপনা গড়ে তোলেন এবং  ব্যাপক সুনাম অর্জন করেন তিনি। পাক সরকারের শাষনামলে১৯৫৮সালে৩১.৬৮একর সম্পত্তি সহ শিববিগ্রহটি (শ্যামাপতি জিউ মহাদেব) মন্দিরটি ঈশ্বর গিরীন্দ্র গাঙ্গলীর নামে হস্তান্তর করেন। বংশ পরম পরায় বর্তমানে তার পুত্র শান্তিপদ গাঙ্গলী সেবায়েতের দায়িত্ব পালন করছেন। তবে বেদখল হয়ে গেছে অধিকাংশ দেবত্তর সম্মত্তি। খুড়িয়ে ও কষ্টে চলছে সেবায়েত পরিবারের জীবন জিবিকা-মন্দিরটির চারিপাশ নষ্ট হচ্ছে। সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন তারা।
বেনাপোল ছোট আচড়া-শ্যামাপতি জিউ মহাদেব মন্দির-সেবায়েত  শ্রী শান্তিপদ গাঙ্গলী বলেন,বেনাপোল ছোট আচড়া মৌজায় দেবউত্তর সম্মত্তি বেদখল হচ্ছে। অনেক সম্মত্তি ইজারা দেওয়া হয়েছে। তবে বেনাপোল বাজারের খাজনা পেত তারা। ১৯৮৩সালে যশোর হাইকোটে বেনাপোল বাজার খাস খতিয়নে অন্তভুক্তির করে প্রতিষ্টানের অনুকুলে ক্ষতিপূরনের নির্দেশনা দেয়। আজও কোন ক্ষতিপূরন পায়নি তারা। ক্ষতিপূরন পেলে মন্দিরটি পূন নির্মান সহ দৃষ্টি নন্দন অনেক স্থাপনা করে এলাকার ঐতহ্য আরো অনেক উজ্বল করতেন বলে জানান তিনি। বছরের অনেক উৎসব কষ্ট করে করেন স্থানীয়রা।
বেনাপোল সহকারি ভুমি কর্মকর্তা-আবু সাইদ মোল্লা বলেন-বেনাপোল এলাকায় ১৭৮.৫৪একর খাস সম্পত্তি রয়েছে। তবে ১৫৪.৫৭একর সম্পত্তি বন্দবস্ত দেওয়া হয়েছে। বেনাপোল পৌর এলাকার ছোট আচড়া মৌজায় দেবত্তর সম্পত্তি বেদখলের কথা স্বিকার করে বলেন-বাস্তবতার নিরিখে কেহ অভিযোগ দিলে ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেনাপোলের এক বৃদ্ধা বলেন প্রভাবশালীদের দখলে সব। বেনাপোল পাঠবাড়ী দেশের মধ্যে একটি অন্যতম স্থাপনায় রুপ নিলেও চারি পাশের সম্পত্তি বেদখলে রয়েছে। বার বার উদ্যোগ গ্রহন করা হলেও বিশেষ ইশারায় থমকে যায়। ভ’য়া ডিসিয়ারে অধিকাংশ বেদখল হয়ে গেছে দিঘিরপাড় পাচপুকুর। সরকারি সম্পত্তি দখল মুক্ত করে অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা সহ ভুমিহীনদের মধ্যে বন্ধবস্ত সহ গুরুত্বপূর্ন স্থাপনার পরিধি বাড়ানোর সুযোগ করে দেওয়া জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।

     
 
2017-10-19-11-41-43বিনোদন ডেস্ক,বর্তমানকণ্ঠ ডটকম: অনেক নাটকীয়তার পর 'মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ'-এর মুকুট মাথায় উঠে জেসিয়া ইসলামের মাথায়। আগামী ১৯ নভেম্বর চীনে অনুষ্ঠিতব্য মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন তিনি।আর এজন্য আজ বৃহস্পতিবার চীনের উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়ছেন জেসিয়া ইসলাম। তবে দেশ ছাড়ার আগে সামাজিক যোগামাযোগ মাধ্যমে তার কিছু অন্তরঙ্গ ছবি ভাইরাল হয়েছে। যদিও ফেসবুকের যে পেজটি থেকে ছবিগুলো আপলোড করা হয় সেই পেজটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এরই মধ্যে ছবিগুলো ছড়িয়ে পড়েছে নানান জনের ফেসবুক ওয়ালে।  খোঁজ...বিস্তারিত
2017-09-18-14-10-42বাবুগঞ্জ (বরিশাল),বর্তমানকণ্ঠ ডটকম: তিন ছেলে পুলিশ কর্মকর্তা, মেয়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা অথচ তাদের গর্ভধারিণী মা মানুষের দ্বারে দ্বারে ভিক্ষা করে জীবিকা নির্বাহ করছে। বর্তমানে তিনি এতোটাই মানবেতর জীবন যাপন করছেন যে দিনের এক বেলা ভাতও জুটছে না তার ভাগ্যে। বলছি বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলা ক্ষুদ্রকাঠী গ্রামের মৃত আইয়ুব আলী সরদারের স্ত্রী মনোয়ারা বেগমের (৭০)  জীবন সংগ্রামের কথা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আইয়ুব আলী কৃষক পরিবারের সন্তান হলেও নানা অভাব অনাটনের সংসারে ৬ সন্তান নিয়ে ভালোভাবেই...বিস্তারিত
2017-09-01-08-32-29নিউজ ডেস্ক,বর্তমানকণ্ঠ ডটকম: কর্মসংস্থানের অভাবে শহরমুখী হচ্ছে বানভাসি মানুষ। রাজধানীসহ দেশের অন্য শহরগুলোতে পাড়ি জমাচ্ছেন তারা। ঈদের আগে যে সময়টাতে রাজধানী ফাঁকা হতে থাকে। সেই সময়ে এখন অভাবী মানুষের দলে দলে আগমন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। নারী-পুরুষ, শিশু এবং কিছু মানুষকে সপরিবারে ঢাকায় আসতে দেখা যাচ্ছে। তারা রিকশা চালনা থেকে শুরু করে বাসাবাড়িতে গৃহকর্মের কাজের সন্ধানে এসেছেন বলে জানান।রংপুর কাউনিয়া থেকে ১১ দিন আগে ঢাকায় আসা আয়নাল মিয়া বলেন, ‘ত্রাণের চাউল কয়দিন খামো বাহে, হামাক কাম করা নাগবার নয়। শহরত...বিস্তারিত
2017-08-27-07-31-33নিউজ ডেস্ক,বর্তমানকণ্ঠ ডটকম: থামেনি, প্রশাসনে উল্টো বেড়েছে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ। অন্যদিকে অনেকে যোগ্য হওয়ার পরও পাচ্ছেন না পদোন্নতি। প্রশাসনে বিপুলসংখ্যক কর্মকর্তাকে পদোন্নতির পরও নিচের পদে কাজ করতে হচ্ছে।চলতি মাসেই শুধু সচিব পর্যায়ে দুজন কর্মকর্তা চুক্তিতে নিয়োগ পেয়েছেন। এভাবে সরকারের আস্থাভাজন কর্মকর্তারা অবসরের পরও চাকরিতে ফিরছেন। এতে প্রশাসনের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে ও বিশৃঙ্খলা বাড়ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।বর্তমানে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরির বয়স ৫৯ বছর। আর মুক্তিযোদ্ধাদের অবসরের বয়স ৬০...বিস্তারিত
2017-07-07-06-33-12নিউজ ডেস্ক,বর্তমানকণ্ঠ ডটকম: রাজশাহী মহানগরসহ উপজেলাগুলোতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। গত ছয় মাসে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে টিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন ১৭৬ জন। গত বছর বছরের প্রথম ছয় মাসে যার সংখ্যা ছিল ১৫০ জন। রাজশাহীর গোলি থেকে রাজপথে থামানো যাচ্ছে না সড়ক দুর্ঘটনার মতো প্রাণহানিকর ঘটনাগুলো। প্রতি দিন জেলার কোথাও না কোথাও ঘটে যাচ্ছে ছোটবড় সড়ক দুর্ঘটনা। যার কারণে অকালে প্রাণ হারাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। পঙ্গুত্ববরণ করছেন বহু মানুষ। এদিকে, সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চালকদের সচেতন করার লক্ষ্যে...বিস্তারিত
এই পাতার আরো খবর -