৬ মাসে প্রাণহানি দুইশ: অসতর্কতায় মৃত্যুর মিছিল থামছে না সড়কে

নিউজ ডেস্ক,বর্তমানকণ্ঠ ডটকম: রাজশাহী মহানগরসহ উপজেলাগুলোতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। গত ছয় মাসে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে টিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন ১৭৬ জন। গত বছর বছরের প্রথম ছয় মাসে যার সংখ্যা ছিল ১৫০ জন। রাজশাহীর গোলি থেকে রাজপথে থামানো যাচ্ছে না সড়ক দুর্ঘটনার মতো প্রাণহানিকর ঘটনাগুলো। প্রতি দিন জেলার কোথাও না কোথাও ঘটে যাচ্ছে ছোটবড় সড়ক দুর্ঘটনা। যার কারণে অকালে প্রাণ হারাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। পঙ্গুত্ববরণ করছেন বহু মানুষ। এদিকে, সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চালকদের সচেতন করার লক্ষ্যে সমাবেশ-র‌্যালিসহ অনেক কর্মসূচি পালন করছেন সচেতন নাগরিকরা। কিন্তু কোনো কিছুতেই কমছে না সড়ক দুর্ঘটনা। একটি সড়ক দুর্ঘটনা নিমিষেই কেড়ে নেয় একটি পরিবারের সব সোনালি স্বপ্ন। শুধু চালকদের সচেতনতাই কমাতে পারে এসব দুর্ঘটনা। শুধু রাজশাহী মহানগর ও আশপাশের উপজেলার এলাকাগুলোতেই সড়ক দুর্ঘটনাতেই গত জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন ১৭৬ জন। আবার যারা হাসপাতালে ভর্তির আগেই মারা গেছেন, তাদের সংখ্যাও কম নয়। আইনি জটিলতার কারণে অনেক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের মরদেহ হাসপাতালে নেয় না তাদের পরিবার। তাই সব মিলিয়ে গত ৬ মাসে নিহতের সংখ্যা দুইশ ছাড়িয়ে যাবে। এ সময়ের মধ্যে আহতদের সংখ্যাও  পাঁচ শতাধিক। যার একটি অংশ পঙ্গুত্ববরণ করেছে।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া ১৭৬ জনের মধ্যে প্রায় ৫০ জনই রাজশাহী মহানগরী এবং বাকিরা বিভিন্ন উপজেলার মানুষ। নিহত এসব নারী-পুরুষ ও শিশু বিভিন্ন যানবাহনে যাতায়াত করার সময় সড়ক দুর্ঘটনায় শিকার হন। পরে তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তির পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। যারা সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন এরমধ্যে একটি বড় অংশ হলো বেপরোয়া গতির মোটরসাইকেল চালক এবং বাকিগুলো বাস, ট্রাক ও অন্যান্য যানবহনের যাত্রী ও পথচারী। এ বছরের কয়েকটি মারাত্মক সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে, যার কারণে একই পরিবারের একাধিক সদস্যকেও প্রাণ হারাতে হয়েছে। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- গত জুন মাসের শেষদিকে রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বেলপুকুরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নগরীর কেদুর মোড়ের চাচা-ভাতিজার মৃত্যু। এর একদিন পরে নগরীর ভদ্রার মোড় এলাকায় বাসচাপায় এক রিকশাযাত্রী নিহত হন। এ ঘটনায় পাঁচজন আহত হন। তার আগে গোদাগাড়ীতে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এক যাত্রী মারা যান। ঈদের পরে মোহনপুরে এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয় সড়ক দুর্ঘটনায়। এভাবেই দিনের পর দিন রাজশাহী অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনার মতো মারাত্মক প্রাণ হানিকর ঘটনা ঘটেই চলেছে। গত কয়েক বছররে তুলনায় এ অঞ্চলে সড়ক দুর্ঘটনা বেড়েছে।
অবশ্য নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলন করে চলেছেন চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চনসহ অনেকেই। তিনি আন্দোলনের অংশ হিসেবে গত বছর রাজশাহীতে যান। রাজশাহীতে গিয়ে তিনি নিরাপদ সড়কের দাবিতে সব শ্রেণির মানুষকে নিয়ে একটি র‌্যালি করেন।
এদিকে, পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অধিকাংশ সড়ক দুর্ঘটনার জন্য মূলত চালকরাই দায়ী। একই দাবি নগরীর সচেতন মহলের। তাদের অভিযোগ, চালকরা গাড়ি চালানোর সময় সিগারেট পান, মোবাইল ফোনে কথা বলা  এবং অসতর্ক হয়ে গাড়ি চালান। ফলে গাড়ি সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এ ছাড়াও অদক্ষ চালকের কারণে সড়ক দুর্ঘটনার হার বেড়েই চলেছে। তবে কিছু অসচেতন পথচারীও রাস্তা পারাপারের সময় সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হন। সবার সমন্বিত প্রচেষ্টা ছাড়া সড়ক দুর্ঘটনা রোধ করা সম্ভব নয় বলে জানায় রাজশাহী ট্রাফিক বিভাগ।রাজশাহী মহানগরসহ উপজেলাগুলোতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। গত ছয় মাসে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে টিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন ১৭৬ জন। গত বছর বছরের প্রথম ছয় মাসে যার সংখ্যা ছিল ১৫০ জন। রাজশাহীর গোলি থেকে রাজপথে থামানো যাচ্ছে না সড়ক দুর্ঘটনার মতো প্রাণহানিকর ঘটনাগুলো। প্রতি দিন জেলার কোথাও না কোথাও ঘটে যাচ্ছে ছোটবড় সড়ক দুর্ঘটনা। যার কারণে অকালে প্রাণ হারাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। পঙ্গুত্ববরণ করছেন বহু মানুষ। এদিকে, সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চালকদের সচেতন করার লক্ষ্যে সমাবেশ-র‌্যালিসহ অনেক কর্মসূচি পালন করছেন সচেতন নাগরিকরা। কিন্তু কোনো কিছুতেই কমছে না সড়ক দুর্ঘটনা। একটি সড়ক দুর্ঘটনা নিমিষেই কেড়ে নেয় একটি পরিবারের সব সোনালি স্বপ্ন। শুধু চালকদের সচেতনতাই কমাতে পারে এসব দুর্ঘটনা। শুধু রাজশাহী মহানগর ও আশপাশের উপজেলার এলাকাগুলোতেই সড়ক দুর্ঘটনাতেই গত জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন ১৭৬ জন। আবার যারা হাসপাতালে ভর্তির আগেই মারা গেছেন, তাদের সংখ্যাও কম নয়। আইনি জটিলতার কারণে অনেক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের মরদেহ হাসপাতালে নেয় না তাদের পরিবার। তাই সব মিলিয়ে গত ৬ মাসে নিহতের সংখ্যা দুইশ ছাড়িয়ে যাবে। এ সময়ের মধ্যে আহতদের সংখ্যাও পাঁচ শতাধিক। যার একটি অংশ পঙ্গুত্ববরণ করেছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া ১৭৬ জনের মধ্যে প্রায় ৫০ জনই রাজশাহী মহানগরী এবং বাকিরা বিভিন্ন উপজেলার মানুষ। নিহত এসব নারী-পুরুষ ও শিশু বিভিন্ন যানবাহনে যাতায়াত করার সময় সড়ক দুর্ঘটনায় শিকার হন। পরে তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তির পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। যারা সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন এরমধ্যে একটি বড় অংশ হলো বেপরোয়া গতির মোটরসাইকেল চালক এবং বাকিগুলো বাস, ট্রাক ও অন্যান্য যানবহনের যাত্রী ও পথচারী। এ বছরের কয়েকটি মারাত্মক সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে, যার কারণে একই পরিবারের একাধিক সদস্যকেও প্রাণ হারাতে হয়েছে। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- গত জুন মাসের শেষদিকে রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বেলপুকুরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নগরীর কেদুর মোড়ের চাচা-ভাতিজার মৃত্যু। এর একদিন পরে নগরীর ভদ্রার মোড় এলাকায় বাসচাপায় এক রিকশাযাত্রী নিহত হন। এ ঘটনায় পাঁচজন আহত হন। তার আগে গোদাগাড়ীতে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এক যাত্রী মারা যান। ঈদের পরে মোহনপুরে এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয় সড়ক দুর্ঘটনায়। এভাবেই দিনের পর দিন রাজশাহী অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনার মতো মারাত্মক প্রাণ হানিকর ঘটনা ঘটেই চলেছে। গত কয়েক বছররে তুলনায় এ অঞ্চলে সড়ক দুর্ঘটনা বেড়েছে। অবশ্য নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলন করে চলেছেন চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চনসহ অনেকেই। তিনি আন্দোলনের অংশ হিসেবে গত বছর রাজশাহীতে যান। রাজশাহীতে গিয়ে তিনি নিরাপদ সড়কের দাবিতে সব শ্রেণির মানুষকে নিয়ে একটি র‌্যালি করেন। এদিকে, পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অধিকাংশ সড়ক দুর্ঘটনার জন্য মূলত চালকরাই দায়ী। একই দাবি নগরীর সচেতন মহলের। তাদের অভিযোগ, চালকরা গাড়ি চালানোর সময় সিগারেট পান, মোবাইল ফোনে কথা বলা এবং অসতর্ক হয়ে গাড়ি চালান। ফলে গাড়ি সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এ ছাড়াও অদক্ষ চালকের কারণে সড়ক দুর্ঘটনার হার বেড়েই চলেছে। তবে কিছু অসচেতন পথচারীও রাস্তা পারাপারের সময় সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হন। সবার সমন্বিত প্রচেষ্টা ছাড়া সড়ক দুর্ঘটনা রোধ করা সম্ভব নয় বলে জানায় রাজশাহী ট্রাফিক বিভাগ।

     
 
2017-10-19-11-41-43বিনোদন ডেস্ক,বর্তমানকণ্ঠ ডটকম: অনেক নাটকীয়তার পর 'মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ'-এর মুকুট মাথায় উঠে জেসিয়া ইসলামের মাথায়। আগামী ১৯ নভেম্বর চীনে অনুষ্ঠিতব্য মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন তিনি।আর এজন্য আজ বৃহস্পতিবার চীনের উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়ছেন জেসিয়া ইসলাম। তবে দেশ ছাড়ার আগে সামাজিক যোগামাযোগ মাধ্যমে তার কিছু অন্তরঙ্গ ছবি ভাইরাল হয়েছে। যদিও ফেসবুকের যে পেজটি থেকে ছবিগুলো আপলোড করা হয় সেই পেজটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এরই মধ্যে ছবিগুলো ছড়িয়ে পড়েছে নানান জনের ফেসবুক ওয়ালে।  খোঁজ...বিস্তারিত
2017-09-18-14-10-42বাবুগঞ্জ (বরিশাল),বর্তমানকণ্ঠ ডটকম: তিন ছেলে পুলিশ কর্মকর্তা, মেয়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা অথচ তাদের গর্ভধারিণী মা মানুষের দ্বারে দ্বারে ভিক্ষা করে জীবিকা নির্বাহ করছে। বর্তমানে তিনি এতোটাই মানবেতর জীবন যাপন করছেন যে দিনের এক বেলা ভাতও জুটছে না তার ভাগ্যে। বলছি বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলা ক্ষুদ্রকাঠী গ্রামের মৃত আইয়ুব আলী সরদারের স্ত্রী মনোয়ারা বেগমের (৭০)  জীবন সংগ্রামের কথা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আইয়ুব আলী কৃষক পরিবারের সন্তান হলেও নানা অভাব অনাটনের সংসারে ৬ সন্তান নিয়ে ভালোভাবেই...বিস্তারিত
2017-09-01-08-32-29নিউজ ডেস্ক,বর্তমানকণ্ঠ ডটকম: কর্মসংস্থানের অভাবে শহরমুখী হচ্ছে বানভাসি মানুষ। রাজধানীসহ দেশের অন্য শহরগুলোতে পাড়ি জমাচ্ছেন তারা। ঈদের আগে যে সময়টাতে রাজধানী ফাঁকা হতে থাকে। সেই সময়ে এখন অভাবী মানুষের দলে দলে আগমন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। নারী-পুরুষ, শিশু এবং কিছু মানুষকে সপরিবারে ঢাকায় আসতে দেখা যাচ্ছে। তারা রিকশা চালনা থেকে শুরু করে বাসাবাড়িতে গৃহকর্মের কাজের সন্ধানে এসেছেন বলে জানান।রংপুর কাউনিয়া থেকে ১১ দিন আগে ঢাকায় আসা আয়নাল মিয়া বলেন, ‘ত্রাণের চাউল কয়দিন খামো বাহে, হামাক কাম করা নাগবার নয়। শহরত...বিস্তারিত
2017-08-27-07-31-33নিউজ ডেস্ক,বর্তমানকণ্ঠ ডটকম: থামেনি, প্রশাসনে উল্টো বেড়েছে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ। অন্যদিকে অনেকে যোগ্য হওয়ার পরও পাচ্ছেন না পদোন্নতি। প্রশাসনে বিপুলসংখ্যক কর্মকর্তাকে পদোন্নতির পরও নিচের পদে কাজ করতে হচ্ছে।চলতি মাসেই শুধু সচিব পর্যায়ে দুজন কর্মকর্তা চুক্তিতে নিয়োগ পেয়েছেন। এভাবে সরকারের আস্থাভাজন কর্মকর্তারা অবসরের পরও চাকরিতে ফিরছেন। এতে প্রশাসনের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে ও বিশৃঙ্খলা বাড়ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।বর্তমানে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরির বয়স ৫৯ বছর। আর মুক্তিযোদ্ধাদের অবসরের বয়স ৬০...বিস্তারিত
2017-07-07-06-33-12নিউজ ডেস্ক,বর্তমানকণ্ঠ ডটকম: রাজশাহী মহানগরসহ উপজেলাগুলোতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। গত ছয় মাসে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে টিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন ১৭৬ জন। গত বছর বছরের প্রথম ছয় মাসে যার সংখ্যা ছিল ১৫০ জন। রাজশাহীর গোলি থেকে রাজপথে থামানো যাচ্ছে না সড়ক দুর্ঘটনার মতো প্রাণহানিকর ঘটনাগুলো। প্রতি দিন জেলার কোথাও না কোথাও ঘটে যাচ্ছে ছোটবড় সড়ক দুর্ঘটনা। যার কারণে অকালে প্রাণ হারাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। পঙ্গুত্ববরণ করছেন বহু মানুষ। এদিকে, সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চালকদের সচেতন করার লক্ষ্যে...বিস্তারিত
এই পাতার আরো খবর -