সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৩:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
ওসমান হাদিকে নিয়ে সিঙ্গাপুরের পথে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স শান্তিরক্ষীদের ঘাঁটিতে সন্ত্রাসী হামলা, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬ শান্তিরক্ষী নিহত, আহত ৮- আইএসপিআর ওসমান হাদিকে গুলি, হামলাকারীদের সম্পর্কে যা জানা গেল ওসমান হাদি ‘লাইফ সাপোর্টে’, ব্রেইনে প্রচুর রক্তক্ষরণ: চিকিৎসক হাদিকে বহুবার ভারতীয় নম্বর থেকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল: ফারুকী হাদির অবস্থা আশঙ্কাজনক, চলছে অস্ত্রোপচার হাদির ওপর হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার স্বতন্ত্র প্রার্থী ওসমান হাদী গুলিবিদ্ধ, ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি ৪০ ফুট মাটির গর্তে পড়ে গেল শিশু, উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিস ধানের শীষকে জেতানোর বিকল্প নেই: তারেক রহমান

ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল নরসিংদীতে ফাটলের মাটির নমুনা সংগ্রহ

ডেস্ক রিপোর্ট | বর্তমানকণ্ঠ ডটকম: / ১৭ পাঠক
প্রকাশকাল শনিবার, ২২ নভেম্বর, ২০২৫

ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল নরসিংদীতে অধিকাংশ ভবন, সড়ক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলোতে ফাটল দেখা দিয়েছে। জনমনে আতঙ্ক কাটেনি এখনো। শনিবার সকাল থেকে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে ভূমিকম্পের ভয়াবহতার এমন চিত্র। বিভিন্ন ভবন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও দোকানপাটসহ সড়কগুলোতেও শক্তিশালী এই ভূমিকম্প ব্যাপক তাণ্ডব চালিয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভূমিকম্পে পলাশ রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজের প্রধান ফটকের সামনের রাস্তায় ফাটল দেখা দিয়েছে। কাছাকাছি লেবুপাড়া নামক স্থানে একটি গরুর খামারের মাঝামাঝির মাটি ফাঁকা হয়ে গেছে। ওই খামারটিতে শতাধিক গরু ছিল। তবে স্থানীয়রা বলছেন, দুটি প্রতিষ্ঠান ডোবাতে বালুমাটি ভরাট করে স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। এতে মাটিগুলো ডোবার দিকে হেলে রয়েছে। এর ফলে ফাটল হয়েছে।

শুক্রবার ঘটে যাওয়া ভয়াবহ ভূমিকম্পে নরসিংদীর ঘোড়াশালে বিভিন্ন স্থানে ফাটল ধরা মাটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালু করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগ। শনিবার সকালে ঘোড়াশাল পৌর এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত ঘোড়াশাল ডেইরি ফার্ম ও পলাশ রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজে ধসে পড়া মাটির নমুনা সংগ্রহে কাজ করেন ভূতত্ত্ব বিভাগের ৭ সদস্যের একটি টিম।

এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. আ.স.ম ওবায়দুল্লাহ জানান, প্রাথমিকভাবে তারা ফাটল ধরা মাটির নমুনা সংগ্রহ করছেন। এসব নমুনা সংগ্রহের পর তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে কী ধরনের ভূমিকম্প হয়েছে বা কতটুকু গভীরতা তা নিশ্চিত হওয়া যাবে।

অন্যদিকে জেলাব্যাপী ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করতে কাজ করছে জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন ইউনিট। আগামী তিন-চারদিনের মধ্যে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আবু তাহের মো. শামসুজ্জামান।

তবে পলাশ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) কাউছার আলম সরকার জানান, এরমধ্যে পলাশ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌর এলাকার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করতে কাজ করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত শতাধিক মাটির ঘর ও অর্ধশতাধিক সরকারি-বেসরকারি ভবন ফাটল ও ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। তবে এর পরিমাণ আরও বাড়বে বলেও জানান তিনি।

এছাড়া ভূমিকম্পের সময় পলাশ উপজেলা মারা যাওয়া দুইজনের পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা করে আর্থিক অনুদান দেওয়াসহ কয়েকজন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে সহযোগিতা করা হয়েছে।


এই ক্যাটাগরির আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর