নবীনগরে আমনে সেরা ব্রি ধান-১০৩
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে নমুনা শস্য কর্তন এবং মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে উপজেলার লাউরফতেহপুর বাড়িখলা গ্রামে পার্টনার প্রকল্পের আওতায় ব্রি ধান ১০৩ প্রদর্শনীর শস্য কর্তন এবং মাঠ দিবসে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক ড. মোস্তফা এমরান হোসেন।
কুমিল্লা ব্রি আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অফিসার ড. শিলা প্রামাণিকের সভাপতিত্বে নবীনগর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. জাহাঙ্গীর আলম লিটনের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নবীনগর প্রেসক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ হোসেন শান্তি, কুমিল্লা ব্রি ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মামুনুর রশীদ।
নবীনগর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. জাহাঙ্গীর আলম লিটন জানান, নতুন এ জাতটি চলতি আমন ২০২৫ মৌসুমে নবীনগর উপজেলায় বিভিন্ন ব্লকে এক একর করে মোট ৪০ একর জমিতে প্রদর্শনী স্থাপন করা হয়েছে। যার প্রতিটি জমির ধান ভালো হয়েছে এবং জমির ধান কর্তন চলমান রয়েছে। লাউর ফতেহপুরের কৃষকের জমিতে প্রায় এক একর জমিতে ব্রি ধান ১০৩ চাষ করেন এবং জমির ধান কর্তন সম্পন্ন করা হয়। যাতে ২০ বর্গমিটারে শুকনা (১৪ শতাংশ আর্দ্রতায়) ১২ কেজি ধান পাওয়া গিয়েছে অর্থাৎ হেক্টর প্রতি ফলন ৬.১ টন/হেক্টর অর্থাৎ বিঘা প্রতি ২০.৫ মণ। এই ফলনে প্রদর্শনী কৃষকসহ সকলে খুব খুশি এবং পরবর্তী মওসুমে ব্রি ধান ১০৩ চাষে খুব আগ্রহ প্রকাশ করেন।
প্রধান অতিথি ড. মোস্তফা এমরান হোসেন জানান, আমন মৌসুমে এখন পর্যন্ত সেরা জাত ব্রি ধান ১০৩। উৎপাদন যেমন বেশি, চালের মানও অনেক ভালো। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা জুড়ে এই জাতের আবাদি জমি বাড়ছে।
মাঠ দিবসে নবীনগর সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার শাহআলম মজুমদার, উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার পরিমল চন্দ্র দত্ত, উপ-সহকারী কৃষি অফিসার ও শতাধিক কৃষক উপস্থিত ছিলেন।
নবীনগর উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে বিভিন্ন কর্মসূচির আওতায় ৬৫ হেক্টর জমিতে ব্রি ধান আবাদ হয়েছে। আগামী মৌসুমে ৫০০ হেক্টর আবাদের লক্ষ্যমাত্রার জন্য কৃষক পর্যায়ে বীজ রাখা হবে।







