শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫, ০২:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৭ প্রস্তাব দিলেন প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনে অংশগ্রহণ ও সফলতার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে সংস্কার: নাহিদ রোহিঙ্গা সমস্যার উৎপত্তি ও সমাধান মিয়ানমারে: প্রধান উপদেষ্টা দেশ সংস্কার কোনো নির্দিষ্ট দায়িত্ব নয়, এটা প্রকৃতির মতোই চলবে : ড. আব্দুল মঈন খান ডা. নারায়ণ হত্যায় ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৪ জনের আমৃত্যু কারাদণ্ড বারনামাকে ড. ইউনূস জনগণ কী চায়, সেটাই বাস্তবায়নের চেষ্টা করি নির্বাচনে অংশ নেব না, সংস্কারই অগ্রাধিকার: ড. ইউনূস অতিরিক্ত আইজি হলেন পুলিশের ৭ কর্মকর্তা নির্বাচনে ৮০ হাজারের বেশি সেনা সদস্য মোতায়েন থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপেদষ্টা মতভেদ থাকলেও জাতীয় স্বার্থে সকলের ঐক্যবদ্ধ থাকা প্রয়োজন: তারেক রহমান

সাভারে ইয়ামিন হত্যা: অভিযুক্ত এএসআই গ্রে/ফ/তা/র

ডেস্ক রিপোর্ট | বর্তমানকণ্ঠ ডটকম: / ৮৬ পাঠক
প্রকাশকাল সোমবার, ৪ আগস্ট, ২০২৫

সাভারে ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলার সময় শিক্ষার্থী শাইখ আসহাবুল ইয়ামিনের মরদেহ পুলিশের এপিসির ওপর থেকে ফেলে দেওয়ার ঘটনায় মোহাম্মদ আলী নামে পুলিশের এক সহকারী উপ-পরিদর্শককে (এএসআই) গ্রে/ফ/তা/র করা হয়েছে।
রোববার (৩ আগস্ট) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান।

গ্রেফতারকৃত এএসআই মোহাম্মদ আলী কিশোরগঞ্জ জেলার সদর থানার কালাইহাতি গ্রামের মৃত মুনসুর আলী ও নাজমা আক্তারের ছেলে। শাইখ আসহাবুল ইয়ামিন মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (এমআইএসটি) কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র ছিলেন।

পুলিশ জানায়, সাভার মডেল থানার মামলায় এবং আন্তজার্তিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের আইসিটি মামলার গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি এএসআই মোহাম্মদ আলী (৩১) দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে রোববার সকালে নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ থানার মুরাপাড়া এলাকা থেকে আসামি এএসআই মোহাম্মদ আলীকে গ্রেফতার করা হয়। সাভার মডেল থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতারের পর ঢাকায় নিয়ে আসে।

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই সাভারে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ইয়ামিন শহিদ হন। ঐ সময় পুলিশের সাঁজোয়া যান এপিসি থেকে তাকে টেনে নিচে ফেলে দেওয়ার ভিডিও তখনই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।

ভিডিওতে দেখা যায়, সাঁজোয়া যানের ওপর থেকে ইয়ামিনকে টেনে নিচে ফেলা হয়। এরপর পুলিশের এক সদস্য সাঁজোয়া যান থেকে নেমে ইয়ামিনের এক হাত ধরে তাকে টেনে আরেকটু দূরে সড়কে ফেলে রাখেন। পরে কয়েকজন পুলিশ সদস্য তাকে টেনে সড়ক বিভাজকের ওপর দিয়ে ঠেলে অপর পাশে ফেলে দেন।


এই ক্যাটাগরির আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর