শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪, ০৬:৩৯ অপরাহ্ন

শিরোনাম-
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত আরও ৩৮ ফিলিস্তিনি জেলেনস্কির হোমটাউনে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত ৯ বিমান দুর্ঘটনায় ভাইস প্রেসিডেন্ট নিহত: মালাবিতে ২১ দিনের শোক সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান হত্যা: বিচারের দাবীতে টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে মহাসড়ক অবরোধ মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার অস্থিরতাকারীদের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি নাগরিক সমস্যা সমাধানে সরকার ও নাগরিকের অংশীদারিত্ব প্রয়োজন: তথ্য প্রতিমন্ত্রী বিনা কর্তনে সেন্সর ছাড়পত্র পেল ‘মুনাফিক’ আমাদের দিয়ে রান্না করাতো জলদস্যুরা, খেয়ে ফেলতো সবই যাতায়াতের দুর্ঘটনায় ক্ষতিপূরণ পাবে পোশাক শ্রমিকরা আলোচিত সংগীতশিল্পীসহ নিহত ২, পালিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি বাসচালকের

আমাদের দিয়ে রান্না করাতো জলদস্যুরা, খেয়ে ফেলতো সবই

বর্তমানকণ্ঠ ডটকম / ১৭ পাঠক
শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪, ০৬:৩৯ অপরাহ্ন

জলদস্যুরা জাহাজে দুম্বা নিয়ে এসেছিল, তারা আমাদের দিয়ে দুম্বা জবাই করিয়েছে। আমরা রান্না করতাম, কিন্তু তারা সবটুকু খেয়ে ফেলত। আবার আমাদের মজুত থাকা খাবারেও ভাগ বসাত। মঙ্গলবার বিকেলে এভাবেই নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানান জাহাজের নাবিক অয়েলার আইনুল হক অভি।

সোমালিয়ান জলদস্যুদের কবলে পড়া ‘এমভি আবদুল্লাহ’ জাহাজের নাবিকরা দেশে ফেরার পর জানিয়েছেন তাদের অভিজ্ঞতার কথা। ভয় আর দুশ্চিন্তায় প্রতিটি সময় কাটানো, ঈদ উদযাপন, জলদস্যুদের কাজ করে দেয়া, ঠিকমতো ঘুমাতে না পারাসহ বিভিন্ন সংকট আর অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন তারা।

জাহাজের নাবিক অয়েলার আইনুল হক অভি গণমাধ্যমকে বলেন- সোমালিয়ান জলদস্যুদের কবলে পড়ার পর এক ভিন্ন অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। আমরা ফ্লোরে ঘুমাতাম। মশা-মাছি থাকার কারণে রাতে ঠিকমতো ঘুম হতো না। জাহাজে সাধারণত কয়েক মাসের খাবার মজুত থাকে। জলদস্যুরা আমাদের ওই খাবারও খেয়েছে।

চিফ কুক শফিকুল ইসলাম বলেন, আমাদের জাহাজ জলদস্যুদের কবলে পড়ার খবর জানার পর আমার পরিবারের সদস্যরা খুবই কষ্ট পেয়েছে। তবে জলদস্যুরা আমাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেননি। ঈদের দিন নামাজ পড়েছিলাম। তখন পরিবারের কথা খুব মনে পড়েছিল। এর চেয়ে আর বেশি কিছু বলতে চাই না। বলতে গেলে কান্না চলে আসবে।

ওএস পদের নাজমুল হক বলেন, জলদস্যুরা আমাদের কোনো ধরনের ক্ষতি করেনি, খারাপ আচরণ করেনি। তবে সব সময় অস্ত্রের মুখে জিম্মি ছিলাম। জলদস্যুদের কাছে আমরা ৩৩ দিন জিম্মি ছিলাম। এই ৩৩ দিনকে ৩৩ বছরের মতো মনে হয়েছে। অনেক কষ্টে আমাদের সময় কেটেছে। অস্ত্রের মুখে ঈদের নামাজ পড়েছিলাম। এখন পরিবারের সবাইকে দেখে চোখে আনন্দের অশ্রু চলে এসেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *