শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ০৫:৩১ পূর্বাহ্ন

কাজ না করলে ডোর টু ডোর শ্রমিকদের নিয়োগ বাতিল -চসিক প্রশাসক

বর্তমানকন্ঠ ডটকম, চট্টগ্রাম।  / ৩৭ পাঠক
শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ০৫:৩১ পূর্বাহ্ন

চট্টগ্রাম, ২৫ কার্তিক (১০ নভেম্বর) : চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন বলেছেন, ডোর টু ডোর শ্রমিকদের বেতন খাতে সিটি কর্পোরেশনের মাসে ২ কোটি ৪০ লাখ টাকা ব্যয় হয়। এরপরও ময়লা-আবর্জনা পরিস্কার হচ্ছেনা বলে নগরবাসী প্রায় অভিযোগ করে থাকেন। এ ধরণের অভিযোগ কাম্য হতে পারে না। নগরীতে ডোর টু ডোর ময়লা-আবর্জনা পরিস্কার কাজে নিয়োজিত শ্রমিকরা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন না করলে তাদের নিয়োগ বাতিল করা হবে।

তিনি আজ সকালে নগরীর আন্দরকিল্লাস্থ পুরাতন নগর ভবনে তাঁর দপ্তরে নগরবাসীর সাথে গণস্বাক্ষাতকালে লালখান বাজার ওয়ার্ডের এক অধিবাসীর অভিযোগের জবাবে এসব কথা বলেন।

প্রশাসকের স্বাক্ষাতপ্রার্থীদের মধ্যে শিক্ষক, মুত্যবরণকারী কর্পোরেশনের কর্মচারীর পরিবারের সদস্য, সমাজসেবক, রাজনীতিক, কর্পোরেশনের ঠিকাদার, পরিবহন মালিক, দোকান মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ ছিলেন।

লালখান বাজারের এক অভিযোগকারী লালখান বাজার পোড়া কলোনী এলাকায় নালার আবর্জনা তুলে যত্র-তত্র দীর্ঘ সময় উন্মুক্তভাবে ফেলে রাখা হয় বলে প্রশাসককে জানান। প্রশাসক অভিযোগ পেয়ে তাৎক্ষণিক ওই এলাকার সব ময়লা-আবর্জনা পরিস্কার করতে অতিরিক্ত প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন।

নগরীর ফকিরহাট দোকান মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ ট্রেড লাইসেন্স প্রদান প্রক্রিয়া সহজ করতে প্রশাসককে অনুরোধ করলে তিনি ১ দিনের মধ্যে তা ব্যবস্থা করতে প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তাকে বলবেন বলে ব্যবসায়ী নেতাদের আশ্বস্ত করেন। নগরের মুরাদপুর ২ নম্বর গেটের মোড়ে সড়কের আইল্যান্ড ভেঙে যাওয়ায় পরিবহন মালিকরা তা মেরামতে প্রশাসকের দৃষ্টি কামনা করলে প্রশাসক তা সমাধানের আশ^াষ দেন। তিনি নগরীতে ফিটনেসবিহীন বাস ও অন্যান্য গাড়ি চলাচল বন্ধে পরিবহন মালিকদের সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি বলেন, ফিটনেসবিহীন গাড়ি অনেক সময় বেপরোয়া গতিতে আইল্যান্ডের ওপর উঠে যায়। এতে আইল্যান্ড ভেঙে যায়। গণপরিবহন ও শহর এলাকার বাসগুলোতে কর্মজীবী নারীরা যাতে যৌন হয়রানির শিকার না হয় এবং নিরাপদে চলাচল করতে পারে সে ব্যাপারে তিনি পরিবহন মালিকদের আরো তদারকি কামনা করেন।

এসময় ১৮নং পূর্ব বাকলিয়া ওয়ার্ডের প্রবীণ রাজনীতিবিদ আওয়ামী লীগ নেতা আজিজুর রহমান তাঁর ওয়ার্ডে চসিকের নিমাণাধীন রাস্তা অনেক স্থানে প্রশস্থতা কমে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন। এ সময় তিনি রাস্তাটি সবখানে একই প্রসস্থে রাখার ব্যাপারে প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। প্রশাসক তাঁর বক্তব্য শুনে বলেন, যেসব ওয়ার্ডে চসিকের রাস্তা নির্মাণের কাজ চলমান আছে, সেসব ওয়ার্ডে বৃহত্তর স্বার্থে এলাকাবাসীকে নিজের জায়গা ছেড়ে দিয়ে রাস্তা বড় করার সুযোগ দিতে হবে। কেননা কর্পোরেশনের একার পক্ষে সব রাস্তা বড় করা সম্ভব হবেনা। তিনি চসিকের নির্বাহী প্রকৌশলীকে পূর্ব বাকলিয়া ওয়ার্ডের চলমান সড়কটির নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করে তাঁকে বিস্তারিত জানাতে বলেন।

সাক্ষাতকালে কয়েকজন মৃত কর্মচারীর পরিবারের সদস্যদের নিকট থেকে কর্মচারীর আনুতোষিকসহ অন্যান্য দাবির বিষয় শুনে নিয়মমাফিক দ্রুত এসব দাবি পরিশোধ করার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট বিভাগকে নির্দেশ দেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *