শনিবার, ১৮ মে ২০২৪, ০৫:০২ অপরাহ্ন

চাঁদপুরে করোনা মুক্ত হয়ে বাড়ী ফিরেছেন ১০ রোগী : সুস্থ হওয়ার পথে ৫জন

বর্তমানকণ্ঠ ডটকম / ৪৩ পাঠক
শনিবার, ১৮ মে ২০২৪, ০৫:০২ অপরাহ্ন

এ কে আজাদ, ব্যুরো প্রধান, বর্তমানকন্ঠ ডটকম, চাঁদপুর : চাঁদপুরের করোনা পরিস্থিতি তুলনামূলক উন্নতির দিকে। করোনা টেস্ট বাড়লেও নতুন শনাক্তের হার অনেক কম। আগে সনাক্তকৃতরাও ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন। সর্বশেষ শনিবার একযোগে ৭০জনের রিপোর্ট করোনা নেগেটিভ পাওয়া গেছে। চিকিৎসকরা একে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।

চাঁদপুর জেলায় গত ৮ এপ্রিল প্রথম করোনা পজেটিভ রোগী শনাক্ত হয়েছিল। তারপর একে একে ১৭জন করোনায় আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ২জন উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়ার পর নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার পর জানা যায় তারা করোনায় আক্রান্ত ছিলেন। মূলত চাঁদপুরে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার সংখ্যা সেই ২জন’ই।

আক্রান্ত বাকী ১৫জনের মধ্যে শনিবার দুপুর পর্যন্ত মোট ১০জন সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরেছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চাঁদপুরের জেলা সিভিল সার্জন ডা. সাখাওয়াত উল্ল্যাহ। তিনি জানান, আক্রান্তদের মধ্যে ইতিমধ্যে ৭জন সুস্থ হয়েছেন। শনিবার আরো ৩জন সুস্থ হয়ে বাড়ি যাওয়ার ছাড়পত্র পেলেন। আরো ৫জন রোগী এখনো চিকিৎসাধীন। কারো অবস্থাই গুরুতর নয় বলে জানান সিভিল সার্জন।

তিনি আরো জানান, বর্তমানে জেলার ৫জন করোনা রোগীর মধ্যে ২জন চাঁদপুর সরকারি জেনারেল (সদর) হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে চিকিৎসা নিচ্ছেন। আর বাকী ৩জন নিজ বাড়িতে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তাদের সবার অবস্থা স্থিতিশীল।

চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের আরএমও ও করোনা বিষয়ক ফোকালপার্সন ডা. সুজাউদ্দৌলা রুবেল জানান, এ পর্যন্ত জেলায় ১৭জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। ফরিদগঞ্জের ৪জনের মধ্যে এক কিশোরী মারা গেছেন, অন্য ৩জনের ২জন সুস্থ হয়েছেন। আরো ১জন হাসপাতালের আইসোলেশনে ভর্তি আছেন।

চাঁদপুর সদর উপজেলায় মোট ৭জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ১জন মৃত্যুবরণ করেন আর ৫জন রোগী সুস্থ হয়েছেন। বাকি ১জন বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তিনিও সুস্থ হওয়ার পথে।

মতলব উত্তর উপজেলায় ৩জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ৩জন সুস্থ হয়ে বাড়িতে ফিরেছেন। মূলত এই উপজেলায় প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। করোনা থেকে মুক্তির ঘটনাও এখান থেকেই শুরু।

হাইমচরে ১জন শনাক্ত হয়েছেন। তার প্রথম রিপোর্ট করোনা পজেটিভ আসলেও দ্বিতীয়টি এসেছে নেগেটিভ। সে এখন চাঁদপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে। তার আরেকটি রিপোর্ট নেগেটিভ আসলে তাকেও ছেড়ে দেওয়া হবে।

হাজীগঞ্জ উপজেলায় রোগী শনাক্ত হয়েছেন ২জন। ২জন’ই বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এর মধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাও রয়েছেন। তবে মতলব দক্ষিণ, শাহরাস্তি ও কচুয়া উপজেলায় এখন পর্যন্ত কোনো করোনা রোগী শনাক্ত হয়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *