1. azadkalam884@gmail.com : A K Azad : A K Azad
  2. bartamankantho@gmail.com : বর্তমানকণ্ঠ ডটকম : বর্তমানকণ্ঠ ডটকম
  3. cmisagor@gmail.com : বর্তমানকণ্ঠ ডটকম : বর্তমানকণ্ঠ ডটকম
  4. hasantamim2020@gmail.com : হাসান তামিম : হাসান তামিম
  5. khandakarshahin@gmail.com : Khandaker Shahin : Khandaker Shahin
মঙ্গলবার, ০৫ জুলাই ২০২২, ০৪:৩০ পূর্বাহ্ন
১০ বছরে বর্তমানকণ্ঠ-
১০ বছর পদার্পণ উপলক্ষে বর্তমানকণ্ঠ পরিবারের পক্ষ থেকে সবাইকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা....

ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে: শামীম

বর্তমানকণ্ঠ ডটকম
  • প্রকাশিত : সোমবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

নিউজ ডেস্ক | বর্তমানকণ্ঠ ডটকম: নদী ভাঙ্গন ও বন্যা কবলিত ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে জানিয়েছেন পানি সম্পদ উপ-মন্ত্রী একেএম এনামুল হক।

সোমবার (০২ সেপ্টেম্বর) টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে বংশাই নদী ভাঙ্গন ও বুধিরপাড়া-কেশবপুর স্লোপ প্রতিরক্ষামূলক কাজ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসকল কথা বলেন।

মন্ত্রী আরো বলেন, বন্যা কবলিত এলাকায় ১১৫ কোটি টাকার ডিপিপি প্রকল্প প্রণয়ন করা হয়েছে। সারাদেশের ঝুকিপূর্ণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করে আগাম ব্যবস্থা নেয়ার ফলে এবার গত বছরগুলোর চেয়ে নদীভাঙ্গনের ভয়াবহতা কমেছে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অবৈধভাবে নদী থেকে বালু উত্তোলনকারীদের কাউকেই ছাড় দেয়া হবেনা। সারাদেশে সরকার ৬৫০ টি এলাকাকে বন্যা কবলিত এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করেছে যার মধ্যে ৬৫টি অধিক ঝুঁকি সম্পন্ন বলে জানান তিনি।

সে সময় অন্যান্যের উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল-৭ মির্জাপুর আসনের এমপি মোঃ একাব্বর হোসেন, টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক মোঃ শহীদুল ইসলাম, পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায়, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মীর এনায়েত হোসেন মন্টু, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আবদুল মালেক, সহকারি কমিশনার (ভূমি) মঈনুল হক, সহকারী পুলিশ সুপার মির্জাপুর সার্কেল দিপঙ্কর ঘোষ, থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ সায়েদুর রহমান, উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক মীর শরীফ মাহমুদ, টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ সদস্য সাইদুর রহমান খান বাবুল, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আজহারুল ইসলাম, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মীর্জা শামীমা আক্তার শিফা, বিআরডিবির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জহিরুল হক, ভাইস চেয়ারম্যান আবিদ হোসেন শান্ত, লতিফপুর ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন, ফতেপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রউফ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য বিগত সময়ে বংশাই নদীতে ব্যাপক ভাঙ্গনের কবলে পড়ে বেশ কিছু গুরত্বপূর্ণ স্থাপনা, হাট- বাজার, রাস্তাঘাট ও বসতবাড়ী বিলীনসহ হুমকীর মুখে পড়ে যায়।

বিশেষ করে পৌর সদরের ৪ নং ওয়ার্ডেও বেশ কয়েকটি জায়গায় ভাঙ্গনের কবলে পড়ে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে প্রায় ৫০-৬০ টি বসত বাড়ী।

এছাড়াও উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নে বেশ কিছু বাড়ী নদাগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে, ব্রীজ-কালভার্ট ভেঙ্গে গেছে, নদী গর্ভে চলে গেছে ফতেপুর বাজারের বেশ কয়েকটি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান, কয়েক কিলোমিটার গ্রামীন রাস্তা।




এই পাতার আরো খবর

















Bartaman Kantho © All rights reserved 2020 | Developed By
Theme Customized BY WooHostBD