বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ০৭:৫৪ অপরাহ্ন

শিরোনাম-
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত আরও ৩৮ ফিলিস্তিনি জেলেনস্কির হোমটাউনে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত ৯ বিমান দুর্ঘটনায় ভাইস প্রেসিডেন্ট নিহত: মালাবিতে ২১ দিনের শোক সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান হত্যা: বিচারের দাবীতে টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে মহাসড়ক অবরোধ মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার অস্থিরতাকারীদের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি নাগরিক সমস্যা সমাধানে সরকার ও নাগরিকের অংশীদারিত্ব প্রয়োজন: তথ্য প্রতিমন্ত্রী বিনা কর্তনে সেন্সর ছাড়পত্র পেল ‘মুনাফিক’ আমাদের দিয়ে রান্না করাতো জলদস্যুরা, খেয়ে ফেলতো সবই যাতায়াতের দুর্ঘটনায় ক্ষতিপূরণ পাবে পোশাক শ্রমিকরা আলোচিত সংগীতশিল্পীসহ নিহত ২, পালিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি বাসচালকের

তারেক-বাবরসহ ৪৯ জনের মৃত্যুদণ্ড চেয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ

বর্তমানকণ্ঠ ডটকম / ৫১ পাঠক
বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ০৭:৫৪ অপরাহ্ন

নিউজ ডেস্ক,বর্তমানকণ্ঠ ডটকম,সোমবার,০১ জানুয়ারী, ২০১৮ : ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলাসংক্রান্ত মামলায় তারেক রহমান, লুৎফুজ্জামান বাবর, আবদুস সালাম পিন্টুসহ ৪৯ জন আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দাবি করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। সোমবার রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌঁসুলি সৈয়দ রেজাউর রহমান যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করে এ শাস্তি দাবি করেন।

গত ২৭ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপক্ষ ২৪৫ জনের সাক্ষ্য পর্যবেক্ষণ করে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করেছিল। আজ ১ জানুয়ারি (২০১৮) রাষ্ট্রপক্ষে আইনগত যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করে। মঙ্গলবার (২ জানুয়ারি) পলাতক আসামিদের পক্ষে রাষ্ট্র নিয়োজিত আইনজীবীরা যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করবেন। এর পরেই আসামি পক্ষের আইনজীবীরা যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করবেন।

প্রধান কোঁসুলি যুক্তিতর্কে বলেন, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগ আয়োজিত সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে গ্রেনেড হামলার আসামিদের অভিন্ন উদ্দেশ্য ছিল শেখ হাসিনাকে হত্যা করা। আওয়ামী লীগকে নেতৃত্ব শূন্য করে, দেশকে অস্থিতিশীল ও জঙ্গিরাষ্ট্রে পরিণত করতে পরিকল্পিতভাবে ওই হামলা পরিচালিত হয়। তিনি এ মামলার এজাহার, বিভিন্ন কর্মকর্তার তদন্ত, বিভিন্ন আলামত নষ্ট করার ঘটনা, আসামিদের নির্বিঘ্নে পালিয়ে যেতে সহায়তা, স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিসমূহ পর্যালোচনা করে যুক্তি পেশ করেন। ঘটনা ঘটার সময় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকার বিষয়ে জড়িত কর্মকর্তাদের ভূমিকা যুক্তিতর্কে তুলে ধরেন। ২১ আগস্ট ঘটনার পূর্বে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের সভা, সভাস্থল, জড়িতদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য-প্রমাণ সাক্ষ্যের আলোকে যুক্তিতর্কে তুলে ধরেন।

বিএনপি-জামায়াতের জোট সরকারের আমলে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের এক সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে। ওই নৃশংস হামলায় ২২ জন নিহত ও নেতকর্মী-আইনজীবী-সাংবাদিকসহ পাঁচ শতাধিক লোক আহত হয়। নিহতদের মধ্যে ছিলেন তৎকালীন মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের পত্নী আইভি রহমান। তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেতা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের প্রথম সারির অন্যান্য নেতা এই গ্রেনেড হামলা থেকে বেঁচে যান। এতে অল্পের জন্য শেখ হাসিনা প্রাণে বেঁচে গেলেও গ্রেনেডের প্রচণ্ড শব্দে তার শ্রবণশক্তিতে আঘাতপ্রাপ্ত হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *