শনিবার, ১৮ মে ২০২৪, ০৩:৩২ অপরাহ্ন

পলাশবাড়ীতে পাটচাষীদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণে ব্যাপক অনিয়ম

বর্তমানকণ্ঠ ডটকম / ৪৫ পাঠক
শনিবার, ১৮ মে ২০২৪, ০৩:৩২ অপরাহ্ন

সিরাজুল ইসলাম রতন, বর্তমানকন্ঠ ডটকম, গাইবান্ধা : গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলায় এসময়ে পাটের বড় হাটবাজার লাগতো। ছিলো বড় ছোট কোম্পানির পাটের এজেন্ট ও ব্যবসায়ী। বর্তমান সময়ে পাট চাষে উপজেলায় ধস নেমেছে পাটের চাষবাদ নেই বললেই চলে। আর উপজেলায় পাট চাষ আগের মতো না হওয়ায় বন্ধ হয়ে গেছে উপজেলার বড় বড় পাটের গুদাম গুলো ।পাটের সেই সোনালী দিন আজ নতুন প্রজন্মের কাছে বুড়ি মার ঝুলির মতো গল্প।

আর সেই পুরানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে ও পাট চাষাবাদ বাড়ানোর জন্য বর্তমান সরকার যখন প্রকৃত পাট চাষিদের তালিকা করে বীজ ও সার বিতরণের সিদ্ধান্ত গ্রহন করে।সরকারের এই সিদ্ধান্তকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে পাট বিজ ও সার বিতরনে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির আশ্রয় গ্রহন করেছেন দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কতিপয় রাজনীতিক নেতা ও নেত্রী।প্রকৃত পাট চাষীর বদলে সরকারের এসব প্রনোদনা বীজ ও সার বিতরন করা হয়েছে কতিপয় নেতা নেত্রীদের মাঝে।

অনেকে এসব সার ও বীজ মোটা অংকের অর্থেও বিনিময়ে বাজার জাত করেছেন বলে অভিযোগ ওঠেছে।পলাশবাড়ী উপজেলা সহকারি পাট কর্মকর্তা অফিস ঘুড়ে পাওয়া যায় বাস্তব চিত্র। এক কৃষক ৫ হতে ৩০ জনের নামে বরাদ্দকৃত সার একাই তুলছেন।জনৈক্য মহিলা নেত্রী ৩০ হাজার টাকার সার একাই উত্তোলন করেছেন বলে যানাযায়।শুধু তাই নয় জনৈক্য এক নেতাকে ১৩ বস্তা সার উত্তোলন করতে দেখা যায়।

উপজেলা পাট কর্মকর্তা খোকন সরেন বলেন,গত ৩ জুন হতে তালিকাভুক্ত চাষিদের মাঝে বিতরণ করা হচ্ছে।জন প্রতি কৃষেক নামে ৬ কেজি ইউরিয়া, টিএসপি ৩ কেজি, এমওপি ৩ কেজি সহ মোট সার ১২ কেজি করে বিতরন করা হয়েছে।তিনি আরো জানান এর আগে উপজেলার ২ হাজার কৃষকের মাঝে ১ কেজি করে পাঠ বীজ বিতরন করা হয়েছে। তবে এসব কৃষকের তালিকা চাইলে তিনি তা দেখাতে পারেনি।

এদিকে একজন কৃষক একাধিক কৃষকের সারের স্লিপ নিয়ে ১৫০ টাকা দরে খোলা বাজারে বিক্রি করছেন বলে নির্ভর যোগ্য সুত্রে জানা যায়।

তবে এসব সার বিক্রি ও অনিময়ের বিষয়টি অস্বীকার করে সহকারি পাট কর্মকর্তা খোকন সরেন বলেন, উপজেলায় কর্মরত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের দেওয়া তালিকা অনুযায়ী সার ও বিজ বিতরণ করা হচ্ছে। করোনার কারণে কয়েকজন কৃষকের বরাদ্দ একজন কে দেওয়া হচ্ছে।

এবিষয়ে গাইবান্ধা জেলার মুখ্য পাট পরিদর্শক মকবুল হোসেন জানান,সার বিজ বিতরণে এক কৃষকের সার বিজ অন্য কৃষকে দেওয়ার সুযোগ নাই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *