মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪, ০৪:০১ অপরাহ্ন

শিরোনাম-
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত আরও ৩৮ ফিলিস্তিনি জেলেনস্কির হোমটাউনে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত ৯ বিমান দুর্ঘটনায় ভাইস প্রেসিডেন্ট নিহত: মালাবিতে ২১ দিনের শোক সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান হত্যা: বিচারের দাবীতে টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে মহাসড়ক অবরোধ মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার অস্থিরতাকারীদের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি নাগরিক সমস্যা সমাধানে সরকার ও নাগরিকের অংশীদারিত্ব প্রয়োজন: তথ্য প্রতিমন্ত্রী বিনা কর্তনে সেন্সর ছাড়পত্র পেল ‘মুনাফিক’ আমাদের দিয়ে রান্না করাতো জলদস্যুরা, খেয়ে ফেলতো সবই যাতায়াতের দুর্ঘটনায় ক্ষতিপূরণ পাবে পোশাক শ্রমিকরা আলোচিত সংগীতশিল্পীসহ নিহত ২, পালিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি বাসচালকের

বৃষ্টিতে ময়মনসিংহ শহর রক্ষা বাঁধে ভাঙন

বর্তমানকণ্ঠ ডটকম / ৩৭ পাঠক
মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪, ০৪:০১ অপরাহ্ন

ময়মনসিংহ,বর্তমানকণ্ঠ ডটকম,বৃহস্পতিবার, ২৪ মে ২০১৮: কয়েক দিনের হালকা বৃষ্টিতেই ব্রহ্মপুত্র নদ তীরবর্তী ময়মনসিংহ শহররক্ষা বাঁধের তিনটি স্থানে ভাঙন শুরু হয়েছে। ঝুঁকিতের রয়েছে বাঁধের বেশ কিছু স্থান। এখনই মেরামতের যথাযথ উদ্যোগ না নিলে ভারী বর্ষায় বাঁধ ভেঙে শহর প্লাবিত হয়ে বড় ধরনের বিপর্যয় হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

এদিকে, বাঁধ মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে ময়মনসিংহ পৌরসভা ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) মধ্যে ঠেলাঠেলি চলছে। পরস্পরকে দোষারোপে লিপ্ত হয়েছে দুই কর্তৃপক্ষ। তবে এরই মধ্যে বাঁধের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ মেরামতে পৌরসভা উদ্যোগী হলেও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি পাঠিয়ে চুপ করে বসে আছেন পাউবোর স্থানীয় কর্মকর্তা।

ময়মনসিংহের পাশ দিয়ে প্রবাহিত ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে পাউবো ময়মনসিংহ শহর ও নদীতীর সংরক্ষণ কাজের আওতায় ১৯৯৮ সালে শহররক্ষা বাঁধের কাজ শুরু করে। বিভিন্ন ধাপে ৮ দশমিক শূন্য ৮ কিলোমিটার বাঁধের কাজ শেষ হয় ২০১০ সালে। কিন্তু নির্মাণে ত্রুটিপূর্ণ নকশা, নির্মাণের পর সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের অভাব, পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে বাঁধের বিভিন্ন স্থানে ফাটল ও ভাঙন দেখা দেয়। এ বছরও হালকা বৃষ্টিতে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালার পশ্চিম তীর, সার্কিট হাউস-সংলগ্ন তীর ও বুড়াপীর মাজারের সামনে শহররক্ষা বাঁধের তিন স্থানে ৩০ মিটার জায়গায় ভাঙন শুরু হয়েছে।

পৌরসভার পক্ষ থেকে বালির বস্তা ফেলে সাময়িকভাবে বাঁধ রক্ষার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে স্থায়ী ব্যবস্থা না নিলে বর্ষকালে বাঁধ ভেঙে শহর প্লাবিত হয়ে বড় ধরনের বিপর্যয় হতে পারে বলে স্থানীয় বাসিন্দারা আশঙ্কা করছেন। শিগগিরই বাঁধ মেরামতের দাবি জানিয়েছেন তারা।

পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় বর্ষাকালে শহররক্ষা বাঁধের ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়। এতে বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বৃষ্টির পানি যথাযথভাবে নিস্কাশন না হওয়ায় প্রতিবছর ভাঙনের কবলে পড়ে এই বাঁধ। এ অবস্থায় বৃষ্টি পানি দ্রুত নামানোর ব্যবস্থা নেওয়া অপরিহার্য হয়ে পড়েছে বলে মনে করেন স্থানীয়রা।

এ ব্যাপারে পাউবোর ময়মনসিংহ কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী জানান, বাঁধের পাশ দিয়ে ব্র‏হ্মপুত্র নদে পানি নিস্কাশনের জন্য ড্রেনেজ ব্যবস্থা নেই। এ কারণেই প্রতি বর্ষায় বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর বিষয়টি পৌরসভা ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ অবহিত করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, একটি প্রকল্পের তিন বছর পর্যন্ত রক্ষাণবেক্ষণের ব্যয় বরাদ্দ থাকে। পরে রাজস্ব খাতের অর্থ বরাদ্দ সাপেক্ষে মেরামত কাজ সম্পন্ন করা হয়।

ময়মনসিংহ শহররক্ষা বাঁধের সমস্যা সম্পর্কে পৌরসভার মেয়র ইকরামুল টিটু বলেন, শহর রক্ষা বাঁধ পাউবোর নকশা অনুযায়ী নির্মিত হয়েছে। তাদের দুর্বল ডিজাইন ও নির্মাণ ত্রুটির কারণে প্রতি বর্ষায় বাঁধে ভাঙন দেখা দেয়। এ ব্যাপারে বিভিন্ন সময় পনি উন্নয়ন বোর্ডকে চিঠির মাধ্যমে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। তবে এ বছর বৃষ্টিতে শহররক্ষা বাঁধে ভাঙন দেখা দেওয়ায় পৌর কর্তৃপক্ষ বালির বস্তা দিয়ে সাময়িকভাবে তা মেরামতের উদ্যোগ নিয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *