1. azadkalam884@gmail.com : A K Azad : A K Azad
  2. bartamankantho@gmail.com : বর্তমানকণ্ঠ ডটকম : বর্তমানকণ্ঠ ডটকম
  3. cmisagor@gmail.com : বর্তমানকণ্ঠ ডটকম : বর্তমানকণ্ঠ ডটকম
  4. hasantamim2020@gmail.com : হাসান তামিম : হাসান তামিম
  5. khandakarshahin@gmail.com : Khandaker Shahin : Khandaker Shahin
বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৪:৪৭ অপরাহ্ন
১০ বছরে বর্তমানকণ্ঠ-
১০ বছর পদার্পণ উপলক্ষে বর্তমানকণ্ঠ পরিবারের পক্ষ থেকে সবাইকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা....

সাংবাদিক ‘হত্যা করে’ আত্মহত্যার হুমকি ডিআইজি মিজানের

বর্তমানকণ্ঠ ডটকম
  • প্রকাশিত : বুধবার, ১০ জানুয়ারি, ২০১৮

নিউজ ডেস্ক,বর্তমানকণ্ঠ ডটকম,বুধবার, ১০ জানুয়ারী, ২০১৮: এবার সাংবাদিকসহ ভুক্তভোগী নারীকে হত্যার পর আত্মহত্যার হুমকি দিলেন পুলিশ সদর দপ্তরে প্রত্যাহার হওয়া ডিএমপির ডিআইজি মিজানুর রহমান। মঙ্গলবার দেয়া হত্যার হুমকির ভয়েস রেকর্ড আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে এসেছে। এতে চরম নিরাপত্তাহহীনতায় রয়েছে সাংবাদিক ও ভুক্তভোগীরা।

ডিআইজি মিজানের নারী কেলেঙ্কারী ঘটনা পুলিশ সপ্তাহ শুরুর আগে গণমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ায় পুরো পুলিশ বাহিনী এবং সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে অস্বস্তি দেখা দিয়েছে। তাকে নিয়ে চরম বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি পুলিশ। এর মাঝে নতুন করে সাংবাদিক ও ভুক্তভোগী নারীসহ একাধিকজনকে হত্যার হুমকি দেয়ায় ডিআইজি মিজানের উপরও ক্ষুব্ধ হয়েছেন পুলিশের শীর্ষকর্তারা। এ ঘটনায় ফৌজদারি মামলার বিচারের কাটগড়ায় দাঁড়াতে হবে মিজানকে- এমন ধারণা পুলিশের।

বুধবার (১০ জানুয়ারি) দৈনিক যুগান্তরের অনুসন্ধান বিভাগে কর্মরত সিনিয়র সাংবাদিক নেসারুল হক খোকন জানান, এতো বড় অপরাধের খবর তথ্য-প্রমাণসহ গণমাধ্যমে আসার পর পুলিশ সদর দপ্তরে প্রত্যাহার এবং তদন্ত চলাবস্থায় এমন হুমকির ঘটনায় চরম নিরাপত্তাহীনতায় মধ্যে পড়েছি। দ্রুত সরকার বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের কাছে ব্যবস্থা নেয়ার আবেদন করছি।

এর আগে, নেসারুল হক খোকন মঙ্গলবার (৯ জানুয়ারি) মধ্যরাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের নিজের ওয়ালে লেখেন, ‘আমি স্তম্ভিত। চরম নিরাপত্তাহীন। আমাকে হত্যার পর নিজেও আত্মহত্যার হুমকি দিলেন পুলিশ সদর দপ্তরে প্রত্যাহার হওয়া ডিআইজি মিজান। আশা করি সরকার আমার নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করবেন। এভাবে হত্যার হুমকি দেয়ায় আমি পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের কাছে বিচার দিলাম।’

রাজধানীর অপরাধ দমনের দায়িত্বে থাকা ঢাকা মেট্রাপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (ডিআইজি) মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে আনা জোরপূর্বক বিয়ে ও নির্যাতনের অভিযোগ গণমাধ্যমে এসেছে। এরপরই পুরো পুলিশ বাহিনী বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়ে। নড়েচড়ে বসে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় ও পুলিশ সদর দপ্তর। ইতিমধ্যে তাকে পুলিশ সদর দপ্তরে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তদন্ত চলছে অভ্যন্তরীণ।

এদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল মঙ্গলবার (৯ জানুয়ারী) বিকালে রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে পুলিশ সপ্তাহের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের জানান, ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তে পুলিশ সপ্তাহ শেষে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। পুলিশ সপ্তাহ চলছে, বিদায় দু-এক দিন পর আইজিপি-ডিএমপি কমিশনারের নেতৃত্বে তদন্ত কমিটি গঠন করে তদন্ত কাজ শুরু করা হবে।

তিনি বলেন, বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় ডিআইজি মিজানের নৈতিক স্খলনের কথা জানতে পেরেছি। এ বিষয়ে তদন্তের পর জানতে পারব আসলে সে কতটা দোষী। প্রাথমিকভাবে অভিযোগের ভিত্তিতে ডিআইজি মিজানকে ডিএমপি থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত করা হয়েছে। সর্বশেষ ব্যবস্থা নেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

কোনো ব্যক্তির দায় বাহিনী নেবে না উল্লেখ করে আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। অপরাধ করে কেউ পার পাবেন না। এর আগেও পুলিশের বিভিন্ন সদস্যের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ তদন্ত শেষে দোষী প্রমাণিত হওয়ায় অনেকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। বিভিন্ন অপরাধে অনেকেই কারাগারে রয়েছেন।

সোমবার ‘পুলিশ সপ্তাহ-২০১৮’ শুরুর আগেই আলোচনায় আসেন ডিআইজি মিজান। তার বিরুদ্ধে তুলে নিয়ে বিয়ে করে প্রতারণার অভিযোগ এনেছেন এক নারী। যদিও মিজান ওই নারীকে প্রতারক বলে দাবি করেছেন।

মিজানের স্ত্রী পরিচয় দেয়া নারী একটি জাতীয় দৈনিককে জানান, পান্থপথের স্কয়ার হাসপাতালের কাছে তার বাসা। সেখান থেকে কৌশলে গত বছরের জুলাই মাসে তাকে তুলে নিয়ে গিয়েছিলেন পুলিশ কর্মকর্তা মিজান। পরে বেইলি রোডের মিজানের বাসায় নিয়ে তিনদিন আটকে রাখা হয়েছিল তাকে। আটকে রাখার পর বগুড়া থেকে তার মা’কে ১৭ জুলাই ডেকে আনা হয় এবং ৫০ লাখ টাকা কাবিননামায় মিজানকে বিয়ে করতে বাধ্য করা হয়। পরে লালমাটিয়ার একটি ভাড়া বাড়িতে তাকে স্ত্রীর মর্যাদা দিয়ে রাখেন ইতিপূর্বে বিবাহিত মিজান।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, কয়েক মাস কোনো সমস্যা না হলেও ফেসবুকে স্ত্রী পরিচয় দিয়ে একটি ছবি তোলার পর ক্ষেপে যান মিজান। বাড়ি ভাঙচুরের একটি ‘মিথ্যা মামলা’য় তাকে গত ১২ ডিসেম্বর কারাগারে পাঠানো হয়। সেই মামলায় জামিন পাওয়ার পর মিথ্যা কাবিননামা তৈরির অভিযোগে আরেকটি মামলায় তাকে আটক দেখানো হয়। দুটি মামলায় জামিনে বেরিয়ে আসার পর পুলিশ কর্মকর্তা মিজানের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তোলেন ওই নারী।
সূত্র: ব্রেকিংনিউজ ডটকম ডট বিডি




এই পাতার আরো খবর

















Bartaman Kantho © All rights reserved 2020 | Developed By
Theme Customized BY WooHostBD