শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫, ০২:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৭ প্রস্তাব দিলেন প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনে অংশগ্রহণ ও সফলতার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে সংস্কার: নাহিদ রোহিঙ্গা সমস্যার উৎপত্তি ও সমাধান মিয়ানমারে: প্রধান উপদেষ্টা দেশ সংস্কার কোনো নির্দিষ্ট দায়িত্ব নয়, এটা প্রকৃতির মতোই চলবে : ড. আব্দুল মঈন খান ডা. নারায়ণ হত্যায় ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৪ জনের আমৃত্যু কারাদণ্ড বারনামাকে ড. ইউনূস জনগণ কী চায়, সেটাই বাস্তবায়নের চেষ্টা করি নির্বাচনে অংশ নেব না, সংস্কারই অগ্রাধিকার: ড. ইউনূস অতিরিক্ত আইজি হলেন পুলিশের ৭ কর্মকর্তা নির্বাচনে ৮০ হাজারের বেশি সেনা সদস্য মোতায়েন থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপেদষ্টা মতভেদ থাকলেও জাতীয় স্বার্থে সকলের ঐক্যবদ্ধ থাকা প্রয়োজন: তারেক রহমান

রাষ্ট্রপতির ছবি অপসারণ নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে না: পরিবেশ উপদেষ্টা

ডেস্ক রিপোর্ট | বর্তমানকণ্ঠ ডটকম: / ৮১ পাঠক
প্রকাশকাল রবিবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৫

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মৌখিক নির্দেশে বিদেশে বাংলাদেশের সব কূটনৈতিক মিশন, কনস্যুলেট, কূটনীতিকদের অফিস ও বাসভবন থেকে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ছবি সরানোর ঘটনা আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানে কোনো প্রভাব ফেলবে না বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

রবিবার (১৭ আগস্ট) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, ‘আসল প্রেক্ষাপট কী জানি না। তবে নির্বাচনের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। সরকার লিখিতভাবে এমন কিছু জানালে বিষয়টি পরিষ্কার থাকতো। একটি ছবির সঙ্গে নির্বাচনের সম্পর্ক থাকতে পারে না।

সৈয়দা রিজওয়ানা বলেন, ‘ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে না এটি কোনো রাজনৈতিক দলের বক্তব্য। কিন্তু প্রধান উপদেষ্টার ঘোষিত সময় আগামী ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি বলেন, ‘সিলেটে পাথর লুটের ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসনের যোগসাজস ছিল অথবা প্রশাসন নীরব ছিল। এ ঘটনায় প্রশাসনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত হবে।’

এর আগে গত শুক্র ও শনিবার (১৬ আগস্ট) বিদেশে বাংলাদেশের সব কূটনৈতিক মিশন, কনস্যুলেট, কূটনীতিকদের অফিস ও বাসভবন থেকে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ছবি সরানোর নির্দেশনা দেয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। অন্যদিকে, সরকার এ ধরনের কোনো আনুষ্ঠানিক বা অনানুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে কি না, রাষ্ট্রপতির কার্যালয় এখনও বিষয়টি জানে না।

তবে, এক্ষেত্রে সব মিশনকে সরাসরি নির্দেশ না দিয়ে কয়েকজনকে নির্দেশ দেওয়া হয় এবং তাদেরকে অন্য মিশনের প্রধানদের জানিয়ে দেওয়ার জন্য বলা হয়।

অন্তর্বর্তী সরকারের এই নির্দেশনায় চ্যান্সারি কমপ্লেক্স, মিশন প্রধানের বাড়ি এবং মিটিংরুমে এখন আর কোনো রাষ্ট্র বা সরকারপ্রধানের ছবি থাকবে না।


এই ক্যাটাগরির আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর