শনিবার | ৪ঠা জুলাই, ২০২০ ইং |

মধুখালীতে প্রধানমন্ত্রীর প্রণোদনার টাকা পেলেন না অনেকেই

শাহজাহান হেলাল, বর্তমানকন্ঠ ডটকম, ফরিদপুর : বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সারা পৃথিবী। দেশের বিভিন্ন কর্মজীবি মানুষের পাশাপাশি মধ্যবিত্তরা হয়ে পড়েন নিঃস্ব। তারা লাইনে দাঁড়িয়ে না নিতে পারেন ত্রান না চাইতে পারেন সাহায্য। সে দিকে লক্ষ রেখে পৃথিবীতে নজির স্থাপনকারী একমাত্র বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী মানবতার জননী জননেত্রী শেখ হাসিনা সবার সাথে, হাত না পাতার দিকে লক্ষ করে মধ্যবিত্তদের কষ্ট লাঘভের জন্য প্রত্যেক পরিবারকে ২ হাজার ৫শ টাকা প্রণোদনার ঘোষনা দেন। প্রধান মন্ত্রীর ঘোষনায় আশার আলো দেখতে পান মধ্যবিত্তরা। সরকারী নির্দেশনায় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান-মেম্বারদের দিয়ে তালিকা প্রনয়ন করেন। তদারকি করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। কয়েক দফা যাচাই বাছাই পূর্বক তালিকা যায় উচ্চ পর্যায়ে।

পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগেই প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা মধ্যবিত্তের পরিবারের জন্য ২ হাজার ৫শ টাকার প্রণোদনা ছাড়ের ঘোষনা দেন । ঈদের আগে কেউ কেউ নিজ মোবাইলে ২ হাজার ৫শ টাকা পেলেও বেশীর ভাগ তালিকা ভুক্ত মধ্যবিত্তের মোবাইলে টাকা এখন পর্যন্ত পৌছায় নাই। মানব দরদী প্রধানমন্ত্রীর কাছে না চাইতেই তালিকা ভুক্ত মধ্যবিত্তদের ২ হাজার ৫শ টাকা দিলেন। যে সকল মধ্যবিত্ত তালিকা ভুক্ত টাকা পান নাই তাদের জিজ্ঞাসা যে টাকা দিলেন, সে টাকা কোথায়? উপজেলার ১টি পৌরসভাসহ ১১টি ইউনিয়নের প্রশাসনের চাহিদা অনুযায়ী ৯ হাজার ৯শ ৭০ জনের চুড়ান্ত তালিকা প্রেরন করেন মধুখালী উপজেলা প্রশাসন। স্থানীয় ও বিভিন্ন সুত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুসারে প্রেরিত তালিকার ১৫/১৬ ভাগ মধ্যবিত্ত তালিকার মানুষ প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত প্রণোদনার নগদঅর্থ ২ হাজার ৫শ টাকা প্রাপ্ত হয়েছেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা চেয়ারম্যান মির্জা মনিরুজ্জামান বাচ্চুর মোবাইলে জানতে চাইলে তিনি জানান চাহিদা মত আমরা উপজেলার পক্ষ থেকে যাচই বাছাই করে তালিকা প্রেরন করেছি। অনেকেই বলেছেন তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত প্রণোদনার টাকা পায় নাই। প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত টাকা পাবে কি না সেটা বলতে পারবো না। কে পেয়েছে কে পাই নাই সেটাও দেখতে বলেন নাই। যে কারনে এ ব্যপারে কিছুই বলার সুযোগ নাই ।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.মোস্তফা মনোয়ার বলেন চেষ্টা করেছি সচ্ছতার সাথে তালিকা করতে,শতভাগ পেরেছি দাবী করছি না তবে অনেক অসংগতি ছিল সে গুলি দুর করে তালিকা প্রেরন করেছি । এটুকুই দায়ীত্ব ছিল। টাকা পাওয়া না পাওয়ার ব্যাপারে আমার কিছুই করার বা জানা নাই। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত প্রণোদনার টাকা না পাওয়ার বিষয়ে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের জিজ্ঞাসা করলে তাঁরা বেশীর ভাগই যে পায় নাই বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

সময় বাচাঁতে ঘরে বসে কেনা-কাটা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *