বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ০৩:১৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম-
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত আরও ৩৮ ফিলিস্তিনি জেলেনস্কির হোমটাউনে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত ৯ বিমান দুর্ঘটনায় ভাইস প্রেসিডেন্ট নিহত: মালাবিতে ২১ দিনের শোক সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান হত্যা: বিচারের দাবীতে টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে মহাসড়ক অবরোধ মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার অস্থিরতাকারীদের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি নাগরিক সমস্যা সমাধানে সরকার ও নাগরিকের অংশীদারিত্ব প্রয়োজন: তথ্য প্রতিমন্ত্রী বিনা কর্তনে সেন্সর ছাড়পত্র পেল ‘মুনাফিক’ আমাদের দিয়ে রান্না করাতো জলদস্যুরা, খেয়ে ফেলতো সবই যাতায়াতের দুর্ঘটনায় ক্ষতিপূরণ পাবে পোশাক শ্রমিকরা আলোচিত সংগীতশিল্পীসহ নিহত ২, পালিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি বাসচালকের

ঢাকা মহানগর দক্ষিণে আ.লীগের দ্বন্দ্বের অবসান

বর্তমানকণ্ঠ ডটকম / ৫৩ পাঠক
বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ০৩:১৭ পূর্বাহ্ন

নিউজ ডেস্ক,বর্তমানকণ্ঠ ডটকম,মঙ্গলবার, ২৮ নভেম্বর ২০১৭: ঢাকা মহানগর দক্ষিণে দীর্ঘদিন যাবত আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছিল। এক পক্ষের নেতৃত্বে ছিলেন মেয়র সাইদ খোকন ও অপর পক্ষে দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ। দলের সাধারণ সম্পাদকের মধ্যস্থতায় এ দ্বন্দ্বের অবসান ঘটেছে।

মঙ্গলবার এক স্মরণ সভায় দলের সাধারণ সম্পাদক দ্বন্দ্ব অবসানের এ কথা জানান। এমনকি সভায় আসার মূল উদ্দেশ্যও ঐক্যবদ্ধ আওয়ামী লীগকে সবার সামনে তুলে ধরার কথা জানান তিনি।

ডিএসসিসির নগর ভবনের সামনে সভায় বক্তব্যে মাঝখানে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা ঐক্যবদ্ধ। শাহে আলম কই, মেয়র সাহেব কই। এসময় ওবায়দুল কাদেরের ডানে থাকা এই দুই নেতাকে ডেকে বলেন, এদিকে আসো সাইদ খোকন ও মুরাদ।

এসময় তারা এসে তার পাশে দাঁড়ান। তখন কাদের বলেন, এই দেখুন, তারা মিলে গেছে। এসময় তারা একত্রে সবাই দুই হাত উঁচু করেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরো বলেন, এই দেখুন, এক হয়ে গেছে, সামান্য ভুল বোঝাবুঝি ছিল, এক হয়ে গেছে। মহানগর আওয়ামী লীগ এখন ঐক্যবদ্ধ। আজকে আমার এখানে আসার মূল উদ্দেশ্য নেতা মেয়র হানিফকে স্মরণ করতে গিয়ে ঐক্যবদ্ধ আওয়ামী লীগকে সবার সামনে তুলে ধরা।

এসময় ওবায়দুল কাদের ঘরের কখা বাসে ও চায়ের দোকানে বসে আলাপ না করারও জন্যও বলেন।

ঢাকার প্রথম নির্বাচিত মেয়র মোহাম্মদ হানিফের ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এ স্মরণ সভার আয়োজন করেছিল ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন।

মহানগর দক্ষিণের কমিটি নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত অন্তর্দ্বন্দ্বে ভুগছিল দলটি। এমনকি সমঝোতার জন্য কেন্দ্রীয় নেতাদের সমন্বয়ে এক বৈঠকেও তারা প্রকাশ্যেই এক অপরের বিরোধীতা করেন।

সাঈদ খোকন মনে করেন, ‘ঢাকা দক্ষিণে যাদের নেতৃত্বের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে, তাদের দিয়ে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে প্রাণ সঞ্চারিত হবে না। কারণ এখানে যোগ্য নেতাদের ঠাঁই হয়নি। এখানে মুরাদ তার পছন্দের লোকদের কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করেছেন। রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের মূল্যায়ন করা হয়নি। কিছু পকেটের লোককে পদে রাখা হয়েছে।

তবে শাহে আলম মুরাদের বক্তব্য, এই কমিটি আমি করিনি। এই কমিটি করার জননেত্রী (শেখ হাসিনা) দায়িত্ব দিয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাককে। তিনি যোগ্যতা ও দক্ষতা বিবেচনা করে এই কমিটি করেছেন।

গত ১৬ নভেম্বর বৃহস্পতিবার আজিমপুর পার্ল হারবার কমিউনিটি সেন্টারের সামনের রাস্তায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সদস্য সংগ্রহ অভিযানের এক অনুষ্ঠানের সামনে কে বা কারা ময়লা ফেলে রাখে। পরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আজিমপুর এলাকা রীতিমতো রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। অনুষ্ঠান পণ্ড করার অংশ হিসেবে এ কাজ করা হয় বলে অভিযোগ করেন মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ। আর এ ঘটনার জন্য তিনি মেয়র সাঈদ খোকনকে দায়ী করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *