বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ০৪:৫০ পূর্বাহ্ন

দেড় যুগ পর সমাবর্তন, মহাসমারোহে প্রস্তুত ইবি

বর্তমানকণ্ঠ ডটকম / ৩৬ পাঠক
বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ০৪:৫০ পূর্বাহ্ন

নিউজ ডেস্ক,বর্তমানকণ্ঠ ডটকম,রোববার,০৭ জানুয়ারী, ২০১৮ : দীর্ঘ দেড় যুগ পর মহাসমারোহে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) চতুর্থ সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হচ্ছে রবিবার। এনিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মাঝে যেমন বাড়তি উৎসাহ তেমনি প্রস্তুতিও একটু বেশিই।

ক্যাম্পাস সাজসজ্জার পাশাপাশি তাই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে নিরাপত্তা ব্যবস্থায়। নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টরিয়াল বডির সাথে কাজ করছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন শাখা ও গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা। সমাবর্তন-২০১৮ উপলক্ষে ক্যাম্পাসকে সাজানো হয়েছে অপরুপ সাজে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে শুরু করে প্রতিটি আবাসিক হল, একাডেমিক ভবন, টিএসসিসিসহ সব জায়গায় লেগেছে নতুনত্বের ছোয়া। রাস্তার দুধার সেজেছে আলোঝলমল সাজে। রাস্তায় মাঝে ও বিভাগসমূগের করিডোরে আঁকা হয়েছে আলপনা। দেশের ইতিহাসে সমাবর্তন কেন্দ্রীক দ্বিতীয় বৃহত্তম প্যান্ডেলের কাজও ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

এদিকে নিরাপত্তার ব্যবস্থা জোরদার করতে পুরো ক্যাম্পাস ও এর আশপাশের এলাকা উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। সাথে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা পোশাকে ও সাদা পোশাকে কাজ করছে। পুলিশ, সেনাবাহিনী, এসএসএফ, পিজিআরয়ের সাথে সাথে কাজ করছে ডিবি, এনএসআই ও ডিজিএফআইয়ের সদস্যরা।

সমাবর্তনের আইন শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা উপ-কমিটির আহ্বায়ক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. মাহবুবর রহমান বলেন, ‘সমাবর্তন উপলক্ষে ক্যাম্পাসে সম্পুর্ণরূপে নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের পাশাপাশি আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সদা তৎপর রয়েছেন।’

সার্বিক বিষয়ে সমাবর্তন স্টিয়ারিং কমিটির সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়র ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. রাশিদ আসকারী জানান, ‘সমাবর্তনে সভাপতিত্ব করবেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর মো. আব্দুল হামিদ। তাঁর নিরাপত্তা ও সমাবর্তনের সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে ক্যাম্পাসের সকল দায়িত্ব শনিবার থেকে পিজিআর (প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট) এর হাতে তুলে দেয়া হয়েছে। মহামান্যের প্রস্থানের পর পর্যন্ত তারা ক্যাম্পাস নিয়ন্ত্রণ করবেন।

তিনি আরও জানান, সমাবর্তন উপলক্ষে গঠিত স্টিয়ারিং কমিটিসহ মোট ২৩টি উপকমিটি গঠন করা হয়েছিল। শেষ সময়ে দিনরাত কাজ করে তারাও তাদের কাজ গুছিয়ে নিয়েছে। সব মিলিয়ে আমরা এখন শতভাগ প্রস্তুত। সবার সহযোগিতায় একটি সুন্দর ও স্বার্থক সমাবর্তন আশা করছি।

উল্লেখ্য, এবারের সমাবর্তনে মোট ৯ হাজার ২০০জন গ্রাজুয়েট, পোস্ট গ্র্যাজুয়েট, এমফিল ও পিএইচডি ডিগ্রিধারী নিবন্ধন করেছেন। এদের মধ্যে পাচঁটি অনুষদের সর্বোচ্চ ফলাফলধারী ৭৮ জন পোস্ট গ্র্যাজুয়েটকে স্বর্ণপদক দেয়া হবে। রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর মো. আব্দুল হামিদ তাদের মধ্যে থেকে ২০ জন গ্র্যাজুয়েটের হাতে এ পদক তুলে দিবেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

এদিন রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর মো. আব্দুল হামিদ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে নির্মিত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল, পরমাণু বিজ্ঞানী এম এ ওয়াজেদ মিয়া বিজ্ঞান একাডেমিক ভবন, দেশরত্ন শেখ হাসিনা হলের দ্বিতীয় ফেজ, নির্মিতব্য শেখ রাসেল হলের প্রথম ফেজ ও ফোয়ারা উদ্বোধন করবেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *