1. azadkalam884@gmail.com : A K Azad : A K Azad
  2. bartamankantho@gmail.com : বর্তমানকণ্ঠ ডটকম : বর্তমানকণ্ঠ ডটকম
  3. cmisagor@gmail.com : বর্তমানকণ্ঠ ডটকম : বর্তমানকণ্ঠ ডটকম
  4. hasantamim2020@gmail.com : হাসান তামিম : হাসান তামিম
  5. khandakarshahin@gmail.com : Khandaker Shahin : Khandaker Shahin
শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১, ১০:৪৭ পূর্বাহ্ন




মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কৃষিতে আর্থিক প্রনোদনা এবং বাংলাদেশে ব্লু ওশেনের অমীয় সম্ভাবনা

বর্তমানকণ্ঠ ডটকম
  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২০

ড. মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন, বর্তমানকন্ঠ ডটকম : করোনার সুকঠিন প্রভাবে সারা বিশ্বজুড়ে নানা ধরনের কঠিন সিদ্ধান্ত সমুহের কারনে অচিরেই খাদ্যসংকট প্রকটতর হয়ে উঠতে পারে । জাতীসংঘের সূত্র ধরে বিজ্ঞানীদের মতে খাদ্য সরবরাহের ব্যবস্থাপনার জন্য এখনি সমন্ধিত উদ্যোগ গ্রহন না করলে প্রায় ৫০ কোটির মতো জনসংখ্যা কঠিন খাদ্য সমস্যায় পড়ে যাওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। দেশে দেশে বন্ধ করে ফেলতে বাধ্য হচ্ছে এপ্যোল, সেমসং সহ বহু বহুজাতিক কোম্পানী। ফলে বেকারত্ব্যের এক ভয়ালরুপ তৈরী হচ্ছে বিশ্বজুড়ে। বেকারত্ব, বিশ্বমন্দা এখন ঘরের দোয়ারে দাড়িয়ে, দুর্ভিক্ষের কবলে পড়তে যাচ্ছে বহু উন্নত, উন্নয়নশীল এবং অনুন্নত দেশের কোটি কোটি মানুষ (জাতিসংগ) । মন্দার কথাই যদি বলি তাহলে একটু তাকাতে হবে বিশ্বের বিভিন্ন শেয়ার মার্কেটের দিকে, কত বিলিয়নিয়ার নিমিষেই তাদের পদবি হারাচ্ছে। করোনার প্রভাবে এক মাসে আমেরিকার শেয়ার মার্কেট ২৭.৯৫%, ইউ কে ২৯.৭২% জার্মানি ৩৩.৩৭% ফ্রান্স ৩৩.৬৩% এবং ভারতের ১৭.৭৪% শেয়ার মার্কেট হ্্রাস পেয়েছে (সূত্র:ওর্য়ালডোমিটার্স ১২ই মাচর্, ২০২০)। বাংলাদেশের শেয়ার মার্কেট গত ২৬শে মার্চ থেকে অদ্যাবধি বন্ধ। ফলে বিনিয়োগকারিরা কি পরিমান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তা সহজেই অনুমেয়। বাৎসরিক লাভ্যাংশ আমেরিকাতে ২৭% হ্্রাস পাচ্ছে এবং ইইউ-তে ৩৭%, জিডিপি প্রবৃদ্ধি আমেরিকাতে কমতে পারে ৬.১% এবং ইইউ ৬.৯% বিশ্ব ব্যাকের মতে দক্ষিন এশিয়ার জিডিপি প্রবৃদ্ধি শূন্যে নেমে যেতে পারে। অতএব আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশের কি হবে সেটা ভাবাও অনেক কঠিন। মুসলমান হিসেবে আমি শুধু এতটুকুই বলবো যে, ” আল্লাহ সুবহানোতায়ালা উত্তম হেফাজত কারী” কিন্তু আমাদের দায়িত্বে থাকা বিষয় গুলো আমরা কিছুতেই এড়াতে পারবোনা।

করোনা সময়ে এবং করোনা উত্তর দীর্ঘস্থায়ী ভাবে মানূষকে ক্ষুধা এবং মন্দা থেকে বাঁচাবার ব্যবস্থা করা এবং নিজেদের একটি পরিপূর্ণ সুযোগ সৃষ্টি করা। এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন ও সময় উপযোগী পবিত্র বিষয় যেটিকে নিয়ে আসতে হবে সবার সামনে যদি আমরা মানুষকে বাচাঁতে চাই এবং সাথে সাথে একটি স্বর্নিভর জাতী হিসেবে নতুন যোগ্যতা প্রকাশ করতে চাই । অতএব একটি দক্ষ ব্যবস্থাপনা, কৌশলগত বিষয় গুলো খুবই সর্তকতার সাথে কিন্তু কার্যকরী ভাবে খুব গতিশীলতার সাথে চিন্তা এবং কর্ম পরিকল্পনা কে এক করে একটি অথবা বেশ কয়েকটি ডড়ৎশ ভড়ৎপব এর মাধ্যমে একটি খুব উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন মনিটরিং কমিটির অধীনে এখোনি নেমে পড়তে হবে। যে বিষয়গুলোকে আমাদের সামনে রেখে কৌশলগত কার্যসম্পাদন করতে হবে তম্মধ্যেঃ
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ৫ হাজার কোটি টাকার প্রনোদনা এবং অনতিবিলম্বে আসা বাজেটের আরো ৯ হাজার কোটি টাকার প্রনোদনা কৃষির জন্য অভ’্যত্থান সৃষ্টির এক অপুর্ব সুযোগ, যদি তা সুচারুপে মনিটরিং করে এর প্রকৃত ফলাফল বের করে আনা যায়। প্রথমত এই টাকা প্রকৃত কৃষকের কাছে সঠিক ভাবে, সঠিক সময়ে পৌছানো, তারপর কৃষক সে টাকা উপযুক্ত ব্যবহার করছে কিনা এ বিষয়টিকে নিশ্চিত করা এবং সাথে সাথে কৃষকের উৎপাদিত ফসলের উপযুক্ত মূল্য নিশ্চিত করা ও তা কৃষকের হাতে তুলো দেওয়া । এক্ষেত্রে প্রযুক্তি, কৃষকের মোবাইল ব্যাংকিং হিসাব এবং ব্যাংক হিসাব খুব ভালভাবে পরীক্ষন ও মূল্যায়ন করতে হবে ।

বাস্তবায়নের কৌশল কিভাবে হবে আমাদের দেশের কোথাও এক খন্ড জমিও খালি থাকতে পারবেনা। বাড়ীর আঙ্গিনা থেকে শুরু করে, মাঠ ঘাট, কৃষি আবাদি, অনাবাদি,সরকারী খাসজমি, স্কুলের সামনের মাঠের চারপাশ, ঘরের ছাদ, পুকুরের পাড়, পুকুর বা দীঘির পানির উপরিভাগ এমনকি জেল খানায়, কেন্টনমেন্ট এর খালি অংশগুলিকে সুন্দর ভাবে সাজিয়ে যে সব ফল অথবা সবজি চাষ করা যায় তা এখোনি শুরু করতে হবে। আরো একটি বড় পরিসরের জায়গা হচ্ছে বাড়ীর ছাদ এখানে লক্ষ লক্ষ একর জমির পরিমান জায়গা আছে যা আমরা খুব সহজে কাজে লাগাতে পারি। আজকে কেউ বসে থাকলে চলবে না। ক্ষমতাশীন, বিরোধীদল প্রত্যেককে হাতে হাত মিলাতে হবে এবং এই কাজে যে যার অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে।

কে, কোথায কিভাবে কাজ করছে এবং করবে তার অগ্রগতির সচিত্র প্রতিবেদন থাকতে হবে। প্রথম দু মাস প্রতিদিনের প্রতিবেদন এবং তার পর সাপ্তাহিক প্রতিবেদন মনিটরিং কমিটির মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পৌছাতে হবে। খাদ্য ও কৃষি মন্ত্রনালয, কৃষি অধিদ্প্তর, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং এ দেশের বড় বড় কৃষি উপকরন উৎপাদক, বিক্রেতাকে নিয়ে একটি ডড়ৎশ ভড়ৎপব দক্ষতার সাথে ডড়ৎশ চষধহ তৈরী করবে। ডড়ৎশ চষধহ এবং ডড়ৎশ ঋড়ৎপব গুলির বেশ কয়েকটি বিকল্প ব্যবস্থা রাখতে হবে। সাথে আমাদের সমস্ত আইন শৃংখলা রক্ষাকারীি বিিহনী যেমন- আর্মি, বিজিবি, পুলিশ, আনসার সবাই এই কাজের সার্বিক সহযোগীতা, এমনকি কোন কৃষি কাজে রোপন করার প্রয়োজন হলে তাও যেন করে ফেলে। খুব উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন মনিটরিং কমিটি এই প্রকল্পটিকে অত্যন্ত সাবলীল ভাবে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে। এ ক্ষেত্রে সাইক সিরাজ স্যারকে প্রধান করে তার বিবেচনায় ৭-৮ জনের এই কমিটি তৈরী করে দ্রুততার সাথে কাজ শুরু করে দিতে হবে। সাইক সিরাজ স্যার এর নামটি এই কারনেই আনা হল যে, বাংলাদেশের কৃষি এবং কৃষকের সাথে রয়েছে তার অন্যন্য সর্ম্পক । প্রযুক্তিকে একেবারে প্রথম দিন থেকে ব্যবহার শুরু করতে হবে।এখন পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ৪এ ঞবপযহড়ষড়মু কৃষিতে প্রয়োগ করে কৃষির উৎপাদন খরচ অর্ধেক কমানো সম্ভব হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রানালয়ের মন্ত্রী মহোদ্বয় মোস্তফা জব্বার স্যার এ বিষয়ে ব্যাপক জ্ঞান রাখেন এবং তিনি খুব সুদৃঢ ভবে এটা ধারন করছেন।

সার, বীজ, কীটনাশক এবং অন্যান্য সহযোগীতার বিষয়গুলোর খুব সুচারুপে সম্পাদনের জন্য তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়, কৃষি মন্ত্রনালয়ের সাথে নিবিড় ভাবে সর্ম্পক তৈরী করতে হবে। সাথে সাথে প্রতিটি পাইকারী, খৃচরা বিক্রেতা এবং ডিলারকে কাজে লাগাতে হবে যেন তারাও একাজটিকে নিজের কাজ মনে করে প্রতিটি ব্যক্তিকে সহযোগীতা প্রদান করে। এখন থেকেই যদি আমরা কাজ শুরু করে দিতে পারে তাহলে আমরা দু তিন মাসের মধ্যেই দেখব এক ব্যাপক সম্ভাবনা। করোনা দীর্ঘ সময় ধরে থাকলেও ইন শাআল্লাহ মানুষ না খেয়ে মরবে না।আর করোনা মহামারী যদি দ্রুত সময়ের মধ্যে চলে যায তাহলে এটাই বাংলাদেশের জন্য আরেকটি যুগান্তকারী সফলতা বয়ে আনবে।

কৃষকদের জন্য আরো বিশেষ কিছ’ প্রনোদনার ব্যবস্থা করা বাংলাদেশের জন্মের আগে ও পরে যে কৃষক নিজেদের সর্বোচ্চ উজার করে আমাদেরকে সব চাইতে প্রয়োজনীয় পন্য সামগ্রী সরবরাহ করছে তাদেরকে সম্মাান করার এর চাইতে উপযুক্ত সময় আর হবে না। যে দেশের মাটিই হচ্ছে সোনা, সে দেশের কৃষক অবশই সম্মানিত হওয়া উচিত।একজন প্রকৃত অবদানকারী কৃষক সি আই পি মর্যাদা পাবেন। দশজন প্রকৃত অবদানকারী কৃষক ভি আই পি মর্যাদা পাবেন। অন্যান্য দেশ থেকে কৃষি অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য বিদেশ ভ্রমনে যাওয়ার সুযোগ সুষ্টি করা করা। ১০০০ কৃষক যদি ১ লক্ষ টাকা করে পুরস্কার পায় তাদের উৎসাহে কৃষিতে ১ লক্ষ গর্বিত কৃষক তৈরী হবে যারা দেশের আমুল পরিবর্তনের মূল চালিকা শক্তি হতে পারে।কৃষক ধোকা দিবেনা, বিশ্বাস ঘাতকতা করবে না বরং এরাই হতে পারে নতুন প্রজন্মের জন্য এক অনন্য অনুপ্রেরনার উৎস। তাদেরকে সরকারের পক্ষ থেকে সার্টিাফকেট প্রদান সহ, তাদের সন্তানদের জন্যও অন্যান্য সুযোগ সুবিধার ব্যবস্থা করা। যারা কম খরচে, কম বিদ্যুৎ ব্যায়ে, সব্বোর্চ নিষ্ঠার সাথে সর্বাধিক ফসল উৎপাদন করতে সক্ষম হবে তাদের কে জাতীয় বীরের সম্মাান, তাদের কর মওকুফ ও অন্যান্য আর্থিক প্রনোদনাও দেওয়া। ৫ হাজার কোটি টাকার মধ্যে ৫০০ কোটি টাকা রাখা দরকার সেই কৃষকদেরকে পুরস্কৃত করার জন্য যারা এই প্রনোদনা পাওয়ার মাধ্যমে তাদের সর্বোচ্চ উৎপাদন নিশ্চিত করবে। সরকার যদি এই ঘোষনা দেন যে ১০০০ কৃষককে ১ লক্ষ টাকা করে পুরস্কার প্রদান করা হবে তদের কাজের স্বীকৃতি স্বরুপ। তাহলে আমার মনে হয় অনেক ভাল ফলাফল পাওয়া যেতে পারে। এক্ষেত্রে অবশ্য কৃষকশ্রেনীকে কয়েকটি ভাগে বিভক্ত করতে হবে। যেমনঃ
১। চাল,গম,তৈল ও অন্যান্য রবি শস্য উৎপাদনকারী কৃষক- ৪০০ জন; ২। ফল উৎপাদনকারী কৃষক-২০০;
৩। ফুল উৎপাদনকারী- ২০০; ৪। অন্য উৎপাদনকারীদের -২০০
এখানে আরো একটি বিষয়কে অবশ্যই নিয়ে আসা জরুরী মনে করছি যে ঞবধস ঋড়ৎপব এই উপদেষ্টা কমিটি কাজ করবে তাদের জন্যও সরকারের পক্ষথেকে স্বীকৃতি থাকা খুবই প্রয়োজন।

বন্টন এবং বাজারজাত করন ব্যবস্থাপনা
খুব উৎপাদন হলো, কৃষক কৃষানীর চোখে মুখে হাঁসি, কিন্তু সঠিক বন্টন ব্যবস্থাপনা না থাকার কারনে অচিরেই সেই হাঁসি মিলিয়ে যায়। কৃষক তার ন্যায্যমূল পায়না। অবিক্রিত পন্য পুড়িয়ে ফেলে, রাস্তায় ফেলে অথবা ষ্টোরেজের অভাবে খুব দ্্রুত পচে যায়, এ অবস্থা থেকে বাচাঁর জন্য এবং কৃষকের হাতে তার শ্রম এবং পন্যের প্রকৃত মূল্য তুলে দেওয়ার জন্য সরকারকে দৃঢভাবে অনেক গুলি ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে। যেমন ঃ
 মধ্যস্বত্ব ভোগীদের দৌরাত্বকে কঠিন হস্থে দমন করা
 পন্যের সঠিক মূল্য নির্ধারন ও নিশ্চিত করা
 যে কোন ধাপে চাঁদা বাজি, টেন্ডার বাজির বিষয়ে সরকারের জিরো টোলারেন্স থাকতে হবে
 পর্যাপ্ত ষ্টোরেজের, গুদাম ঘরের ব্যবস্থা করা
 বানিজ্য মন্ত্রানালয়, বিভিন্ন চেম্বার অব কমার্স, দেশের বাইরে খুব ভালভাবে মার্কেট তৈরীর চেষ্টা করবে। করোনার কারনে আজ অনেক দেশে ভোগ্য পন্যের দারুন সংকট এবং এটাকে ভালভাবে আমাদের পক্ষে কাজে লাগাতে হবে।

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে আমাদের এমবেসেডরদেরকে আমাদের দেশিও কৃষিজ পণ্য এবং তাদের গুনাবলী তুলে ধরার উদ্ব্যোগ নেয়ার সাথে সাথে নতুন বাজার সৃষ্টির জন্য সুদৃঢ পদক্ষেপ গ্রহন করতে হবে।

একদিকে যেমন পৃথিবীর বড় বড় দেশ ক্ষুধা এবং খাদ্য সামগ্রীর অভাবে ভুগবে অন্যদিকে বাংলাদেশ তা অপ্রতিদন্দিতার সাথে মার্কেট সৃষ্টির জন্য সুযোগ গ্রহন করবে। কোটি কোটি ডলার রপ্তানী সম্ভব হবে উদ্বৃত খাদ্য সামগ্রী থেকে।ব্যাপক থেকে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সু ব্যবস্থা তৈরী হবে। নতুন নতুন কৃষিজাত শিল্পকারখানা করার এক অপুর্ব সুযোগ তৈরী হবে।

সর্তকতাঃ
একটি বিষয়কে অবশ্যই খুব গুরুত্বের সাথে নিতে হবে তা হলো লোকবল নির্বাচনের ক্ষেত্রে অবশ্যই গুরুত্ব দিতে হবে যারা কর্মঠ, সৎ, নিষ্ঠাবান এবং সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার মানসিকতা সম্পন্ন । এখানে কোন একটি ধাপে যদি চোর ,ঘুষখোর মোনাফেক কিংবা দলীয় শক্তি খাটানোর মনমানসিকতা সম্পন্ন লোক ঢুকে পড়ে তাহলে অন্য ধাপ গুলো আগানো অন্যদের জন্য অনেক বেশি কঠিন হয়ে পড়বে এবং তা অসম্ভবও হয়ে পড়তে পারে। এ ক্ষেত্রে যে কোন দুনীর্তি ধরা পড়ার মাত্র সাথে সাথে তার শাস্তি এবং চাকুরী চ্যুতির মতো কঠিন সিদ্ধান্ত আনাও জরুরী।

লেখক – সহযোগী অধ্যাপক ও অধ্যক্ষ, ড্যাফোডিল ইনস্টিটিউট অব আই টি (ডিআইআইটি)।

এই পাতার আরো খবর

প্রধান সম্পাদক:
মফিজুল ইসলাম সাগর












Bartaman Kantho © All rights reserved 2020 | Developed By
Theme Customized BY WooHostBD