সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ০৭:৪৮ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম-
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত আরও ৩৮ ফিলিস্তিনি জেলেনস্কির হোমটাউনে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত ৯ বিমান দুর্ঘটনায় ভাইস প্রেসিডেন্ট নিহত: মালাবিতে ২১ দিনের শোক সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান হত্যা: বিচারের দাবীতে টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে মহাসড়ক অবরোধ মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার অস্থিরতাকারীদের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি নাগরিক সমস্যা সমাধানে সরকার ও নাগরিকের অংশীদারিত্ব প্রয়োজন: তথ্য প্রতিমন্ত্রী বিনা কর্তনে সেন্সর ছাড়পত্র পেল ‘মুনাফিক’ আমাদের দিয়ে রান্না করাতো জলদস্যুরা, খেয়ে ফেলতো সবই যাতায়াতের দুর্ঘটনায় ক্ষতিপূরণ পাবে পোশাক শ্রমিকরা আলোচিত সংগীতশিল্পীসহ নিহত ২, পালিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি বাসচালকের

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে নমপেনের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

বর্তমানকণ্ঠ ডটকম / ৪৪ পাঠক
সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ০৭:৪৮ পূর্বাহ্ন

ডেস্ক রিপোর্ট,বর্তমানকণ্ঠ ডটকম,সোমবার, ৪ ডিসেম্বর ২০১৭: : মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে দমন-পীড়নের কারণে সৃষ্ট রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান নিশ্চিত করতে কম্বোডিয়ার সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গারা যাতে নিরাপদে তাদের ঘরে ফিরতে পারে, সেজন্য মিয়ানমারের সঙ্গে আমরা দ্বিপক্ষীয় আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন সেনের কাছেও আমি সহযোগিতা চাইছি, যাতে এ সংকটের একটি টেকসই সমাধানে আমরা পৌঁছাতে পারি।’

সোমবার নমপেনে দুই দেশের মধ্যে অনুষ্ঠিত দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন সেনের সঙ্গে এক যৌথ বিবৃতিতে শেখ হাসিনা এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে সাম্প্রতিক কিছু আঞ্চলিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের বিষয়ে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। দুই পক্ষই সন্ত্রাস ও উগ্রবাদের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকারের কথা বলেছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও কথা বলেছি, যা আমাদের আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও শান্তি বিনষ্টের হুমকি তৈরি করছে।’

প্রধানমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশকে এখন ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গার ভার বইতে হচ্ছে, যাদের মধ্যে প্রায় ৭ লাখ মানুষ মিয়ানমারে সাম্প্রতিক সহিংসতার কারণে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয়েছে।

কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গাদের বিষয়েও আলোচনা করেছেন, যা কি-না বাংলাদেশের জন্য একটি বড় বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এই মর্মে হুন সেন আশাবাদ ব্যক্ত করেন, বাংলাদেশ এবং মিয়ানমার উভয়েই এই রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সুশৃঙ্খলভাবে নিরাপদে স্বদেশে প্রত্যাবাসনের বিষয়ে একযোগে কাজ করবে।

তিনি বলেন, ‘দেশে ১৬ কোটি মানুষ থাকার পরেও রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে বাংলাদেশে আশ্রয় প্রদান করে এবং তাদের বিষয়টি নিজেদের কাঁধে তুলে নেওয়ায় আমরা তাদের (বাংলাদেশের) প্রশংসা করছি।’

কম্বোডিয়াকে বাংলাদেশের নিকটতম আঞ্চলিক প্রতিবেশি আখ্যায়িত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এই দুটি দেশ একই রকম শান্তি, নিরাপত্তা এবং উন্নয়নের প্রত্যাশী।

তিনি বলেন, আমরা অনেক আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিক ফোরামে পরস্পরকে নিবিঢ়ভাবে সহযোগিতা করে থাকি বিশেষ করে এআরএফ, আসেম, এসিডি এবং জাতিসংঘে।

কম্বোডিয়ায় তার সফরকে অত্যন্ত ফলপ্রসু আখ্যায়িত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার এবং প্রধানমন্ত্রী হুন সেনের আলোচনার ফলে দুই দেশের সম্পর্ক এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *