রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ১১:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
শিক্ষার্থীদের গড়ে তুলতে শিক্ষকদের দায়িত্বশীল হওয়ার তাগিদ মন্ত্রীর রাজধানীর নর্দায় বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১ আদ-দ্বীন হাসপাতালে ৬ শিশুর মৃত্যু, ঘটনাস্থলে পুলিশ সীমান্তে বড় কোনো উদ্বেগজনক ঘটনা ঘটেনি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা তৈরিতে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী ৪০ জনের মরদেহ পানির নিচে: ফায়ার সার্ভিস হাদি হত্যায় অভিযুক্ত ফয়সাল ও আলমগীরকে নেয়া হলো দিল্লিতে স্বনির্ভর দেশ গড়তে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকার সচেষ্ট: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী দক্ষিণ চট্টগ্রামের অর্ধশতাধিক গ্রামে ঈদুল ফিতর উদযাপন

হাদি হত্যায় অভিযুক্ত ফয়সাল ও আলমগীরকে নেয়া হলো দিল্লিতে

ডেস্ক রিপোর্ট | বর্তমানকণ্ঠ ডটকম: / ৭৮ পাঠক
প্রকাশকাল মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার অন্যতম অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দিল্লিতে নিয়ে গেছে ভারতের জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ)। ট্রানজিট রিমান্ডে তাদের সেখানে নেয়া হয়েছে, যেখানে নতুন করে জিজ্ঞাসাবাদের প্রস্তুতি চলছে।
সোমবার রাতে এনআইএ তাদের ট্রানজিট রিমান্ডে দিল্লিতে নিয়ে গেছে। সেখানে এনআইএ’র বিশেষ আদালতে তোলা হবে তাদের।

গত রোববার কলকাতার বিধাননগর মহকুমা আদালত তাদের জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেয়। পরদিন সোমবার এনআইএ আদালতে আবেদন করে তাদের হেফাজতে নেয়ার জন্য। শুনানির সময় দুই অভিযুক্তকে ভার্চুয়ালি আদালতে হাজির করা হয় এবং বিচারক এনআইএ’র আবেদন মঞ্জুর করে দিল্লিতে নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেন।

এরপর সোমবার রাতেই দমদম সেন্ট্রাল জেল থেকে ফয়সাল ও আলমগীরকে এনআইএ’র হেফাজতে নেয়া হয় এবং রাতের ফ্লাইটে দিল্লিতে পাঠানো হয়।

জানা গেছে, মঙ্গলবার তাদের দিল্লির এনআইএ আদালতে তোলা হবে, যেখানে পুনরায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তবে এই মামলায় ভারতে গ্রেফতারকৃত তৃতীয় বাংলাদেশি নাগরিক ফিলিপ সাংমাকে হেফাজতে নেয়ার আবেদন করেনি এনআইএ।

রোববার আদালত ফয়সাল ও আলমগীরকে ১২ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠান। আদালতে আনা-নেয়ার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ফয়সাল হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেন।

সিসিটিভি ফুটেজে তার উপস্থিতির বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি দাবি করেন, ফুটেজে তাকে গুলি করতে দেখা যায়নি এবং তিনি ঘটনাস্থলেও ছিলেন না।

পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) জানায়, গত ৭ মার্চ মধ্যরাতে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ এলাকা থেকে ফয়সাল ও আলমগীরকে গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।

উল্লেখ্য, গত বছরের ১২ ডিসেম্বর ঢাকার পুরানা পল্টন এলাকায় ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি মাথায় গুলিবিদ্ধ হন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলে ১৮ ডিসেম্বর সেখানে তার মৃত্যু হয়। তদন্তে ফয়সাল করিমের নাম উঠে আসে এবং গত ৬ জানুয়ারি গোয়েন্দা পুলিশ ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। এর মধ্যে ১২ জন বাংলাদেশে গ্রেফতার হয়েছে। আর প্রধান দুই আসামি ফয়সাল ও আলমগীর এবং তাদের পালাতে সহায়তার অভিযোগে অভিযুক্ত ফিলিপ সাংমাকে ভারত থেকে গ্রেফতার করা হয়।


এই ক্যাটাগরির আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর