বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০৭:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা তৈরিতে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী ৪০ জনের মরদেহ পানির নিচে: ফায়ার সার্ভিস হাদি হত্যায় অভিযুক্ত ফয়সাল ও আলমগীরকে নেয়া হলো দিল্লিতে স্বনির্ভর দেশ গড়তে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকার সচেষ্ট: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী দক্ষিণ চট্টগ্রামের অর্ধশতাধিক গ্রামে ঈদুল ফিতর উদযাপন মোজতবা খামেনি বেঁচে আছেন, তবে আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন: ট্রাম্প ১৬ মার্চ খাল খনন কর্মসূচি‌র উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী সংসদকে জাতীয় সমস্যা সমাধানের কেন্দ্রবিন্দু করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী বাগেরহাটে বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষ, নিহত ৯

অগ্রণী ব্যাংকে এজেন্ট ব্যাংকিং পুনরায় চালুর দাবিতে মানববন্ধন

ডেস্ক রিপোর্ট | বর্তমানকণ্ঠ ডটকম: / ১৫২ পাঠক
প্রকাশকাল সোমবার, ১১ আগস্ট, ২০২৫

অগ্রণী ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা পুনরায় চালু ও দীর্ঘদিনের বকেয়া পরিশোধের দাবিতে মানববন্ধন ও শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে ব্যাংকটির এজেন্ট ব্যাংকিং অ্যাসোসিয়েশন।

রবিবার (১০ আগস্ট) রাজধানীর মতিঝিলে অগ্রণী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচিতে সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মেজবাহুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সাত্তার চৌধুরী ও কোষাধ্যক্ষ ডা. মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিনসহ প্রায় ২০০ জন এজেন্ট ব্যাংক মালিক অংশ নেন।

আন্দোলনকারীরা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা পুনরায় চালু এবং ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সব বকেয়া বিল পরিশোধের আলটিমেটাম দেন। এসব দাবি মানা না হলে আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন তারা।

সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ২০১৬ সাল থেকে সারা দেশের গ্রামীণ এলাকায় ৫৬৭টি পয়েন্টের মাধ্যমে ভাতা ভোগী, প্রবাসী, কৃষক, শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের কাছে ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দিচ্ছিলেন তারা। তবে গত ২০ জুন ২০২৫ তারিখে কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই হঠাৎ করে এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা বন্ধ করে দেয় অগ্রণী ব্যাংক।

এই সিদ্ধান্তে প্রায় ১০ লাখ ৫০ হাজার গ্রাহক, ৫ লাখ অনলাইন ব্যাংকিং ব্যবহারকারী এবং বিপুল সংখ্যক রেমিট্যান্স গ্রাহক মারাত্মক ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। একই সঙ্গে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন ৫৬৭ জন এজেন্ট মালিক ও তাদের অধীনে কর্মরত প্রায় ৩ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী, যাদের সম্মিলিত বিনিয়োগের পরিমাণ কয়েক শ কোটি টাকা।

আন্দোলনকারীরা আরও অভিযোগ করেন, গত ১৭ মাস ধরে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ কোনো কমিশন বা হিসাব প্রদান না করে এজেন্টদের বকেয়া বিল আটকে রেখেছে। একজন এজেন্ট মালিক জানান, ২০ থেকে ২২ লাখ টাকা মূলধন নিয়ে ব্যবসা শুরু করলেও এখন পর্যন্ত প্রায় ১৫ লাখ টাকা লোকসানে পড়েছি।

আন্দোলনকারীরা জানান, অগ্রণী ব্যাংকের এমন আচরণ শুধু তাদের আর্থিক ক্ষতিই ডেকে আনেনি, বরং সারা দেশে ব্যাংকিং সেবার প্রবাহে চরম বিঘ্ন সৃষ্টি করেছে।

অগ্রণী ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, আদালত স্টে অর্ডার দিয়েছেন, বিচারাধীন বিষয় এখন কোনো মন্তব্য করতে চাচ্ছি না।


এই ক্যাটাগরির আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর